প্রিয় মানুষ সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম

চলতি বছর ১০ই অক্টোবর আকস্মিকভাবে প্রয়াত হয়েছেন 888sport app বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের এমেরিটাস অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম। তিনি ছিলেন একজন যশস্বী শিক্ষক। 888sport app বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে পড়েছেন, পড়িয়েছেন। ছিলেন কালি ও কলম-এর সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি।

তাঁর ছাত্র কেবল 888sport app বিশ্ববিদ্যালয়ে সীমাবদ্ধ নয়, সারাদেশের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছিল তাঁর নিবিড় যোগাযোগ। ২০২০ সালে সিলেটের শাহজালাল 888sport apk ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন বক্তৃতার অনেক কথা আজ তাঁর বাণীতে পরিণত হয়েছে। এমনকি শ্রেণিকক্ষের বাইরে যাঁরা তাঁর আলাপচারিতা শুনেছেন, তাঁরাও তাঁর শিক্ষার্থীদের মতোই তাঁর প্রতি ভক্তি ও ভালোবাসায় স্নাত হয়ে উঠতেন। একজন সহৃদয় মানুষ ও প্রাজ্ঞ শিক্ষক হিসেবে শুধু নয়, বাংলা 888sport live footballেও তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। লিখেছেন গল্প, 888sport alternative link, 888sport live ও গবেষণা গ্রন্থ। এছাড়া
888sport live chat-সমালোচনায় ছিলেন অগ্রণীদের একজন। পত্র-পত্রিকা ও জার্নালে তাঁর অসংখ্য 888sport live-নিবন্ধ ও কলাম প্রকাশিত হয়েছে।

888sport live footballকৃতির জন্য আগামী প্রজন্মের কাছে তিনি পথিকৃৎ হয়ে থাকবেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনাসমূহ – শ্রেষ্ঠ গল্প (১৯৯৪), থাকা না থাকার গল্প (১৯৯৬), কাচ ভাঙ্গা রাতের গল্প (১৯৯৮), অন্ধকার ও আলো দেখার গল্প (২০০১), প্রেম ও প্রার্থনার গল্প (২০০৫), সুখদুঃখের গল্প (২০১১), বেলা অবেলার গল্প (২০১২), মারম্যানের প্রার্থনা এবং 888sport app গল্প (ইংরেজিতে) (২০১৩)। 888sport alternative link – আধখানা মানুষ (২০০৬), তিন পর্বের জীবন (২০০৮), কানাগলির মানুষেরা (২০০৯), আজগুবি রাত (২০১০), দিনরাত্রিগুলি (২০১৩)। 888sport live – নন্দনতত্ত্ব (১৯৮৫), কতিপয় 888sport live (১৯৯২), 888sport cricket BPL rateে 888sport live : ভাষা আন্দোলন ১৯৫২ (বাংলায়), 888sport app, বাংলা একাডেমি, ১৯৯৪; রবীন্দ্র জ্যামিতি ও 888sport app 888sport live chatপ্রসঙ্গ (২০১১), অলস দিনের হাওয়া (২০১২) ইত্যাদি। কেবল 888sport live football সৃষ্টির ক্ষেত্রে নয়, তাঁর বক্তৃতা ও কথাসম্পদসহ ব্যক্তি মানুষটিও ছিলেন খুবই জনপ্রিয়।

১৯৮৭-৮৮ সালের দিকে আমেরিকান কবি ক্যারোলাইন রাইট এলেন 888sport appয়, এশিয়ার 888sport promo code কবিদের 888sport app download apk 888sport app download apk latest version করে আমেরিকায় প্রকাশের কর্মসূচি হাতে নিয়ে। এর আগে কলকাতার 888sport promo code কবিদের 888sport app download apk 888sport app download apk latest version শেষ করেছেন। 888sport appয় এসে ক্যারোলাইন রাইট 888sport app বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের 888sport live footballের শিক্ষকদের শরণাপন্ন হলেন। আমার এবং শামীম আজাদের 888sport app download apkর প্রাথমিক বাছাই ও 888sport app download apk latest version করে দিতেন মনজুরভাই। 888sport app download apk latest versionের এই প্রাথমিক কাজে 888sport app বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে অনেকদিন বসেছি মনজুরভাইয়ের কক্ষে। দুপুরের পরপর আমি চলে যেতাম, ক্যারোলাইন আসতেন গুলশান থেকে। মনজুরভাই ক্লাস শেষে তাঁর কক্ষেই অপেক্ষা করতেন। কাজের ফাঁকে চলত আমাদের আড্ডা। কখনো তা জমে উঠত শত শত ডালপালা নিয়ে।

একদিন বসেছি মনজুরভাইয়ের কক্ষে। পরদিন পহেলা ফাল্গুন। কবি রফিক আজাদের জন্মদিন। এদিন আমার বাসায় ছোটখাটো অনুষ্ঠান হয়। ক্যারোলাইনও আসবেন হলুদ শাড়ি পরে। বসন্তে হলুদ শাড়ি পরার বাঙালি কালচার নিয়ে ক্যারোলাইন রাইটের সঙ্গে কথা হলো। শামীমআপা জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কি হলুদ শাড়ি আছে?

ক্যারোলাইন বললেন, আছে বোধহয়। তবে আমার শাড়ির ‘সংকলন’ খুঁজে দেখতে হবে। তাঁর আদুরে ও ভাঙা ভাঙা বাংলায় ‘শাড়ির সংকলন’ বাক্যবন্ধটি শুনতে বেশ লাগছিল। শব্দের প্রচলিত ব্যবহারের বাইরে যে তাকে যুক্ত করা যায় এবং ভাষাও নতুন মাত্রা পায় – সেদিন শব্দ-ব্যবহারের এমন নিয়ম-অনিয়ম নিয়ে আড্ডা বেশ জমে উঠেছিল।

আমরা সাধারণত বইয়ের সংকলন বলি, কিন্তু ক্যারোলাইন যখন শাড়ির সংকলন বললেন, তখন তাঁর বাংলা শব্দ-ব্যবহারের দক্ষতা ও রিদম দেখে অবাক হলাম আমরা বাংলাভাষাভাষী তিন জনেই। মিষ্টি হাসি দিয়ে মনজুরভাই শাড়ির সংকলনকে সেদিন স্বীকৃতি দিলেন বলেই মনে হলো।

দীর্ঘ যোগাযোগের হৃদস্পন্দনও জীবনের প্রয়োজনে এদিক-ওদিক হয়ে একটু বা দূরে সরে যায়। মনজুরভাই কখনো দূরে সরে যাননি। দেখা হয়েছে কম, কিন্তু ভালো মানুষের সঙ্গে আত্মিক যোগাযোগ কখনো বিচ্ছিন্ন হয় না। এজন্যে অসুস্থতার দিনগুলোতে ফেসবুকে তাঁকে নিয়ে যে পরিমাণ লেখা প্রকাশিত হলো – এতেই বোঝা যায় – বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষের সঙ্গে সুদূরপ্রসারী গভীর ভালোবাসা ও মমত্বের সম্পর্কগুলো তিনি লালন করেছেন বুকের গভীরে। যে যেভাবে কাছে পেয়েছেন মনজুরভাইকে, সেভাবেই আত্যন্তিক তাঁর ছবি এঁকেছেন শব্দবন্ধে, অতীতে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনার বর্ণনা করেছেন বিয়োগবিধুর উচ্ছ্বাসে। এর মধ্য দিয়ে উঠে এসেছে মানুষের সঙ্গে মানুষের নিঃস্বার্থ ভালোবাসার নির্মল অভিব্যক্তি। মনজুরভাই খুব খাঁটি, প্রাণখোলা, দেশপ্রেমিক মানুষ ছিলেন। তাঁকে অকালে হারালাম আমরা।

এই প্রাণময় স্মিতহাস্য এবং গভীর ব্যঞ্জনাময় মানুষটিকে আমি প্রথম দেখি কবি রফিক আজাদের সঙ্গে সহাস্য ভঙ্গিতে, বাংলা একাডেমিতে। রফিক আজাদ আমার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়ে বললেন, ইনি শুধু 888sport live footballিক নন, একজন মহান শিক্ষকও বটেন। যদিও তুমি একই পেশার মানুষ, তুমি কুমুদিনী কলেজে, আর ইনি 888sport app বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজির অধ্যাপক, স্যার! সেদিনই লক্ষ করলাম কবিও তাঁকে খুব ভালোবাসেন এবং সম্মানের চোখে দেখেন।

মনজুরভাইয়ের বাসায় নিমন্ত্রণ খেতে গিয়ে প্রথম সানজিদা ভাবিকে দেখি। আভিজাত্য ও আন্তরিকতার মিশেলে অসামান্য ব্যক্তিত্বসম্পন্ন এক 888sport promo code। তাঁর সঙ্গে পরিচয় এবং পরবর্তী সময়ে ঘনিষ্ঠতা। মনজুরভাই ভাবির নাম সংক্ষিপ্ত করে ‘সঞ্জু’ বলে ডাকতেন। প্রথমদিনেই ভাবির নিপুণ গৃহিণীপনার গল্প শুনে আমি হতবাক। এত বছর আগে ভাবির কিচেন ছিল সব আধুনিক সরঞ্জাম তথা যন্ত্র-মেশিনারিজ দিয়ে সাজানো-গোছানো। তিনি বাইরের কোনো কাজের লোক ঘরে ঢুকতে দেন না – শুনে আমি চমকে গেলাম। ওমা! কীভাবে এত কাজ একহাতে করা সম্ভব? রান্নাবান্না ধোয়ামোছাসহ সব – সব কাজ! ভাবি বললেন, আমরা দুজনে মিলে কাজগুলো শেষ করি। তাঁদের বাসার ফ্লোরসহ প্রতিটি আসবাবপত্রের দিকে তাকিয়ে দেখি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। ভাবির হাতের স্পর্শে প্রায় নতুনের মতো ঝকঝকে, তকতকে।

তাঁদের পুত্র সাফাকাত ও আমাদের প্রথম সন্তান অভিন্ন একই বয়েসি প্রায়। সাফাকাত ভর্তি হলো ইংরেজি মিডিয়াম স্কুল সাউথব্রিজে, অভিন্নকে ভর্তি করেছিলাম স্কলাসটিকায়। দেখা হলেই আমরা পরস্পরের সন্তানের খোঁজখবর করতাম আগে। এভাবে মনজুর-সানজিদা দম্পতি আমাদের নিমন্ত্রণে ধানমণ্ডির বাসায় এসেছেন বেশ কবার। আমরাও মাঝে মধ্যে যেতাম ভাবিকে দেখতে। ঘর-সংসার এবং চাকরি-বাকরির কাজ নিয়ে বেশ ব্যস্ত থাকতেন দুজনেই।

সানজিদা ভাবি একটা আমেরিকান কোম্পানিতে কলসালট্যান্সি করতেন। এজন্য বছরে তিনি দুই-তিন মাস আমেরিকায় যেতেন। মনজুরভাইয়ের যেদিন কার্ডিওঅ্যারেস্ট হলো, সে-সময়ে ভাবি কার্যোপলক্ষে ওয়াশিংটন ডিসিতে ছিলেন। একমাত্র সন্তান সাফাকাত বহু বছর থেকেই আমেরিকা প্রবাসী।

ল্যাবএইড হাসপাতালে বরেণ চক্রবর্তীসহ বড় বড় সব কার্ডিওলজিস্ট মনজুরভাইয়ের চিকিৎসক ছিলেন। কার্ডিওঅ্যারেস্টের পর সঙ্গে সঙ্গে দুটো রিং পরানো হলো। এর পরের দুদিন বেশ ভালো। তৃতীয় দিনে হঠাৎ করে মনজুরভাইয়ের অক্সিজেন লেভেল কমে গেলে লাইফ সাপোর্টে দিলেন ডাক্তাররা। মনজুরভাইয়ের ছোট বোন বেবী তাঁর সর্বক্ষণের সঙ্গী। অন্য প্রকাশের স্বত্বাধিকারী মাজহারুল ইসলাম এবং তাঁর বহুকালের বিশ্বস্ত সহকর্মী তথা বন্ধু এবং অগণিত শিক্ষার্থী ও শুভাকাক্সক্ষী তাঁকে ঘিরে রেখেছিলেন। যখনই দাদাইর খোঁজ নিতে বেবীকে ফোন করতাম, ল্যাবএইডেই পাওয়া যেত তাকে।

দাদাইর সারাক্ষণের সঙ্গী হয়ে বেবী বসে থাকতো ওয়েটিং রুমে। তার বন্ধু আমরাও ওর পাশে মঙ্গল কামনায় থাকতাম আর ভাবতাম, কখন দাদাই ভালো হয়ে ফিরবেন! লাইফ সাপোর্টর তৃতীয় দিনে রোগীর জ্ঞান ফেরার সংবাদটি আত্মীয়স্বজনকে নাচতে নাচতে প্রথম জানিয়েছিলেন আমাদের সকলের প্রিয় লেখক এবং কার্ডিওলজিস্ট ডাক্তার বরেণ চক্রবর্তী। আহা, কি অদ্ভুত ছিল সেই বিজয়ের মুহূর্তটি।

ঘটনাও অদ্ভুত, আমেরিকা থেকে সঞ্জু ভাবি আর পুত্র যেদিন ফিরলেন, মিরাক্যালি সেদিন দাদাই কথা বললেন – কাগজে লিখে জানালেন তাঁর তেষ্টা পাওয়ার কথা। ওয়ার্ডবয় জিজ্ঞেস করলেন, লেবুর শরবত খাবেন কি? ইংরেজির অধ্যাপকের জ্ঞান ফিরেছে, কাজেই ‘লেবুর শরবত’ কথাটি পছন্দ হলো না তাঁর! কারেকশন করে তখন পাশে থাকা ইংরেজি বিভাগের এক ছাত্রীকে নরম স্বরে ডেকে বলেছিলেন, ‘ওকে লেমোনেড বলতে বলো।’ একথা মুহূর্তেই গল্প হয়ে রটে গেল সেখানে উপস্থিত দর্শনার্থীদের মধ্যে। সানজিদা ভাবি কৃত্রিম অভিমানের সুরে বললেন, দেখো তো দেখি, এখানেও তিনি মাস্টারি করছেন।

ভাবি যখন ভেতরে গেলেন, তাঁকে চিনতে পারেন কি না এজন্য – ডাক্তার জিজ্ঞেস করলেন, একে চেনেন আপনি? কে বলুন তো?

মুখের দিকে তাকিয়ে বললেন, আমার স্ত্রী সঞ্জু। সানজিদা ইসলাম। সন্তানের মুখের দিকে চেয়ে বলেছিলেন, আমার ছেলে সাফাকাত।

আবেগে থরথর বেবী আমার হাত ধরে বলল, দিলু জানিস, দাদাই যখন কথা বললো আমার সঙ্গে – মনে হলো আমি চাঁদের মাটিতে হাঁটছি। এতটাই আনন্দময় উৎসব হয়ে উঠেছিল সেদিন হাসপাতালের তৃতীয় তলার গেস্টরুম। বন্ধু বেবীর সঙ্গেও কতকাল পরে দেখা হলো।

888sport app বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ে আমরা দুজনেই ছিলাম শামসুন্নাহার হলের আবাসিক। সেই সূত্রেই বন্ধুত্ব বহুকালের। কিন্তু ছাত্রাবস্থায় জানতাম না মনজুরভাই ও বেবীর ভাই-বোনের এই সম্পর্কের বিন্দুবিসর্গও।

আসলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়া শেষ করার পরে যার যার মতো ফিরে গেছি নিজস্ব জীবনের ঘাটে। শামসুন্নাহার হলবন্ধুদের অনেকেই দেশে থাকলেও বেবী ইংল্যান্ড, পরাগ টরন্টো প্রবাসী। ফলে নতুন করে পরস্পরকে জানার বা জানানোর সুযোগ হয়নি এই পর্বে।

আমি ছেলেদের দেখতে টরন্টো গেলে সেখানেই পরাগের সঙ্গে নতুন করে পরিচয় ও বন্ধুত্ব বাড়ে। সে-বছর পরাগ তার ছেলের বিয়েতে ঘনিষ্ঠ হলবন্ধুদের ডেকে পাঠায় তার টরন্টোর বাড়িতে। এই সময় বেবী স্বামীসহ এলো লন্ডন থেকে। চল্লিশ বছর পরে ওদের সঙ্গে আমার দেখা হলো এবং জানা গেল, বেবী আমাদের খ্যাতিমান সু888sport live footballিক ও এমেরিটাস অধ্যাপক মনজুরভাইয়ের আদরের ছোটবোন। ইতোমধ্যে বেবীও আমার মতো স্বামীকে হারিয়েছে। একমাত্র কন্যাকে লন্ডনে রেখে নিজে ফিরে এসেছে একলা নিকেতনে। সুখে-দুঃখে মনজুরভাই ছিলেন বেবীর একমাত্র প্রশান্তির ছায়াঘন ঠিকানা। মনজুরভাইকে বেবী ডাকতো দাদাই, আমরা অপরাপর বন্ধুরাও তাই দাদাই বলে ডাকতাম। দাদাই আমাদের সকলকে রেখে চলে গেলেন দ্রুত। এ যেন ‘প্রদীপ নিভিবার আগে জ্বলিয়া উঠিলো’ – কপালকুণ্ডলা 888sport alternative linkে বঙ্কিমচন্দ্রের এই উক্তিটি খুব বেশি মনে পড়ছে আজ। সন্তান ও ভাবির সঙ্গে দেখাটি বাকি ছিল বলেই হয়তো স্বল্প সময়ের এই জাগরণ দুদিনের জন্য প্রিয়জনদের উদ্ভাসিত করেছিল। কিন্তু চলে গেলেন অসীম গন্তব্যে। আমাদের সম্মিলিত দীর্ঘশ্বাস আর কোনো ঠিকানা খুঁজে পেল না। মনজুরভাইয়ের আদরের নিঃসঙ্গ একলা ছোটবোন বেবী, স্ত্রী-সন্তান ও স্বজনেরা জলে ভেসে যাবে, তবু আর কোনো ভরসা ও ছায়াশীতল প্রশান্তির হাত উঠে আসবে না মাথার ওপর। প্রিয়জনদের বুকে জেগে থাকবে এক গভীর শূন্যতা।