একটি সংবাদ এবং …
শুক্রবার ছুটির দিন, নিয়মমাফিক অলস এবং মন্থরভাবে শুরু হয় গত ১৩ আগস্ট আমার জীবনে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বসে আছি টেবিলে নাশতার অপেক্ষায়। তখন সকাল নটা। বন্ধু ড. মুহাম্মদ সামাদ আমার বাসায় এসে তৎক্ষণাৎ তাঁর সঙ্গে যেতে বললেন। তিনি আমাকে সঙ্গে নিয়ে হুমায়ুন আজাদের বাসায় উপস্থিত হলেন। ফুলার রোডে আমার বাসা থেকে অধ্যাপক আজাদের বাসায় হেঁটে যেতে সময় লাগে দু থেকে তিন মিনিট। ড. সামাদ অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে হেঁটে গেলেন। কোনো কথা হয়েছে বলে মনে পড়ছে না। আমি জানি, আজাদ স্যার কয়েকদিন আগে জার্মানির মিউনিখের উদ্দেশে 888sport app ত্যাগ করেছেন। সর্বশেষ যেদিন তিনি বিভাগে যান, তিনি বলেছিলেন জার্মানি যাচ্ছেন স্কলারশিপ নিয়ে গবেষণা করার জন্য। বাংলা বিভাগের করিডোর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে বলেছিলাম : ‘স্যার, আপনার সঙ্গে কে যাচ্ছে?’ বিভাগের অনেক ছেলেমেয়েও করিডোরে ছিল। স্যারকে দেখে তাদের অনেকটা আবেগাপ্লুত এবং অভিভূত মনে হচ্ছিল। আজাদ স্যার আমাকে বললেন, ‘আমার শরীর যথেষ্ট ভালো। কর্মস্পৃহাও বেড়েছে অনেকটা। কতদিন আর অবরুদ্ধ থাকা যায়।’ আমাদের পাশে তখনো তিনজন পুলিশ হাঁটছেন। স্যারের সঙ্গে কলাভবনের পশ্চিম গেট পর্যন্ত হেঁটে গিয়েছিলাম। আমি শুধু বলেছিলাম, “স্যার, আপনার ‘মৃত্যু থেকে এক সেকেন্ড দূরে’ বইটি লেখার অগ্রগতি কতটুকু?” ‘ও-বই লিখতে আরো প্রস্তুতি ও সময়ের দরকার’ – আজাদ স্যার বললেন। এরপর আরেকবার দেখা হয়েছিল ফুলার রোডে। তার দুদিন পর তিনি জার্মানিতে চলে যান।
আজাদ স্যারের বাসায় সোফায় বিভিন্ন দিকে বসে আছেন জার্মান এম্ব্যাসির কালচারাল অ্যাটাশে গেন রিখ, কর্মকর্তা মুজতবা আহমেদ মুরশেদ এবং 888sport app বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো: আখতারুজ্জামান, সামাজিক 888sport apk অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো: হারুন-অর রশীদ। আমরা যখন পৌঁছলাম, তখনো কুশলবিনিময় হচ্ছে। আলোচনা হচ্ছে গতরাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়া স্যারের ছোটভাইয়ের বর্তমান শারীরিক অবস্থা নিয়ে। দুই মেয়ে দাঁড়িয়ে, ভাবি (স্যারের স্ত্রী) বসে আছেন সোফায়। তাঁদের চোখে-মুখে কৌতূহল, তিনি কেমন আছেন, মিউনিখে তাঁর কাজ কেমন চলছে। তাঁদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে যাই আমিও। ভেবেছি দূতাবাসের লোকজন সৌজন্য সাক্ষাতের জন্যে এসেছেন। হঠাৎ করেই প্রসঙ্গ পালটে যায়। মুজতবা আহমেদ মুরশেদ বলেন, ‘স্যারের তো বোনাস লাইফ, গেলেন জার্মানিতে। কিন্তু…’ বলেই তিনি একটু থমকে থেমে যান। আমার ইন্দ্রিয়গুলো অবশ হতে থাকে। কী শুনতে হবে এরপর? মুখ দিয়েও পুরোপুরি বলতে হয় না দূতাবাস কর্মকর্তাদের। তাঁদের অভিব্যক্তি এবং অবনত ভঙ্গিই চরম নির্মম অনাকাক্সিক্ষত সত্যের ইঙ্গিত দেয়।
পরিবারের কেউ বিশ্বাস করতে পারছে না, হুমায়ুন আজাদ মৃত্যুবরণ করেছেন। এমনকি আমিও না। ৮ তারিখে সুস্থ, মৃত্যুর অন্ধকার নৈঃশব্দ্যের কাছ থেকে ফিরে-আসা, নতুন করে কর্মোদ্যমে জাগ্রত যে-মানুষটিকে তাঁরা বিমানবন্দরে হাসিমুখে বিদায় জানিয়ে এসেছেন, তিনি আজ নেই। ভাবি বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। মেয়েরা চিৎকার করে বলছে, ‘আব্বু মারা যেতে পারেন না, তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।’ ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৪-এর সেই ভয়ংকর 888sport sign up bonusর জগৎ থেকে, জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে কয়েকমাস বসবাসের অভিজ্ঞতা থেকে বেরিয়ে-আসা মানুষগুলো সবচেয়ে প্রিয় মানুষটিকে চিরদিনের জন্যে হারিয়ে ফেলার যন্ত্রণা কিছুতেই বহন করতে পারছিলেন না। এই অপ্রত্যাশিত সত্য মেনে নিতে আমারও বেশ কিছুটা সময় লেগে যায়। আমি ফোন করি, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক আমার শিক্ষক ড. সৈয়দ আকরম হোসেনকে। টের পাচ্ছিলাম, ওপারে মোবাইল হাতে তিনি কাঁপছেন। পত্রিকা-অফিসেও খবর পৌঁছে যায়। একটির পর একটি ফোন আসতে থাকে। সকলেরই এক কথা – সংবাদটি আদৌ সত্য কিনা? অনেকেরই প্রত্যাশা ছিল সংবাদটি মিথ্যা হোক ২৯ ফেব্রুয়ারির মতো। কিন্তু এবার বহুমাত্রিক লেখক, 888sport appsের মুক্তচিন্তার অন্যতম প্রতিভূ হুমায়ুন আজাদের মৃত্যুসংবাদ চরম সত্য হয়ে প্রকাশ পেল জার্মান দূতাবাসের কর্মকর্তাদের মুখ থেকে। যদিও তাঁর মৃতদেহ তখন হয়তো-বা মিউনিখের কোনো হাসপাতালের মর্গে নিথর, নিস্তব্ধ অন্ধকারের মধ্যে নিমজ্জিত।
হুমায়ুন আজাদ এখন শায়িত তাঁর নিজ বাসভূমে, রাঢ়িখালে। বারবার মনে পড়ছে তাঁর নিজগ্রাম রাঢ়িখালকে নিয়ে লেখা তাঁরই একটি 888sport app download apkর শেষ চরণ তিনটি :
যা ছিলো এখন নেই তাই আজ আমার ভেতরে রাড়িখাল।
আমাকে ঘিরেছে আজ কাল আর কুয়াশার রীতি,
না থাকাই সত্য আজ, সত্য শুধু একে একে অনুপস্থিতি।
একজন শিক্ষক, গবেষক ও লেখকের প্রতিকৃতি
হুমায়ুন আজাদ এখন জীবন নামক মোহময় জগৎ থেকে অনেক দূরে। যে-পৃথিবী নামক গ্রহের আলো-হাওয়া-নিসর্গলোক তাঁর অত্যন্ত প্রিয় ছিল, সেই গ্রহে আর কখনো ফিরবেন না তিনি। মাতৃমমতা মাখানো যে-দেশকে ভালোবাসতেন মন-প্রাণ দিয়ে, সেখানেও আর তিনি ফিরবেন না পঞ্চেন্দ্রিয়ের সজাগ অনুভূতি নিয়ে। প্রিয় কর্মস্থল 888sport app বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের করিডোরেও তিনি আর হাঁটবেন না কখনো। ক্লাসকক্ষেও ছাত্রছাত্রীরা দেখবে না তাঁর ব্যতিক্রমি বাচনভঙ্গি এবং পাঠদান-পদ্ধতি। ফেব্রুয়ারির বইমেলায় বাংলা একাডেমীতে তিনি কেবলই 888sport sign up bonus হয়ে থাকবেন। কিন্তু এই পলিমাটির দেশে সবকিছুই যেখানে দ্রুত ঢেকে যায় – যেখানে স্তরীভূত মৃত্তিকার নিচে সত্য ইতিহাসও 888sport app পড়ে গিয়ে জন্ম নিতে চায় অন্য ইতিহাসের পরগাছা – সেখানে হুমায়ুন আজাদের কৃতি, কীর্তি এবং 888sport sign up bonus কতদিন বেঁচে থাকবে জানি না। কিন্তু সময়ের বিচার অন্যরকম। চলমান, নির্মোহ, নিরাসক্ত সময়ই করবে হুমায়ুন আজাদের কৃতি ও কীর্তির প্রকৃত মূল্যায়ন।
দেশে-বিদেশে হুমায়ুন আজাদের পরিচিতি বহুমাত্রিক লেখক হিসেবে। 888sport app download apk, 888sport alternative link, 888sport live, কিশোর888sport live football – প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর সৃষ্টিশীল অবদান অনন্যসাধারণ, ব্যতিক্রমধর্মী। গবেষণা, 888sport app download apk latest version, এমনকি কোনো রাজনৈতিক দলের প্রভাববর্জিত দেশ ও মানবমুখী রাজনীতি-ভাবনাও তাঁকে অনন্যতা দান করেছে। এছাড়াও হুমায়ুনের আরেক পরিচিতি রয়েছে, তার সংবাদ সকলে রাখলেও প্রকৃত স্বরূপ সম্পর্কে সকলের পক্ষে বাস্তব কারণেই কোনো ধারণা রাখা সম্ভব ছিল না।
হুমায়ুন আজাদ 888sport app বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। আমার প্রিয় শিক্ষকদের অন্যতম। প্রত্যেক ভালো শিক্ষকেরই পাঠদানের নিজস্ব একটি পদ্ধতি থাকে। এরকম ভালো শিক্ষক কেবল 888sport app বিশ্ববিদ্যালয় কেন, 888sport appsের 888sport app বিশ্ববিদ্যালয়েও ছিলেন এবং আছেন। হুমায়ুন আজাদের শিক্ষকতার বৈশিষ্ট্য এখানে যে, তিনি প্রচলিত ভালোত্বকেও অতিক্রম করে গিয়েছিলেন। আশির দশকের শুরুতে শেষপর্ব এম.এ শ্রেণিতে শিক্ষক হিসেবে তাঁকে পেয়েছিলাম। তাঁর পাঠদানের বিষয়টিও প্রচলিত অর্থে আকর্ষণীয় ছিল না – ভাষা888sport apk ও ব্যাকরণ। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, 888sport live footballের এই নীরস ক্ষেত্রটিকেও তিনি সৃষ্টিশীল পাঠদানের বিষয়ে পরিণত করেছিলেন।
তাঁর কোনো ছাত্রই বলবেন না, তাঁর কণ্ঠস্বর মাধুর্যমণ্ডিত ছিল। কিছুটা ভাঙা অথচ ঋজু, স্বরান্ত শব্দগুলো প্রলম্বিত হয়ে যাওয়া বিশেষ ধরনের বাচনভঙ্গিই ক্লাসের মধ্যে 888sport app download apkর আবহ সৃষ্টি করে দিত। তিনি পি এইচ ডি করেছিলেন ব্যাকরণশাস্ত্রের একটি অংশ ‘সর্বনাম’-বিষয়ে, লন্ডনের এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ে। গবেষণার বিষয় ছিল চৎড়হড়সরহধষরুধঃরড়হ রহ ইবহমধষর। স্বাভাবিকভাবেই ব্যাকরণশাস্ত্রে তাঁর অধিকার ছিল অসাধারণ। নোয়াম চমস্কির 888sport apkধর্মী সৃষ্টিশীল ব্যাকরণকে তিনি আত্মস্থ করে ব্যাকরণের ধারণার ক্ষেত্রে নতুন নতুন তত্ত্ব ও দৃষ্টিভঙ্গিরও সংযোজন ঘটিয়েছিলেন, যার ফলে পাঠদানকালে ব্যাকরণের সংজ্ঞার্থ-বিশ্লেষণেও তিনি 888sport app download apkর আবহ সৃষ্টি করতেন। অনেককে মন্তব্য করতে শুনেছি, হুমায়ুন আজাদ যদি ভাষা888sport apkের চর্চা প্রলম্বিত করতেন, তাহলে উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ ভাষা888sport apkী হিসেবে চিহ্নিত হতেন। তাঁর রচিত বাঙলা ভাষার শত্রু-মিত্র (১৯৮৩), বাক্যতত্ত্ব (১৯৮৪), তুলনামূলক ও ঐতিহাসিক ভাষা888sport apk (১৯৮৮), দুই খণ্ডে সম্পাদিত সুবৃহৎ বাঙলা ভাষা (১৯৮৪, ১৯৮৫) গ্রন্থগুলো পাঠ করলেই ওই মন্তব্যের যাথার্থ্যরে পরিচয় মিলবে। পরবর্তী সময়ে 888sport live footballের বিভিন্ন ক্ষেত্রেও – যেমন 888sport app download apk, 888sport alternative link – তিনি পাঠদান করেছেন। ছাত্রছাত্রীদের কাছে শুনেছি 888sport live footballপাঠের প্রচলিত মত ও পথ থেকে তিনি বহুদূরে নিয়ে গেছেন তাদেরকে। ১৯৮৫ সাল থেকে আমি তাঁর সহকর্মী। মনে হতো একমাত্র ক্লাসকক্ষ ছাড়া অন্য সব ক্ষেত্রেই তিনি উদাসীন। আত্মমগ্ন এবং নিজের লেখালেখির জগৎ নিয়েই তাঁর সার্বক্ষণিক ব্যস্ততা। কিন্তু যখন তিনি বিভাগীয় চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিলেন, তখন সেই আত্মমগ্ন মানুষটিই সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সুচারুভাবে নিজের কর্মকাল অতিক্রম করলেন। হুমায়ুন আজাদের অসাধারণ বাগ্মিতার কথা আমরা জানি। কিন্তু শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক হিসেবে যাঁরা তাঁকে দেখেছেন, আমৃত্যু তাঁদের চেতনায় জাগ্রত থাকবেন হুমায়ুন আজাদ।
প্রথমদিকে বুদ্ধদেব বসুর কিছুটা ছায়াপাত থাকলেও অচিরেই নিজের মতো একটি গদ্যরীতি সৃষ্টি করেছিলেন হুমায়ুন আজাদ। মৌল স্বভাবে কবি হলেও 888sport app download apk বেশি লেখেননি 888sport live footballের 888sport app শাখায় লেখার তুলনায়। যদিও বেশকিছু সার্থক মর্মস্পর্শী 888sport app download apk তিনি লিখেছেন। কিন্তু এই কবিত্বশক্তির গুণেই 888sport live footballের 888sport app শাখায় এক সৃষ্টিশীল ব্যতিক্রমধর্মী ভাষার জন্ম দিয়েছেন তিনি। রবীন্দ্র 888sport live : রাষ্ট্র ও সমাজচিন্তা (১৯৭৩), কিংবা 888sport promo code (১৯৯২) গ্রন্থের বিশ্লেষণমূলক ভাষারীতির কথা বাদ দিলে তাঁর প্রায় সকল বইয়ের ভাষাই কবিত্বমণ্ডিত ও গতিশীল। উপস্থাপনভঙ্গিও আকর্ষণীয়। সমাজ ও রাজনীতি-বিষয়ে যখন লিখেছেন, তখনো এক মোহনীয় ভাষার জাদুবিষয়ের গভীরে নিয়ে গেছে পাঠককে। 888sport live chatকলার বিমানবিকীকরণ ও 888sport app 888sport live (১৯৮৮), প্রতিক্রিয়াশীলতার দীর্ঘ ছায়ার নিচে (১৯৯২), নিবিড় নীলিমা (১৯৯২), মাতাল তরণী (১৯৯২), নরকে অনন্ত ঋতু (১৯৯২), জলপাই রঙের অন্ধকার (১৯৯৩), পার্বত্য চট্টগ্রাম : সবুজ পাহাড়ের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হিংসার ঝরনাধারা (১৯৯৭), আমরা কি এই বাঙলাদেশ চেয়েছিলাম (২০০৩) প্রভৃতি গ্রন্থে উল্লিখিত মন্তব্যের সত্যতা খুঁজে পাওয়া যাবে।
একজন শিক্ষক, লেখক এবং গবেষক হিসেবে হুমায়ুন আজাদের কলম এখনই চিরকালের জন্য স্তব্ধ হয়ে যাবে, এটি কল্পনাতীত। কিন্তু সেই নির্মম সত্যটিই মেনে নিতে হচ্ছে আমাদের।
এই সুন্দর পৃথিবীতে একসময়ে তিনি থাকবেন না, জানতেন। চিকিৎসাশেষে কিছুটা সুস্থ হয়ে দেশে ফেরার পর বাসায় বসেই আমাকে বলেছিলেন, এই ৫৭ বছর বয়সে মরে যাওয়াটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক হতো, কি বলো? এই কয়েকমাস আগেও তিনি লিখেছেন –
মনে মনে কথা বলি, একা – লতা, পাতা, শুকনো ঘাস, ধুলো, শূন্য, নিরর্থক – মহৎ বা 888sport app download for androidীয় নয়; দেখি সুন্দর, জলছবি, ভুলে
যাওয়া বাল্যস্বপ্নদের মুখ, তাদের বালক স্বর বাজে ঘুমে; কুয়াশায় আজো এক স্বপ্নাহত নিঃসঙ্গ বালক জবার অরুণ দেখে,
জাহাজের বাঁশি শোনে, ঘাসের শিশিরে দেখে টলোমলো সুখ।
বন্ধুরা, এক বৃদ্ধ হৃদরোগী, আমিও তো, অনেকেই মৃত, ব্যর্থ ও
অত্যন্ত সফল, এখনো আমাকে ঘিরে কলকল করে সুন্দর শূন্যতা,
আর জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ়ের ঢল।
888sport sign up bonus, বর্তমান এবং আগামী স্বপ্নের এই মোহময় জগৎ সময় হওয়ার অনেক আগেই যেন পেরিয়ে গেলেন তিনি –
ধু-ধু মাঠ; পার হয়ে যেতে হবে সন্ধ্যার আগেই।
… … …
হয়তো পেরোতে পারবো না, হয়তো হারিয়ে যাবো অন্ধকারে।
তারপর দেখি সন্ধ্যার আগেই পৌঁছে গেছি মাঠের এপারে।
তাঁর 888sport app download apk : কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু
জীবন ও মৃত্যুর রক্তাক্ত সন্ধিক্ষণে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করার পর জীবন নামক মায়াময় চাদরের প্রান্ত ধরে উঠে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। বেঁচে থাকবেন বলে, এই সুন্দর নিসর্গলোক দেখবেন বলে, পড়বেন আর লিখবেন বলে। ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪-এ বাংলা একাডেমীর পূর্বদিকে সবুজের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসা হিংস্র ঘাতকরা ভয়ংকর মারণাস্ত্র নিয়ে যখন তাঁকে নির্মমভাবে আক্রমণ করে, তখন তাঁর হাতে ছিল বেশকিছু বই।
প্রবল জীবনীশক্তি দিয়ে আত্মরক্ষার চেষ্টায় হাতের বইগুলো ঢাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল তখন। আক্রান্ত হওয়ার মুহূর্তে ঝাপসা 888sport sign up bonus রোমন্থন করতে গিয়ে এ-কথাগুলো বলেছিলেন হুমায়ুন আজাদ। এর পরের ঘটনাপ্রবাহ সবার জানা। ব্যক্তি হুমায়ুন আজাদও এখন কেবলই 888sport sign up bonus। যে-অস্তিত্বময় সাহসী সত্তা হুমায়ুন আজাদকে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করেছিল, 888sport appsের পটভূমিতে সেরূপ দৃষ্টান্ত বিরল। ব্যতিক্রমি এবং বিচিত্র সৃষ্টিশীলতার মধ্যেও তাঁর ভেতরে ছিল গভীরতর সংবেদনশীল এক কবিসত্তা। যে-সত্তা একই সঙ্গে জীবন ও মৃত্যুর পরস্পর-অনুভূতি লালন করে। মৃত্যুর সঙ্গে সংগ্রাম করে অবিশ্বাস্যভাবে বেঁচে-ওঠা এবং সুস্থ সতেজ মন নিয়ে জার্মানির মিউনিখ বিশ্ববিদ্যালয়ে কবি হাইনরিখ হাইনের ওপর গবেষণা করতে গিয়ে হুমায়ুন আজাদের আকস্মিক ও দুঃসহ মৃত্যুর পটভূমিতে তাঁর 888sport app download apk পাঠ থেকে জীবন ও মৃত্যুর এই দ্বৈরথই আমার কাছে বড় হয়ে ধরা পড়ে। কবি হিসেবে তাঁর স্বাতন্ত্র্য 888sport app সৃষ্টির প্রাচুর্য ও প্রসারের কারণে পাঠকের কাছে অনেকটাই অধরা রয়ে গেছে। সেই অধরা জগতের গভীর গহনলোকে জীবন উপভোগের বিচিত্র অনুভবের পাশাপাশি অন্ধকার, নৈঃশব্দ্য এবং মৃত্যুর কথাও বারবার ঘুরেফিরে এসেছে।
তাঁর প্রথম 888sport app download apkর বই অলৌকিক ইস্টিমার প্রকাশিত হয় ১৯৭৩ সালে। কৈশোর এবং যৌবনের প্রেমময় সংবেদনশীল অনুভবের পাশাপাশি দেশ, মৃত্তিকা ও মানুষের বহুমুখী চেতনা সেখানে স্থান পেয়েছে। তাঁর ব্যতিক্রমধর্মী জীবনানুভূতির দৃষ্টান্ত হিসেবে একটি 888sport app download apkর আশ্রয় নেওয়া যেতে পারে –
মার্কিন রাশিয়া চীন এরা কেউ বাঙলার শত্রু নয়
ক্যাপিটালিজম মার্ক্সিজম আচকান সরু ট্রাউজার
নৈশরাতে যৌনোৎসব ক্যাবারের ইয়াংকি সংস্কৃতি
পথেঘাটে লোক আর লোককাহিনীর ছড়াছড়ি
কেউ এরা বাঙলার শত্রু নয়, এরা কেউ
সুইচ টিপে বাঙলার উন্নয়ন করে না ব্যাহত
বাঙলার প্রধান শত্রু নিসর্গাবলী
রবীন্দ্র ঠাকুর থেকে রেহানা আখন্দ
সবাই নিসর্গ খায় চোখ বুঁজে
চুলে গুঁজে রাখে পাতা ফুল বড়োবড়ো গাছ
উদ্যান অরণ্য মাঠ শত শত নদী
[ ‘বঙ্গ উন্নয়ন ট্রাস্ট’ ]
এভাবেই হুমায়ুন আজাদ জীবনকে দেখার স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের স্বরূপ উন্মোচন করেন। যে-কোনো সংবেদনশীল মানুষ জীবনকে ভালোবাসে তার অতি নিকটে মৃত্যুর অনিবার্য উপস্থিতি রয়েছে বলে। নিসর্গ ও মানুষকে আঁকড়ে ধরে থাকে গভীর মৃত্যুর খাদকে ভয় পায় বলে। আলোর দিকে মানুষের ক্রমাগত ধাবমানতা এ-কারণে যে, অন্ধকারের শক্তি আলোর চেয়ে অনেক ক্ষেত্রে বহুগুণে বেশি। এই বোধগুলো একজন কবির চেতনাকে অনেক বেশি গভীর ও তরঙ্গিত করে তোলে। হুমায়ুন আজাদের মধ্যে জীবনকে বিচিত্রভাবে দেখার ও উপভোগ করার তীব্রতা ছিল। একফোঁটা শিশিরবিন্দু থেকে শুরু করে নক্ষত্রলোকের জগতে পরি888sport slot gameের ঐকান্তিকতা ছিল তাঁর।
‘হুমায়ুন আজাদ’ নামক আত্মজৈবনিক 888sport app download apkয় তাঁর জীবনকালের 888sport appsের সমাজ-ইতিহাসের পাশাপাশি নিজের ব্যক্তিক ও সমাজ-সত্তার ইতিহাসও উন্মোচিত হয়েছে এবং 888sport app download apkর শেষে তাঁর যৌবনের স্বপ্ন ও অভিলাষ নিজের উত্তরাধিকার এবং আলোর মধ্যে সঞ্চারিত হয়েছে :
আমার সন্তান আজো জন্মেনি। যদি জন্মে
সেকি জন্মেই পাবে স্বাধীনতা? আমার বাবার
স্বাধীনতা ব্যর্থ হয়েছিল আমার জীবনে।
আমার স্বাধীনতা কী রকম হবে আমার সন্তানের জীবনে?
নাকি তাকেও বলতে হবে আমার মতোই কোনোদিন,
‘এতোদিনে স্বাধীন হলাম’।
আমার সন্তান কী চাইবে জানি না। পরবর্তীরা সর্বদাই
অধিক সাহসী, তাদের চাহিদা অধিক।
আমি চাই আমার আলোক সত্য হোক তার মধ্যে
আমি শুধু চাইতে পারি তার মধ্যে সত্য হোক আমার জ্যোৎস্না।
একজন কবির অজস্র স্বপ্ন, প্রত্যাশা, অপ্রাপ্তি ও যন্ত্রণা প্রতি মুহূর্তেই অতীত হয়ে যায় এবং কবির মৃত্যুর পর তাঁর সৃষ্ট
888sport app download apkবলি প্রতিটি শব্দে ফোঁটা ফোঁটা অশ্রুবিন্দুতে রূপ নেয়। তাঁর সৌন্দর্যবোধ, প্রেম, মোহ, ব্যর্থতা, নিঃসঙ্গতা এমনকি প্রবল জীবনাসক্তি সবকিছুই কেবল দৃশ্যময় শব্দরাশির মধ্যে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। এবং কবি যখন প্রেম, নিসর্গ ও সৌন্দর্যলোক থেকে ক্রমাগত মানুষ ও সমাজমুখী হতে থাকেন, রক্তাক্ত স্বদেশের ছিন্নভিন্ন শরীর যখন তাঁকে ক্লান্ত
করে, বিপন্ন করে, বিদীর্ণ করে, তখন 888sport app download apk হয়ে ওঠে ‘কাফনে-মোড়া অশ্রুবিন্দু’ :
একনায়কের কামান মর্টার স্টেনগানে
বধ্যভূমি হয়ে ওঠে দ্বাদশ পঙ্ক্তির
উপান্তে অবস্থিত বিদ্রোহী শহর,
লাল গড়িয়ে গড়িয়ে স্বয়ং রচিত হ’য়ে ওঠে
ত্রয়োদশ-চতুর্দশ-পঞ্চদশ পঙ্ক্তি, এবং
টলমল করতে থাকে সমগ্র 888sport app download apk –
কাফনে-মোড়া এক বিন্দু
অশ্রু!
[ ‘888sport app download apk – কাফনে-মোড়া অশ্রুবিন্দু’, সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে ]
এভাবেই আশির দশক থেকে হুমায়ুন আজাদ সমাজ ও মানবমুখী হতে থাকেন। হয়তো বা তাঁর নিজের ট্র্যাজিক পরিণতির পথও প্রশস্ত হতে থাকে। স্পষ্টভাষী বক্তা, দ্বিধাহীন উচ্চারণ এবং ঋজু স্বভাবধর্মের কারণেই তাঁর 888sport app download apkয় এমনকি সকল রচনার মধ্যে প্রথাদ্রোহী বৈশিষ্ট্য প্রাধান্যলাভ করেছে।
একনায়কের ধাতব ও হিংস্র থাবার নিচে দলিত-মথিত স্বদেশের বিদীর্ণ স্বরূপ তিনি দেখতে পান। কবির মনে হয় তাঁর দিকে উদ্যত ‘একনায়কের পিস্তল বেয়োনেট’। কবির উচ্চারণের মধ্যেও সমাজজীবনের গভীরতর অন্ধকার, ব্যক্তিসত্তা ও স্বাধীনতার ক্ষতবিক্ষত রূপ সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে :
সমাজের কালো কুকুরেরা
চিৎকারে সন্ত্রস্ত করে স্বপ্নলোক, আতঙ্কিত পদ্ম জ্যোৎস্না-ঘেরা
পশু ও মানুষ। অন্ধ রাজধানী ভ’রে রটে প্রচণ্ড উল্লাস
সদর রাস্তায় চাই রক্তমাখা ছিন্নভিন্ন ঘৃণ্যতম লাশ।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তরকাল থেকেই সমাজ ও সভ্যতার যে-বিকলাঙ্গ, অন্ধ, বিকৃত রূপ প্রকাশ পেতে থাকে, বিশ শতকের শেষ দুই দশকে তা আরো ভয়ংকর হয়ে ওঠে। মানুষের গড়া সভ্যতা ধ্বংস করতে থাকে মানুষ। ব্যক্তি ও রাষ্ট্রের স্বাধীনতা পরাশক্তি ও তার বশংবদদের পায়ের আঘাতে পিষ্ট হতে থাকে। অস্ত্রই হয়ে ওঠে সমাজজীবনের নিয়ামক শক্তি :
নিত্যনতুন ছোরা, ভোজালি, বল্লম উদ্ভাবনের নাম এ সভ্যতা।
আমি যে-সভ্যতায় বাস করি
যার বিষ ঢোকে ঢোকে গিলে নীল হয়ে যাচ্ছে
এশিয়া ইউরোপ আফ্রিকা
তার সারকথা হত্যা, পুনরায় হত্যা, আর হত্যা।
[ ‘পৃথিবীতে একটিও বন্দুক থাকবে না’ ]
কবির কাছে সভ্যতা-বিবর্তনের ইতিহাস হয়ে ওঠে ভোজালি ছেড়ে বল্লমে উত্তরণের ইতিহাস, বারুদ উদ্ভাবনের মধ্য দিয়ে আপাদমস্তক আধুনিক হয়ে ওঠার ইতিহাস। কিন্তু কবি স্বপ্ন দেখেন এমন এক সভ্যতার, যেখানে মানবরূপী নেকড়েরা থাকবে না, বন্দুক থাকবে না, শিরস্ত্রাণ, বুট, জলপাই রংয়ের পোশাক থাকবে না। থাকবে আকাশভরা তারা এবং স্বপ্নময় জীবন এবং মানবতা। সৌন্দর্য এবং আনন্দের বন্যা বয়ে যাবে পৃথিবীতে। কিন্তু কবির স্বপ্নের পৃথিবী প্রত্যাশিত রূপের বিপরীত দিকে ধাবিত হতে থাকে। ফলে তাঁকে ক্রমাগত গ্রাস করতে থাকে 888sport sign up bonus, নৈঃসঙ্গ্য এবং ‘মৃত্যুর অদ্ভুত মুখচ্ছবি’। তিনি স্পষ্ট দেখতে পান মানুষ ও সভ্যতার পরিণতি। 888sport live chatকলা আর অসম্ভব সৌন্দর্যের অর্থ মানুষের আবেগ-উৎসাহ, প্রেম, কাম ও কামনা। এই বিবর্ণ-বিদীর্ণ সভ্যতার অনুভূতি থেকেই তাঁর কুঁড়েঘরে শীতকাল নেমে আসে, তাঁর গ্রহ পরিণত হয় বিশাল মরুভূমিতে – যেখানে নেই সবুজ পাতা, সোনালি লতা, শিশিরকণা, ঘাসের রেখা, ফুল অর্থাৎ আনন্দের সকল উপকরণ এবং তিনি রচনা করেন ‘পিতার সমাধিলিপি’ –
এখানে শূন্যতা শুধু সত্য – শূন্যতাই জ্বলে অহরহ
পশুর পায়ের দাগ আর ফুল এইখানে এক অর্থবহ।
তাঁর কাছে প্রিয় মনে হতে থাকে মৃতদের, যাদের তিনি দেখেছেন অথবা দেখেননি। দূরে এবং কাছে সব জায়গায়, একা একা এবং নিজের বুকের ভেতরেও অনুভব করেন মৃতদের কণ্ঠস্বর এবং তাঁর ভেতরে ম্লান মুখে চুপে চুপে মৃতরা কী যেন খুঁজছে বলে তিনি অনুভব করেন। এভাবেই জীবনের গভীর, ব্যাপ্ত, বিশাল অনুভূতির জগৎ থেকে সমাজ, নিসর্গ, মানুষ ও সৌন্দর্যের জগৎ থেকে অন্য এক জগতের অনুভূতি তাঁর চেতনায় ভর করে –
অনেক অভিজ্ঞ আমি, গতকালও ছিলাম বালক –
মূর্খ জ্ঞানশূন্য অনভিজ্ঞ; আজ আমি মৃতদের সমান অভিজ্ঞ।
মহাজাগতিক সমস্ত ভাঙন চুরমার ধ’রে আছি আমি
রক্তে মাংসকোষে, আমি আজ জানি কীভাবে বিলুপ্ত হয়
নক্ষত্রমণ্ডল, কীভাবে তলিয়ে যায় মহাদেশ
অতল জলের তলে। রক্তে আমি দেখেছি প্রলয়, চূড়ান্ত ভাঙন,
ধসে পড়েছে অজেয় পর্বত, সূর্য ছুটে এসে ভেঙে পড়ছে
আমার তরল মাংসে, আগুন জ্বলছে, অন্ধকার ছড়িয়ে পড়ছে,
যেখানে পাখির ডাক নেই, নেই এক ফোঁটা তুচ্ছ শিশির।
অনেক অভিজ্ঞ আমি আজ, মৃতদের সমান অভিজ্ঞ।
[ ‘ভাঙন’, কাফনে-মোড়া অশ্রুবিন্দু ]
জীবন ও 888sport live chatের বিচিত্র অভিজ্ঞতায় ঋদ্ধ হুমায়ুন আজাদ চেতনার গভীরে অন্য এক সত্তাকে লালন করেছেন। দ্রোহ, প্রতিবাদ, প্রথাবিরোধী চিন্তা ও সৃষ্টি তাঁকে খ্যাতির শীর্ষে নিয়ে গেছে। বিতর্কিতও কম ছিলেন না তিনি এদেশে। স্পষ্টভাষণ তাঁর স্বভাবধর্ম ছিল বলেই অকপটে সকল অনুভূতি প্রকাশ করতেন। 888sport live footballের 888sport app শাখায় তাঁর যে-সৃষ্টিশীল ক্ষমতা বিধৃত হয়েছে সেগুলোই তাঁর কবিসত্তাকে অনেকটা আড়ালে নিয়ে গেছে। তিনি যে মৌলস্বভাবের কবি, তাঁর 888sport app download apkর পাঠ থেকেই তা আমরা গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পারি।
জীবন থেকে বহুদূরের অধিবাসী হুমায়ুন আজাদের 888sport app download apkর মৃত্যু, শূন্যতা, নিস্তব্ধতা, অন্ধকারমুখী চরণগুচ্ছই বেশি করে মনে পড়ছে আজ। জীবন ও মৃত্যুর দ্বৈরথ একজন কবির সত্তায় কতটা একাকার হয়ে যায়, হুমায়ুন আজাদের 888sport app download apkয় তার অজস্র প্রমাণ লক্ষ করা যায়। পৃথিবীর সব কবিই বোধহয় জীবনের মায়াময় রূপের মাঝে বসেও অস্তিত্বের গভীরে লালন করেন মৃত্যুমুখ বিচিত্র অনুভূতি এবং নিজেই রচনা করেন নিজের জীবন ও মৃত্যুর এলিজি।


Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.