মূল : এবাল্ড মুরার
888sport app download apk latest version : কামাল রাহমান
একটা মৃত্যুকূপের সমান ছোট কোনো জায়গায় শুয়ে থাকা একেবারে অসহনীয় হয়ে ওঠে। যদিও-বা এমন হতো যে, আমি একাই রয়েছি ওখানে, সীমিত পরিসরের ওই বাতাসটুকুর ভেতর, তাহলে আরো বেশি কিছু সময় টিকে থাকার আশা অন্তত রাখা যেত। ওখানে ছিলাম আমরা পাঁচজন এবং দরোজাটা, চৌকো একটা বোর্ডের টুকরোকে যদি এ নামে ডাকতে পারে কেউ, একেবারে অাঁটসাঁট করে বন্ধ করে রাখা, তার ওপর আবার বিশাল এক পাথরের চাঁই ফেলে মাটির স্তূপ চাপা দেওয়া। সবচেয়ে খারাপ ছিল যা, টিমটিমে আলোর একটা বাতি, দুজন মানুষের নিশ্বাস নিয়ে ফেলছিল ওটা। আমরা হয়তো জানতামই না যে, পাগলের মতো অক্সিজেন শেষ করে দিচ্ছি
ওটা জ্বালিয়ে রেখে। কেউই নেভাতে চাইনি ওটা, অন্ধকারের ভয়ে এত বেশি ভীত সবাই, ছোট্ট ওই খোপের, যাকে একটা কবরের চেয়ে বেশি কিছু মনে হয় না এখন, নিচু ছাদে জ্বলতে থাকা মিটমিটে আলোয় আমাদের কল্পনা হয়ে উঠেছিল একেবারে সীমিত, অন্য আর কোনো কিছুই মাথার ভেতর ঢোকাতে পারছিলাম না, ভেতরের ওই শূন্যতাটুকু ছাড়া। অস্তিত্ব গিলে ফেলা অন্ধকারের ওই ধারণা এক অসহায় সময়ের বাইরে আমাদের জন্য খুলে দেয় বিচিত্র এক ভূদৃশ্য, যার ভয়ে অস্থির হয়ে রয়েছি আমরা, আমাদের ভয় ওখান থেকে আসা বিপদে। যে-কোনো মুহূর্তে শত্রুরা এসে উপস্থিত হতে পারে, যারা হয়তো এখানেই গুলি করে মারবে আমাদের, অথবা টেনে নিয়ে যাবে গভীর বনের ভেতর দিয়ে, হয়তো ভগবান জানে, কোথায়। চরম নিষ্ঠুরতা দিয়ে যে ও-কাজটি করবে ওরা, তা নিশ্চিত থাকা যায়।
উদ্বিগ্ন হয়ে থাকি ওই সময়টার জন্য, এমনকি শরীরের সামান্য নড়াচড়াও বন্ধ করে দিই। বাতিটার পাশে শুয়ে থাকা কাঁচাপাকা চুলের এক বুড়ো কোনোভাবেই আর সহ্য করতে পারে না এ-অবস্থাটা, উত্তেজিত হয়ে ওঠে সে, বেপরোয়াভাবে হামাগুড়ি দিয়ে এগিয়ে যায় দরোজার দিকে, জলে ডুবে যেতে থাকা একজন মানুষের মতো লাফালাফি শুরু করে সে, একেবারে বিক্ষিপ্তভাবে, হাত দিয়ে আঘাত করে আমার মুখে, ওর পা ছুটে যায় মাস্টার ভেলেবনির মাথায়, আর ডিঙিয়ে যায় মাস্টার ওটোর শরীর, দরোজায় চাপা দেওয়া মাটি ও পাথরের চাঁইটা সরিয়ে ফেলে, এবং বাইরে বেরিয়ে আসে লাফিয়ে। তারপর, লুটিয়ে পড়ে কালো মাটিতে, বসন্তের ভেজা ঘাসের ওপর অনেকক্ষণ লেপ্টে থাকে ওর মুখ।
বুঝতে পারি আমরা যে, যে-মুহূর্ত থেকে লুকিয়ে রয়েছি, এবং যে-মুহূর্তটির জন্য ভয় ছিল আমাদের, তা এসে গেছে। শত্রুর দল এগিয়ে এসেছে আমাদের খুব কাছে। তবু বাইরে বেরিয়ে আসি সবাই, অনেকটা তাড়াহুড়ো করে, বেরিয়ে আসি ওই সমাধি-গহবর থেকে, বলা যায়, নবজন্মা শিশুর মতো, মায়ের গর্ভ থেকে, এবং চিৎকার করি, সূর্যের আলোয় অন্ধ হয়ে যাওয়া চোখ মেলি, ঝুলে থাকা ভ্যাপসা অন্ধকারের অসহ্য অাঁচল ঢেকে রেখেছিল আমাদের চোখের যে পাতাগুলো, তা মিটমিট করি।
এবং ঠিক ওখানেই, নিশ্চিতভাবে, সমতালে এগিয়ে আসে ওরা বনের ভেতর থেকে, ওদের না-কামানো মুখ ও নোংরা ইউনিফর্ম এবং মারণাস্ত্র হাতে নিয়ে। ওরা ওখানে, এবং অসহায়ভাবে ঘাসের ওপর পড়ে রয়েছি আমরা, জায়গাটার অসংলগ্ন, ছেঁড়াখোঁড়া অবস্থার ভেতর। দ্রুত আমাদের সামনে এসে দাঁড়ায় ওরা, সিগারেট ধরায়, এবং ওদের অস্ত্রগুলো সাজিয়ে রাখে পিরামিডের মতো। পাশে বসে আমাদের, ওদের মুখগুলো দেখায় এখন দক্ষ সেবিকার মতো। আমাদের দিকে চেয়ে হাসে, শুশ্রূষা করে আমাদের, এবং সবার নাম লিখে রাখে বরফসাদা কাপড়ের ওপর, নিবন্ধন-888sport free betও টুকে নেয়। গুলি করেনি ওরা আমাদের, কোনো আঘাতও করেনি, বরং সিগারেট ধরিয়ে দিয়েছে আমাদের, লক্ষ রেখেছে, যখন ধোঁয়ার ভেতর ডুবে রয়েছি আমরা। শিথিল শ্রান্তি অনুভব করি, এই পার্থিব উষ্ণ ও তরল দুধের প্রকৃত স্বাদ নিই, শান্তিপূর্ণভাবে, মাতৃস্তন্যের সুবাস ঘুম এনে দেয় আমাদের চোখে।
ঘাসের কোল থেকে আমাদের উঠে আসতে সাহায্য করে ওরা, বনের ভেতর দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার জন্য হাত বাড়িয়ে দেয়। ওদের শক্তিশালী হাতগুলো অনেক নমনীয় ছিল আমাদের জন্য, পথের খানাখন্দ ও বিপদ এড়িয়ে যাওয়ার জন্য সব সময় সাহায্য করছিল ওরা। এটা পরিষ্কার হয়ে যায় যে, শত্রুর হাতে ধরা পড়িনি, বরং পেয়েছি এক আশ্চর্য উদ্ধার। একদল বন্ধু কমরেডের মতো পাশাপাশি হেঁটে যাই আমরা, সত্যি সুখকর ছিল ওটা। বুক ভরে নিতে পারি প্রকৃতির বুনো গন্ধ, পাখির কিচির-মিচির মনে করিয়ে দেয় আমাদের যে, এটা মুক্ত পৃথিবী। সূর্য ছিল প্রখর, বুদ্ধিদীপ্ত, ও প্রশ্রয়-দেওয়া এক পিতার মতো প্রিয়জন।
আমাকে সাহায্য করছে যে-সৈনিকটি, ভালো-স্বভাবের এক শিশুর মতো ওর মুখ। তাকিয়ে দেখি ওকে, অনেকদিন পর দেখা হওয়া কোনো এক বন্ধু যেন। বিষয়টা লক্ষ করে সে, বলে, ‘দেখো মাইকেল, সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। একটা গ্রামে যাচ্ছি আমরা, নিশ্চয় খুব ভালোভাবে যত্ন নেবে ওরা তোমাদের। যথেষ্ট খাবার, পানীয় ও খুব আরাম-দেওয়া বিছানা থাকবে সেখানে – ভাবো তো, সুন্দর পরিপাটি একটা বিছানা, নরম তুলতুলে সাদা কোল-বালিশ, ঘরের ভেতর চমৎকার উষ্ণতা! মাস্টার ভেলেবনি, ওটো, রুপালি চুলের ওই বুড়ো, ও মাস্টার পোলাক, সবাইকে নেওয়া হচ্ছে উদ্ধারকারীদের কাছে, এবং ওরা অপেক্ষা করে আছে আমাদের গ্রামে পৌঁছোনোর।’
সবকিছু এত ভালোভাবে এগিয়ে যায়, আর আমাদের ভরসার জায়গাটা এত বেশি বিশ্বাসযোগ্য যে, বন থেকে আসা আকস্মিক ও অভাবিত গুলিবর্ষণও আমাদের মুখে লেগে থাকা হাসির আভাসটুকু মুছে ফেলতে পারেনি। অথচ ওটা নিঃশেষ করে দিয়েছিল আমাদের উদ্ধারকারীদের। কাটা গাছের মতো আমাদের পায়ের কাছে লুটিয়ে পড়ে ওরা, সত্যিই অবাক হওয়ার মতো এক দুঃস্বপ্ন ধরে রেখেছিল ওরা ওদের চোখেমুখে। বনের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে হত্যাকারীরা, তারস্বরে চিৎকার করতে থাকে, উলস্নাস করে ওদের অস্ত্র উঁচিয়ে। ওই একই ধরনের মারণাস্ত্র, আমাদের সম্ভাব্য বাঁচার যাত্রাটায় সমাপ্তি এনে দিয়েছে যেগুলো। শোকে জমে পাথর হয়ে যাই আমরা। ওরা ওখানে? ঘৃণ্য শত্রুর দলটা, যাদের ভয়ে কবরের ভেতর লুকিয়েছিলাম আমরা!
বন থেকে বেরিয়ে আসে ওরা, ওদের অস্ত্রগুলো সাজায় পিরামিডের মতো। মৃত-দেহগুলো টেনে নেয় রাস্তার ওধারে, তারপর সমাহিত করে। ভয়ে বাকহীন আমরা, হাত ধরে আমাদের সামনে টেনে নেয় ওরা। আকস্মিক একটা মৃত্যু প্রত্যাশিত ছিল আমার। এরই মধ্যে একটা ফুটো অনুভব করতে পারি মাথার পেছনে। আমার হাত ধরে টেনে নিচ্ছিল যে, সে বলে, ‘দেখো, সবকিছু ঠিক হয়ে গেছে আবার, মাইকেল। এখন একটা গ্রামে নিয়ে যাচ্ছি তোমাদের। যথেষ্ট খাবার ও পানীয় দেওয়া হবে সেখানে, সেই সঙ্গে নিরাপদ ঘুম।’ এটা ছিল ভয়ানক। খুব অবাক করা, এসব ঘাতকের দিকে একদৃষ্টে তাকিয়েছিলাম আমরা, ওদের না-কামানো দাড়ি-গোঁফ ও ক্লান্ত অভিব্যক্তি সত্ত্বেও এক নিশ্চিত কঠোরতায় চকচক করছিল ওদের মুখগুলো। আমাদের চোখে ফুটে উঠেছিল ওই মৃত মুখগুলোর 888sport sign up bonus, যাদের সমাধিস্থ করা হয়েছে এই একটু আগে, এবং যারা অদৃশ্য হয়ে গেছে এক বজ্রপাতের মতো, নির্মম এ-রাস্তাটায়।
গ্রামের কাছাকাছি না পৌঁছা পর্যন্ত একরকম টেনে আনা হয়েছে আমাদের। ‘তোমাদের ফিরে পাওয়ার আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলাম।’ পাশের সৈনিকটা বলে, ‘অনেকদিন থেকেই খুঁজছিলাম তোমাদের – বিষয়টা এমন ছিল, যেন মাটি গিলে ফেলেছিল তোমাদের!’ বনের পাখিগুলো পরিচিত গান শুনিয়ে যায় আমাদের কানে। ‘আমার নাম পিটার – ক্যাপ্টেন পিটার কোমার্স।’ নিজেকে পরিচিত করায় সে, মুখে হাসি ফুটিয়ে চোখ টিপে। ‘এখন ঠিকঠিকমতো চলবে সবকিছু – উদ্ধার করা গেছে তোমাদের, শেষ পর্যন্ত!’
ঠিক তখুনি একটা গোলাগুলির স্রোত ভেসে আসে বনের ভেতর থেকে। ইতোমধ্যে আমাদের কানগুলো এসব সংগীতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে, বুঝে ফেলেছে যে, আরো একটা জয়োল��সী কৌতুকধ্বনি এটা। ওই সৈনিকগুলোও তখন রাস্তার ওপর পড়ে থাকে। আমার পায়ের কাছে লুটিয়ে পড়ে ক্যাপ্টেন কোমার্স, চোখেমুখে ওর এক অবাক দৃষ্টি, হাতের মুঠিতে এক ডাঁটি কার্নেশন ফুল তখনো মৃত্যুমুখী খিঁচুনিতে কাঁপছিল। মৃতদের দিকে তাকিয়ে ছিল সে, দুলছিল জাহাজ-ডোবা এক মানুষের মতো, যে-জাহাজের টুকরোটা আঘাত করেছে ওকে, ওটা ছিল এক দুর্ভেদ্য নিরাপত্তা বলয়ে, নিরাপদ এক আশ্রয়। তারপর, বন থেকে বেরিয়ে আসে অন্য ওরা, আবার এখানেই। ‘উদ্ধার করা হয়েছে তোমাদের। গ্রাম, ঘুম, খাবার, পানীয়। তোমাদের খুঁজে বের করতে অনেক সময় লেগেছে আমাদের। কোথায় ছিলে তোমরা? মাটি যেন গিলে ফেলেছিল তোমাদের! আমি সার্জেন্ট টাইটল! পুরোপুরি নিরাপদ এখন তোমরা।’
এবং তখন ওই মানুষগুলোও রাস্তার ওপর পড়ে থাকে। বন থেকে দৌড়ে আসে অন্যেরা। ‘অবশেষে, তোমরা মুক্ত। গ্রামে নিয়ে যাবো আমরা তোমাদের। আমার নাম ইয়ার্কোভস্কি।’
এবং ইয়ার্কোভস্কিও রাস্তার ওপর মৃত হয়ে পড়ে থাকে, ওকে অনুসরণ করে সার্জেন্ট রাতাই, মেজর ক্লিক, করপোরাল হ্যারান্ট, ক্যাপ্টেন ভেলিকি এবং ক্যাপ্টেন ভোলডান। ওরা সকলেই, যারা রক্ষা করেছিল আমাদের, এবং নিয়ে যাচ্ছিল অলৌকিক ওই গ্রামে।
পাগল-করা ওই বন পেছনে ফেলে পাহাড় বেয়ে নিচে নেমে আসি আমরা। গ্রামের বাড়িঘরগুলোর লাল টালির ছাদ দেখতে পাই সামনে। কোবাল্ট নীল রঙের আকাশ, সাদা সাদা মেঘ ভেসে রয়েছে অনেক উঁচুতে। দয়ালু পিতার মতো মহান সূর্য-দেব তখনো আলো ছড়িয়ে যায় ওই আকাশে। গ্রামে ঢুকি আমরা। মুখে হাসি নিয়ে কর্নেল ব্রিকস একটা খামারবাড়ি দেখিয়ে দেয় আমাদের। ‘ওখানে। খাবার দেবে ওরা তোমাদের, স্নান করাবে, এবং সাদা পালকের বিছানা দেবে – আহ্, কী আরাম একটা নরম সাদা তুলতুলে পালক ভরা তোষকের ওপর শোয়া, বিশেষ করে দুর্বল ও ক্লান্ত মানুষদের, কী আশ্চর্য সুখ মায়ের আদর-মাখা একটা উষ্ণ বিছানায়!’
বিশাল এক উদ্বাহু-আমন্ত্রণ জানায় সে আমাদের। খামারবাড়িটিতে ঢুকতে গিয়ে ভয়ে বিমূঢ় ও স্তব্ধ হয়ে যাই সবাই। রঙিন অ্যাপ্রোন-পরা এক সেবিকা দাঁড়িয়ে রয়েছে ঘরের ভেতর, ওর পাশে আরেকজন পরিচারিকা, রঙিন ফিতায় জড়ানো সুন্দর পোশাক পরেছে সে, ওর হাতে সাদা-রুটির একটা ঝুড়ি। শেকলে বাঁধা একটা কুকুর। ওর চোখে সমবেদনা। নিজেও এক বন্দি হিসেবে বুঝতে পেরেছে আমাদের চোখেমুখে ফুটে ওঠা ভাষা, অতি-চেনা এক ঘড়ঘড় শব্দে স্বাগত জানায় সে আমাদের।
ঘরের ভেতর দিয়ে সেবিকাটি সূর্যের আলোয় উজ্জ্বল একটা আঙিনার দিকে নিয়ে যায় আমাদের। কর্নেল তার নোংরা ইউনিফর্মের পকেট থেকে একটা রুমাল বের করে দোলায় আমাদের উদ্দেশে, কোথাও অদৃশ্য হয়ে যায় ফুটফুটে ওই মেয়েটা। সম্ভবত, আমাদের জন্য আরো সাদা রুটি বানাতে।
ছোট্ট দরোজাটা খোলে ওই সেবিকা। আমরা নেমে পড়ি একটা প্রকোষ্ঠে, পাঁচজনের জন্য খুবই ছোট একটা গর্তে। টিমটিমে একটা বাতি জ্বলে ওখানে, দুজনের বাতাস নিঃশেষ করে ফেলছে ওটা। পেছনের দরোজাটা বন্ধ হয়ে যায়। তালার ভেতর চাবি ঢোকার শব্দ শুনি। তারপর, বাইরের ওই সামান্য আলোটুকুও নিঃশেষ করে চাবিটা বেরিয়ে যায়। এবং নীরবতা নেমে আসে। নীরবতা।
[১৯৬৮ সালে সোভিয়েত আগ্রাসনের পর চেক 888sport live footballে এক বিপস্নবী পরিবর্তন নিয়ে আসেন একঝাঁক তরুণ, যাঁদের অনেককে বাধ্য হয়ে দেশত্যাগ করতে হয়। এঁদের অনেকে এখনো লেখালেখিতে সক্রিয় এবং অনেক উঁচুমানের 888sport live football রচনা করে চলেছেন। ইংরেজি ভাষার দাপটে ইউরোপের 888sport app ভাষার 888sport live football কোণঠাসা হয়ে রয়েছে। চেক 888sport live footballিকদের মধ্যে মিলান কুন্ডেরা বা মিরোশস্নাভ হোলুবকে বাংলা ভাষাভাষী পাঠকেরা যতটা জানি, অন্যদের তার কাছাকাছিও নয়। বিশ শতকের শেষ তিন দশকের সতেরোটি চেক ভাষার গল্প নিয়ে ১৯৯৬ সালে একটি ইংরেজি 888sport app download apk latest version সংকলন প্রকাশ করেন আলেকজান্দ্রা বাকলার, মডার্ন চেক রাইটার্স, দিস সাইড অব রিয়ালিটি নামে। চেক ভাষা থেকে ইংরেজিতে অনূদিত এ-বইটি থেকে এবাল্ড মুরারের এ-গল্পটি নেওয়া হয়েছে। এটাও 888sport app download apk latest version করেছেন আলেকজান্দ্রা বাকলার। ১৯৭৮ সালে আলেকজান্দ্রা নিজের দেশ চেক প্রজাতন্ত্র ছেড়ে চলে আসেন গ্রিসে। তারপর অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমান। এখন আছেন স্কটল্যান্ডে।
এবাল্ডের জন্ম প্রাগে, ১৯৬৪ সালে। মূলত কবি তিনি। তাঁর প্রথম 888sport app download apkগ্রন্থ প্রকাশিত হয় ১৯৯২ সালে। তাঁর এ-গল্পটিতে সে-সময়ের রাজনৈতিক ডামাডোলের ভেতর আটকেপড়া সাধারণ মানুষের এক অসহায় চিত্র অাঁকা রয়েছে।]

Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.