প্রিয় বই : নানা বয়সের

আমার ছেলেবেলার বেশিটাই কেটেছে আমাদের দেশের বাড়ি ফরিদপুর জেলার এক প্রত্যন্ত গ্রামে| কলকাতাতেও আমাদের একটা বাসাবাড়ি ছিল বটে, তবে আমার বাবা, মা, ছোটপিসি, দিদি ও কলেজের পড়ুয়া তিন কাকা সেখানে থাকলেও ঠাকুর্দা আমাকে দেশের বাড়িতে তাঁর নিজের কাছে রেখে দেন| তাঁরই কাছে আমার হাতেখড়ি, তিনিই আমাকে লোহার সরু শিক দিয়ে নরম মাটিতে আঁচড় কেটে অ আ ক খ ও এ বি সি ডি লিখতে শেখান| তা ছাড়া যেমন বারোর ঘর পর্যন্ত নামতা, তেমনি শুভঙ্করের আর্যা মুখস্থ করান ও কষতে শেখান যোগ-বিয়োগ-গুণ-ভাগের ছোট-ছোট অঙ্ক| পরে আরও অনেকের কাছে অনেক শিক্ষা পেয়েছি, তবে আমার পিতামহই আমার প্রথম শিক্ষাগুরু| গুরুপ্রণামী বাবদ রোজ সন্ধ্যায় কৃত্তিবাসের রামায়ণ অথবা কাশীরাম দাসের মহাভারত থেকে কয়েক পৃষ্ঠা তাঁকে পড়ে শোনাতে হত|
রাত্তিরের খাওয়া-দাওয়ার পাট তাড়াতাড়ি মিটে যেত| তারপর ঠাকুমার পাশে শুয়ে রূপকথা শুনতুম| সুয়োরানি-দুয়োরানির কথা, সাতভাই চম্পা ও তাদের পারুল-বোনের কথা, রাক্ষসপুরী থেকে বন্দি রাজকন্যাকে উদ্ধার করে আনার কথা| ঠাকুমা অবশ্য এ-সব গল্পকে রূপকথা না বলে পরন-কথা বলতেন| তা বলুন, নামে কী বা আসে
যায়,! রূপকথার যেটা রূপৈশ্বর্যের দিক, সেটা তাতে কণামাত্র চাপা পড়ত না, বরং আমার ঠাকুমার বলার গুণে আরও দীপ্ত হয়ে ফুটত| ঠাকুমা ছিলেন জাত-গল্পবলিয়ে| ˆশশবে আমি এমনিতেই একটু কল্পনাপ্রবণ ছিলুম| তার উপরে, কণ্ঠ¯^রকে কখনও উঠিয়ে কখনও নামিয়ে যেভাবে তিনি শোনাতেন তাঁর পরন-কথা, আমার কল্পনার দরজা তাতে একেবারে হাট হয়ে খুলে যেত|
প্রসঙ্গত, একটা কথা অবশ্য ¯^ীকার করতেই হবে| সেটা এই যে, ঠাকুমার পরন-কথা শুনে সেই পাঁচ-ছ বছর বয়সে যত না আনন্দ পেয়ে থাকি, সেই তুলনায় ওই যে ঠাকুর্দা আমাকে দিয়ে রামায়ণ ও মহাভারত বই দুখানা পড়িয়ে নেবার ব্যবস্থা করেছিলেন, তাতে আনন্দ পেতুম আরও বেশি| আসলে গল্প পড়া ও গল্প শোনা মোটেই তুল্যমূল্য ব্যাপার নয়, নিজে কিছু পড়ে জানার মধ্যে যে একটা বাড়তি রোমাঞ্চ থাকে, অন্যের মুখে শুনে জানার মধ্যে সেটা থাকে না| যা-ই হোক, কৃত্তিবাসের রামায়ণ ও কাশীরামের মহাভারত পড়ে আরও যে লাভ হয়, একটু অপ্রাসঙ্গিক হলেও, তার কথাও এখানে বলে রাখি| দুটি আখ্যানই তো পদ্যছন্দে লেখা, তার উপরে ছন্দের তাল রক্ষা করে, ঠাকুর্দা যাতে ঠিকমতো শুনতে পান তার জন্য একটু উঁচু গলায় সেটা পড়তে হয়, আর তাই পড়া শেষ হবার সঙ্গে-সঙ্গেই মিলিয়ে যায় না তার রেশ, কানের মধ্যে অনেকক্ষণ ধরে তার গুনগুনানি চলতে থাকে|
তখন থেকেই কি ছন্দের প্রতি একটা দুর্মর আসক্তি জন্মায় আমার মনে? জানি না| তবে ওই পাঁচ-ছ বছর বয়স থেকেই যে লাইনে-লাইনে মিল দিয়ে পদ্য লিখতে শুরু করি, সেটা ঠিক| কলকাতায় যখন আসি, তখন আমার ছয় পূর্ণ হয়ে সাত চলছে| তার আগে যে কখনও এই শহরে আসিনি, তা নয়| বার দুয়েক আসতে হয়েছিল| কিন্তু দু-বারের একবারও এখানে দিন দুই-তিনের বেশি থাকা হয়নি| আসতে হত নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে, তাই ফিরেও যেতুম তড়িঘড়ি| দেশের বাড়িতে যে অবাধ ¯^াধীনতা ভোগ করেছি, এখানে সেটা নেই| জায়গাটা তাই একটুও ভাল লাগত না|
এবারের আসাটা কিন্তু পাকাপাকি আসা| বাসাবাড়ির কাছেই একটা ইস্কুলে আমাকে ভর্তি করে দেওয়া হয়| হাতে আসে নতুন-নতুন বই| বাবার কাছে তার আগেই পেয়েছিলুম লাল রঙের শক্ত মলাটে বাঁধানো শিশুপাঠ্য গ্রন্থাবলি| সেটা ছিল যোগীন্দ্রনাথ সরকারের হরেক ছড়া ও ফুরফুরে গদ্যরচনার অতি মজাদার এক সংকলন| তা ছাড়া হাতের কাছেই পাই রামধনু, মৌচাক, মাসপয়লা ইত্যাদি শিশুপাঠ্য হরেক পত্রপত্রিকা| যদ্দুর মনে পড়ে, ইস্কুলে আমি যখন উঁচু ক্লাসের ছাত্র, তখনই প্রথম বেরোতে শুরু করে ছোটদের নতুন একটি ঝকঝকে কাগজ, পাঠশালা| তার প্রতি 888sport free betয় গল্প 888sport app download apk ধাঁধা ও 888sport app লেখার সঙ্গে, বাড়তি আকর্ষণ হিসেবে, থাকত একটি শব্দছক, যেটার শূন্য ঘরগুলি পূরণ করতে আমার দম বেরিয়ে যাবার উপক্রম হত| আবার মোটামুটি সেই সময়েই মৌচাক পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে বেরোচ্ছিল বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের চাঁদের পাহাড় 888sport alternative link| যদি বলি যে, বাংলা কিশোর-888sport live footballে এ এক কালজয়ী রচনা, তো একটুও বাড়িয়ে বলা হয় না|
সত্যিই কালজয়ী| তা যদি না-ই হবে, তো আজ থেকে আশি বছর আগে যে-লেখা তখনকার এক মাসিক পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে বেরোত, পত্রিকাখানা হাতে পাওয়ামাত্র সেই লেখাটির উপরে আমি হুমড়ি খেয়ে পড়তুম কেন, আবার এখনকার ছেলেমেয়েরা অর্থাৎ আমার পৌত্র-পৌত্রীর বয়সিরাও কেন গ্রন্থাকারে সেই চাঁদের পাহাড় হাতে পেলে এত খুশি হয় যে, মনে হয় যেন তারা সাত রাজার ধন হাতে পেয়েছে?
ইস্কুলে যখন পড়ি, তখন মৌচাকই ছিল আমার সবচেয়ে প্রিয় পত্রিকা| শুধুই যে বিভূতিভূষণের চাঁদের পাহাড়-এর জন্য প্রিয়, তা কিন্তু নয়| ওই কাগজেই নিয়মিত পাওয়া যেত হেমেন্দ্রকুমার রায়ের রোমাঞ্চকর সব গল্প আর সুনির্মল বসুর মজাদার সব ছড়া ও 888sport app download apk| এই প্রসঙ্গে আর-একটা ঘটনার কথাও বলতে হয়| আমার এক জন্মদিনে ছোটকাকার বন্ধু — আমরা তাঁকে ধীরেনকাকু বলতুম — দুখানা বই নিয়ে এসে আমাকে বলেন, ‘কোনটা নিবি?’ বই দুখানা হল হেমেন্দ্রকুমার রায়ের আবার যকের ধন ও সুকুমার রায়ের আবোল তাবোল| ঝাঁপিয়ে পড়ে আমি বলি, ‘দুটোই নেব|’ খুবই যে বুদ্ধির কাজ করেছিলুম, তাতে আর সন্দেহ কী| ও-দুটি বইয়ের একটিও কি হাতছাড়া করার মতো? এখনও মনে পড়ে যে, যেমন চাঁদের পাহাড় তেমনি আবার যকের ধন আমার ˆশশব ও ˆকশোরের দিনগুলিকে রহস্যে-রোমাঞ্চে কতটাই না ভরাট করে তুলেছিল, আর সেই জীবনে কী নির্মল হাসির স্রোতই না বইয়ে দিয়েছিল আবোল তাবোল-এর ছড়া| কিন্তু এ তো গেল ছেলেবেলার প্রিয় বইয়ের কথা| এর পর কলেজে উঠি| তখন আরও নানা রকমের বইয়ের একটা আস্ত জগতের দরজা আমার জীবনে হঠাৎ খুলে যায়| এবারে সেই কথায় আসব|

॥ ২ ॥
ম্যাট্রিকুলেশনের বেড়া টপকে কলেজে ঢুকি| আই. এ. ক্লাসে ভর্তি হই| প্রথম যেদিন কলেজে যাবার জন্য ˆতরি হচ্ছি, বাবা আমাকে ডেকে বলেন, ‘একটা কথা মনে রাখবি| এখন থেকে এক বাংলা ছাড়া বাদবাকি সব বিষয়ই কিন্তু ইংরেজিতে পড়ানো হবে| তেমনি পরীক্ষাতেও তোকে উত্তর লিখতে হবে আগাগোড়া ইংরেজিতেই|’
আমি বলি, ‘সে তো জানি, কিন্তু তার জন্যে কী করতে হবে?’
বাবা ইংরেজিরই অধ্যাপক| তিনি বলেন, ‘বাংলাটা তো মোটামুটি ভালই লিখিস, এবার ইংরেজিতেও দক্ষ হতে হবে| সেটা হতে হলে শুধু নেসফিল্ডের গ্রামার মুখস্থ করলেই চলে না, পাঠ্য বইয়ের বাইরেও প্রচুর ইংরেজি বই পড়তে হয়|… এই নে, দুটো বই দিচ্ছি, আজ থেকেই পড়তে শুরু কর|’
বই দুখানা হল আঁদ্রে মরোয়ার এরিয়েল আর লিটন স্ট্রেচির এমিনেন্ট ভিক্টোরিয়ানস| প্রথম বইয়ে আছে কবি শেলির অনুপম এক জীবনালেখ্য, যেখানে প্রসঙ্গত আরও তিন বিখ্যাত কবির — কিট&স, বায়রন ও লে-হান্টের — দেখাও আমরা পেয়ে যাই| আর দ্বিতীয় বইটিতে পাই মহারানি ভিক্টোরিয়ার আমলের প্রখ্যাত চার ব্যক্তির…না, ঠিক জীবনী নয়, বরং বলা যায়, তখনকার সামাজিক প্রেক্ষাপটে তাঁদের ভূমিকা ও চারিত্রিক ˆবশিষ্ট্যের অতি নিপুণ ও নির্মোহ মূল্যায়ন| এই চারজনের একজন হলেন শ্রীমতী ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল, যাঁকে বরাবরই আমরা মূর্তিমতী করুণা বলে জেনে এসেছি| স্ট্রেচির এই বই পড়লে কিন্তু সেই ধারণা একটা বড় রকমের ধাক্কা খায়|
ইংরেজি বইয়ের প্রতি আমার আগ্রহ ও আসক্তির সেই সূচনা| যা ক্রমেই বাড়তে থাকে| বাবার কাছ থেকে মূলত নানা 888sport liveের বই পাওয়া যেত| সেক্ষেত্রে গল্প-888sport alternative link আর নাটক জোগাড় করেছি কলেজ ও হোস্টেলের লাইব্রেরি থেকে| চাঁপাতলা পাড়ায় আমাদের বাড়ির কাছেই 888sport apk download apk latest versionনন্দ পার্কের উল্টোদিকে ছিল রজনীকান্ত গুপ্ত মেমোরিয়াল লাইব্রেরি| যেমন বাংলা তেমনি ইংরেজি বইয়ের স্টক তাদেরও নেহাত খারাপ ছিল না| চার্লস ডিকেন্সের 888sport alternative link এ টেল অব টু সিটিজ থেকে শুরু করে আর্নল্ড বেনেটের নাটক মাইলস্টোন&স যে সেখান থেকে এনেই পড়েছিলুম, তা মনে পড়ে| ইংরেজি 888sport app download apk latest versionে বেশ-কিছু রুশ ও ফরাসি গল্প-888sport alternative linkও সেই সময়ে পড়া হয়ে যায়|
যা-ই হোক, এ যা বলছি, এর থেকে কেউ যেন আবার ভেবে না বসেন যে, ইংরেজি বই পড়ার ব্যাপারে হঠাৎ এই একটা জোয়ার আসার ফলে আমার বাংলা গল্প-888sport alternative link পাঠের উৎসাহে তখন একেবারে ভাটা পড়ে গিয়েছিল| তা কিন্তু কখনোই পড়েনি| এখানে একটা কথা বলি| সাত বছর বয়সে প্রথম যখন পাকাপাকিভাবে কলকাতায় আসি, তখন থেকেই দেখেছি যে, বাবার নামে আমাদের বাড়িতে ফি মাসে যেমন স্ট্যান্ড ম্যাগাজিন বলে একখানা ইংরেজি কাগজ আসে, খবরের কাগজের হকারটিও তেমনি ফি মাসে আমাদের বাড়িতে দিয়ে যায় খানকয় বাংলা পত্রিকা| প্রবাসী, ভারতবর্ষ, বসুমতী ও বঙ্গশ্রী| তা আমার বয়স যখন বছর বারো, তখন থেকে আমি
মাঝে-মাঝে সেদিকেও হাত বাড়াতে শুরু করি| মা সেটা লক্ষ করে একদিন আমাকে খুব বকুনি দেন| বলেন, ‘তুই ছেলেমানুষ, তুই পড়বি মৌচাক কি রামধনু| তার বদলে তুই প্রবাসী পড়ছিস কেন? ও তো বড়দের কাগজ|’ বলে কাগজখানা আমার হাত থেকে তিনি ছিনিয়ে নেন|
তাজ্জব ব্যাপার এই যে, প্রবাসীতে আমি তখন আর-এক বিখ্যাত বিভূতিভূষণের (ইনি বন্দ্যোপাধ্যায় নন, মুখোপাধ্যায়) বড়ই মজার একটি গল্প পড়ছিলুম| সত্যি বলতে কী, ছোটদের কাগজে যেমন শিবরাম চক্রবর্তী ছিলেন হাসির রাজা, বড়দের কাগজে এই বিভূতিভূষণের হাসির গল্পেরও, এক পরশুরামের গল্প ছাড়া, কোনো তুলনা ছিল না| যেমন বড়রা, তেমন ছোটরাও তাঁর গল্প পড়ে সমান মজা পায়| আসলে মা শুধু কাগজখানাই দেখেছিলেন, কী পড়ছি সেটা দেখেননি| দেখতে পেলে অত বকুনি খেতুম না| অবশ্য এর বছর তিনেক বাদে যখন কলেজে ঢুকি, তখন থেকে আর কোনো-কিছু পড়তেই কোনো বাধা-নিষেধ রইল না| বিদ্যাসাগর-বঙ্কিমচন্দ্র থেকে শুরু করে বিখ্যাত সব বাঙালি লেখকদের কত-কত বই যে পড়েছি তখন| শুধুই গল্প-888sport alternative link নয়, তার সঙ্গে 888sport liveের বই ও 888sport app download apk|
তার মধ্যে যে-তিনটি 888sport alternative link ও দুটি 888sport app download apkগ্রন্থ আমার মনের উপরে একটা চিরস্থায়ী দাগ রেখে যায়, এবারে খুব সংক্ষেপে তার কথা বলব|
888sport alternative link তিনটি হল রবীন্দ্রনাথের গোরা, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পথের পাঁচালি ও তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাঁসুলিবাঁকের উপকথা| গোরা ভাল লেগেছিল একটা ছোট পরিচয় থেকে ধাক্কা খেতে-খেতে তার বৃহৎ একটা পরিচয়ে উত্তীর্ণ হবার কাহিনির জন্য| পথের পাঁচালিতে সেক্ষেত্রে আমার মন কেড়ে নেয় যেমন অপুর ইতো নষ্টস্ততোভ্রষ্টঃ জীবনবৃত্তান্ত, তেমনি তার অস্থিতিজনিত নিরুপায় অস্থির মানসিকতা| আর হাঁসুলিবাঁকের উপকথায় যে কাহিনি বয়ন করেছেন তারাশঙ্কর, উপর-উপর সেটা বীরভূমের গ্রামজীবনের অতি চিত্তাকর্ষক এক উপাখ্যান হলেও, তারই ভিতর দিয়ে যে সূচিত হচ্ছে সামন্তপ্রথার অবসানে ˆবশ্যযুগের অভ্যুদয়, সেটা বুঝতে পেরে আমি চমকে যাই|
888sport app download apkগ্রন্থ দুটি হল রবীন্দ্রনাথের ক্ষণিকা ও জীবনানন্দ দাশের ধূসর পাণ্ডুলিপি| প্রথম পাঠেই বই দুটি আমার চিত্তের দখল নিয়ে নেয়| ক্ষণিকা পড়ে আপ্লুত হয়েছিলুম — না, তার অন্তঃস্থ কাব্যরসের জন্য ততটা নয়, যতটা তার লঘু বাগ&ভঙ্গিমার জন্য| বুঝেছিলুম যে, কত গভীর ভাবনার কথাও কত হালকা সুরে ব্যক্ত করা যায়| আর ধূসর পাণ্ডুুলিপি পড়ে নিশ্চিত বুঝে যাই যে, বাংলা 888sport live footballে যাঁরা তিরিশের কবি বলে আখ্যাত, তাঁদের মধ্যে একমাত্র জীবনানন্দই, রবীন্দ্রনাথের প্রভাব থেকে নিজেকে সম্পূর্ণ সরিয়ে এনে, ˆতরি করে নিতে পেরেছিলেন একেবারে নিজ¯^ এক কাব্যভাষা|
মনে পড়ে যে, ধূসর পান্ডুলিপি সংগ্রহ করেছিলুম আমার সেই সময়কার এক বন্ধুর কাছ থেকে| আর মাত্র একবার পড়েই যে বইখানা তাঁকে ফেরত দিইনি, রাত জেগে আদ্যন্ত পড়েছিলুম
তিন-তিনবার, তাও ভুলিনি| ৎ