আমি এড়াতে পারি না আমার ব্যথিত করোটি

অথবা যে গোলাপ ফুটে উঠছে আমার ভিতরে!

আমি গণনা করবো সপ্তাহ, মাস,

আমার চুলের মধ্যে এক-একটা চিহ্নিত দিনকে প্রসারিত করে।

জমাট হিমতন্তু আমার মগজের ভিতরে,

বিভক্ত ভূমি সবলে আমার পা উঁচু করে রাখে।

পৃথিবী আমাকে যা জানতে বলে

আমি সেই দিকে এগুচ্ছি।

আমি এক দেবদূত বন্দুকের গুলির ভিতর আটকে আছি।

আমি এক বহির্গমন ক্ষত দেবদূতের ভিতর আটকে আছি।

আমি কি কাকতাড়ুয়া মূর্তি – দাঁড়ের মতো মানবচিহ্নের শেষে।

আমি সহিষ্ণু বৃক্ষ রোপণ করবো আমার প্রার্থনার মধ্যে

যে পর্যন্ত না বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড অদৃশ্য হয়ে যায়,

রঙিন সামুদ্রিক মাছকে ঢেউ দিয়ে দুলিয়ে নিয়ে যায় আগ্নেয়গিরির দিকে।

কী শক্তি বন্দুকের নল থেকে গুলি ছুড়ে দেয়?

এর উৎপত্তি-উৎস কি পানি …

ফোঁটা ফোঁটা পড়ছে ক্ষয়িষ্ণু চুনাপাথরের গুহায়,

অথবা এটা কি এক দেবদূতের অবসন্ন শ্বাস যখন সে পালিয়ে যায়।

আমি এইসব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবো না,

কিন্তু আমার মুখোশ বেড়ে লম্বা হচ্ছে প্রতিবছর!