888sport app download apk

  • হুন্দা888sport sign up bonus

    হুন্দাপাড়ে বসতের চিহ্ন আর খুঁজেও পাবে না। তেমন দলিল নেই, তিরোহিত পাথুরে প্রমাণ, প্রাচীরের প্রাচীন সীমানা যেন পুরা888sport sign up bonus প্রায়। রেনেলের সূক্ষ্ম চোখ এড়িয়ে গিয়েছে এঁকে দিতে ভূমির শরীর। আমার দাদুর কণ্ঠে হুন্দা নাম 888sport sign up bonusচারী শৈশবের সমবেত সুখের ফোয়রা। জ্বলন্ত স্বাক্ষীরা নেই, দাদুর নিশ্বাসধ্বনি আজো গেঁথে আছে মর্মমূলে, যেন উপকথা-রূপকথা! ফল্গু নামে নদীটিকে কোথাও দেখি না আজকাল কেবল পুরাণগ্রন্থে স্রোতস্বিনী হয়ে ফুটে আছে 888sport appর বুকের পাশে রামগঙ্গা আর নারায়ণী ক্রমশ তাদের স্থান ইতিহাসে অনুজ্জ্বলরূপে হুন্দা কি তেমন কেউ? নাকি অবিশ্রুত পুরাবৃত্ত! দিদিমার মুখে শোনা কথকতা! তবু স্বপ্ন আঁকি। অদৃশ্য আলোয় খুঁজি মৃত্তিকার গোপন আহ্বানে সময়-888sport sign up bonusর তলে জেগে থাকা রাগাশ্রয়ী সুরে যদিবা কখনো আমি পেয়ে যাই পাথুরে খড়ম- বুঝে নেব হুন্দা আছে জাগরূক শ্রুতিসংহিতায়।

  • কেনই বা এলাম

    কেনই বা এলাম এই দিগন্তবিস্তৃত মাঠে কি যে নেব আর কীই বা দেব এই সৃষ্টি বুঝে ওঠার আগেই সময় ফুরিয়ে এলো এই দিগন্তবিস্তৃত মাঠ সবুজে সবুজে ভরা … সবুজে বিলীন হতেই বিবর্ণ হলুদ দ্রুত বিদায় জানাতে আসে। কেনই বা এলাম এই দিগন্তবিস্তৃত মাঠে …

  • বৈশাখের ভোর

    ১ বৈশাখের পরিপক্ব ভোর আনন্দের কথা নিয়ে সেতার-বাদনে হাঁটে। সর্বত্র সজাগ গতিবিধি; অত্যন্ত সহজ সত্যে সৃষ্টির বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ করে দৃষ্টি। আলোক-উপমা হাসে, রুচি অনুসারে গাণিতিক অভিজ্ঞান মাধুর্যের বিশ্লেষণেও ওড়ে। এসব সম্পর্কযুক্ত বিশিষ্ট ক্রিয়াকলাপ আমাকে চিনিয়ে দেয় পথ। এইসব সাবলীল গুঞ্জনের চারিপাশ আমি বিনষ্ট করি না। নজরদারি ঋতুর স্বাক্ষরে নথিভুক্ত হয়েছে গ্রীষ্মকাল, স্বনামধন্যতার পক্ষে অরণ্যের প্রান্তর আলোময়; ব্যাখ্যার আবিষ্ট রূপ কী পথপ্রদর্শক সেজে মুখাপেক্ষী হয় নিজস্ব সংলাপ? ২ বৈশাখের ভোরে মনোরম এক ‘অনুভব’ নিজের ভাষায় – রং ও সৌরভের ভিন্নতা খুঁজে, স্পষ্ট করেছে ছন্দের অনুপ্রাস রূপ। এ-রঙের প্রতীতির সঙ্গে সবেগে চলেছে ছুটে ইতিহাস; নববর্ষের স্বস্তি যে, আলেখ্যের গান শুনিয়ে স্বপ্ন দেখায় – সেহেতু সে সব সুর ঐতিহ্যের কেতন উড়িয়ে বিস্ময়ে বিভোলে স্বকীয়তার অঞ্চলে অভ্যর্থনাও জানায় রোমাঞ্চিত রূপান্তর যেন পরিপূর্ণ হয়ে বরণ আমেজে নতুন বাতাসে ওড়ে। বৈশাখীর ‘অনুভব’ অন্যমনস্ক নয় সৌরভে।

  • যুদ্ধে বিধ্বস্ত শহর

    এই শহরে এখন সময় স্থির নয়, একটি ঝুলন্ত ঘড়ির কাঁটার মতো যার মুখ ভেঙে গেছে শার্পনেলের ছোঁয়ায়। গণকেরা বাতাসে খোঁজে জীবনের রেখা – একটি জুতো, অর্ধেক পোড়া পুতুল, দেওয়ালে আটকে থাকা হাতের ছায়া। তবু হঠাৎ, মধ্যরাতে জেগে ওঠে কঙ্কালের মতো দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাড়ি; তার কোনো জানালা নেই, তবু ভিতরে জ্বলে একটি মোমবাতির নিঃশব্দ শিখা – যেন কেউ এখনো অপেক্ষা করে কারো ফিরে আসার। সময় গড়ায়, কিন্তু এখানে ইতিহাস স্তব্ধ। শুধু একগুচ্ছ নীল কবুতর উড়ে যায় একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত মিনারের চারদিকে, যেন তারা এখনো বিশ্বাস করে – আকাশ সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ।

  • আঁধারকাল

    যে আলো মনের ভেতর খেলা করে সবটুকু জুড়ে সে এখন চেনা আর অচেনা নগরে এসে ভিড় করে আঁধাররেখায়। যেমন বসে পড়ে শিশু তার মায়ের কোলে তেমনি আঁচলের সব আলো ঝরে পড়ে পৃথিবীর শৈশবপাড়ায়।  যে ভোর ডেকে আনে রোদের আলোভরা চুমুর পরশ, সে কি না অতি দ্রুত চলে যায় বিষাক্ত প্রেমের হাট-ঘাট-মাঠে রোদ আর ছায়ার গোপন চুক্তির অচেনা নগরে এসে, পালিয়েছে মানুষ সুন্দরের সব গান সব সুর সব ভোর থেকে। তবু তারা যেতে চায় অচিন পাখির সুখের নগর আর মনের ভেতর পুষে রাখে জীবননদীর পরাজিত খেলা।

  • বুড়ি সোনাই, রুক্ষ দুপানি

    আমি কি বৃষ্টির সন্তান ছিলাম, নাকি প্রেমিক – কৃত্রিম ঝরনার কাছে এ খবর থাকবে না, শহুরে দৈনিকগুলোও ছাপবে না কোনো কিছু – মাঝে মাঝে নিজেকেও খুব অচেনা মনে হয়, শুধু খোলস আছে খোলসের ভেতর মানুষ, নাকি মাছি – কোথায় ছুটেছি কার পিছু? আমারও তো মাঝে মাঝে একা লাগতে পারে, এসব ওরা বোঝে না এসির বাতাসে কীভাবে নেব বৃষ্টি-হাওয়ার স্বাদ, এই অনিবার্য সন্ন্যাসে – চেনা রাস্তা, চেনা ঘর, শহরের সাজানো গাছপালা সব তবু লাগে অচেনা ত্রস্ত পায়ে এগিয়ে গিয়ে জানালায় হাত বাড়াই – দম বন্ধ হয়ে আসে। দুপানির কোলছাপা ঘোলাজল আর সোনাইয়ের কলকল স্বচ্ছ পানি জেনে রেখো তোমরা, একদিন এইসব হাঁসফাঁস অন্ধকার ছেড়েছুড়ে আবার আসবো ফিরে – ধূসর ছায়াপথ ধরে হাঁটতে হাঁটতে ঠিকই জানি পৌঁছে যাব তোমাদের কাছে, কোলাহল থেকে দূরে নিমগ্ন মাটির ঘরে। হয়তো তখন স্রোতের আকাল – তোমরাও বন্দি পরাবাস্তব ফাঁদে, আর এই বুক বুড়ি সোনাই, রুক্ষ দুপানি – বেদনার মতো কাঁদে।

  • ন হন্যতে

    রৌদ্রঝলসিত চারণভূমির ঘাসে নগ্ন তুমি – শুয়ে যেন খোলা তলোয়ার ফুল ভ্রমে প্রজাপতি নরম বাতাসে ধীর উড্ডয়নে নামে ও বুকে তোমার গোপন নিশানাগুলো চিনে নিতে চাই কোথায় লবণ-খাঁড়ি, কোথায় আগুন সুখের মতন কোনো ব্যাধি আর নাই সুখ, তুমি ব্যাধি হও – কুন ফায়া কুন তুঁতপোকা, তুমি হও নরম রেশম – গভীর দিনের শেষে বিষাদ-সুন্দর; ন হন্যতে, ন হন্যতে, অয়ি বিহঙ্গম আমি হই বিষে নীল, কী ভীষণ জ্বর! যেদিকে তাকাই – দেখি, প্রিয় সেই মুখ আমার হয়েছে সখী, সুখের অসুখ।

  • সুপ্ত উচ্চারণ

    ‘ভালোবাসি’ বললেই শব্দটির আলো নিভে যায় জীবন ও মৃত্যু এসে একসাথে আঁট হয়ে বসে পুরনো কাগজ ওড়ে; ভাঁজে ভাঁজে লেখাজোকা আছে অঘোষিত স্বীকারোক্তি। বন্ধ চোখে সব দৃশ্যমান রাস্তার বিষণ্ন আলো ঝরে আছে অদূরের কাছে আমার নামের পাশে দাঁড়িয়ে থাকে তোমার ছায়া রাত্রির ক্ষয়িষ্ণু চোখ। জানলা খোলা। মন লিখে ‘মন’ চাঁদের আলোয় দেখি – অর্ধেক তুমি, অর্ধেক আমি অসমাপ্ত চিত্র! কাকে কে দেখায় – বোধগম্য নয় মরুময়তায় আমি ভিজি, তুমি লিপ্ত অন্ধতায় তোমার বিদায়-হাসি মুগ্ধতার মৃত্যু ডেকে আনে, প্রেম ও বিচ্ছেদ একবিন্দুতে মেলে, ব্যাসার্ধ আঁকে … শুধু অনুভূত হয় অস্তিত্বের পরম পরতে – মুগ্ধতার চিহ্ন – বাধ্যগত নয়, বিমূর্ত উড়াল … কাঁচের গ্লাস। ঠোঁট ছুঁতেই চিড় ধরে স্বচ্ছতায় আলোর ছায়ায় মেলে চিরন্তন নিত্যসত্যতা যেখান সময়বৃত্ত নেই, আমরাই চিরবিদ্যমান আর থাকে ভালোবাসা অপলক সুপ্ত উচ্চারণে

  • মনাভিমন্যু

    রণে পার্থ কাঁদে একা, সখা দেখা দাও, গাণ্ডীব লাগছে ভার, পরান অসাড়! যুযুমান এ জীবন, আর কত বই! সংসার জতুগৃহ, নিষ্কৃতি মিলাও। রথ তুমি বয়ে চলো, পিছে আমি রই, পথের দিশারী তুমি, অনুগামী হই। কুরুক্ষেত্র দূরে নয়, হৃদি যুদ্ধাক্রান্ত, নিজের বিরুদ্ধে যুঝে, শোকাতুর পার্থ। এ জীবন চক্রব্যুহ, মন অভিমন্যু, ঢুকেছে শিবিরে একা, না জেনে কৌশল। শরীরে রয়েছে লেখা, শরীরের ঋণ, হৃদয়ে বইছো তুমি, কালকূটপ্রেম। রণে পার্থ বড় একা, প্রভু দেখা দাও, রথ তুমি বয়ে চলো, ডাকেন অর্জুন।

  • কাজল

    উল্টোচাঁদবাঁকা ভ্রুজোড়ায় নাচে লজ্জাবতী মায়ার কাজল, ঢালু বেয়ে চোখ; চোখের কোনায় জ্বলে অশ্রুকণা টলমল। লোনা অশ্রুকণাগর্ভে সৃষ্ট ঝরনা থেকে দরদি নয়ননদী – দুঃখী মোহানার টানে অসীমের বেদনায় মিশে যায় যদি … সেই শোকে আকাশের সবদিকে জমে গেলে বিষাদবাদল, নিচে কালো ছায়া পড়ে সাগরের রাগী চোখে বিরহকাজল।

  • অস্থায়ী ঠিকানা

    ভাড়াবাড়ির দেয়ালে পেরেকের পুরনো দাগ চিঠির বাক্সে জমে থাকে চিরচেনা ধুলো। নাম বদলাই, স্থান বদলাই, মোবাইলের সিম কার্ডের মেয়াদ ফুরোয়। বারান্দায় শুকোতে রাখা শার্টের মতো দুপুরের রোদে ঝুলে থাকে পরিচয়। একসময় যে উঠোনে ডাক পড়তো নামে, সেখানে এখন আগাছা ও নীরবতা। নদী বদলেছে পাড়, শহর বদলেছে মানচিত্র, আমিও বদলেছি ঠিকানা অগণনবার। না-খোলা চিঠিতে জমে থাকে পুরনো দেশ, অপঠিত কিছু আহ্বান, কিছু অনুতাপ। যে ঘর ছেড়েছি, সে-ঘরও কি আমাকে ছাড়ে? স্বপ্নে কখনো দরজায় কড়া নাড়ে অচেনা হাত। ভেতরে ভেতরে বুঝি, আমরা সবাই ভাড়াটে, শ্বাসের ভেতরেই কেবল অস্থায়ী বাস। দেহ এক খাম, ঠিকানা লেখা ক্ষণিক, প্রেরক অজানা, প্রাপকও অনিশ্চিত।

  • দ্বৈত

    এই যে এখানে এলে বাদামের খোসা পেলে        অবশিষ্ট হাতে যাকে ভাবলে বাওবাব সে একটি নৈশ ক্লাব        ফুরায় প্রভাতে সকালে এমনই তোর তৈরি হয়েছিল ঘোর        কীভাবে বেরোবি নতুন বর্ষ আসে ডোবা তাতে পোকা ভাসে        বিধ্বস্ত ছবি পদ্ম যে অবিচল তোর কী হয়েছে বল্       কালো দেখছিস পিরিচে সাজানো বেল নাগলিঙ্গমে উদ্বেল      …