888sport app download apk

  • উত্তরাধিকার

    পূর্র্বপুরুষদের মতো আমিও নতুনকে দিয়ে যাই কোলাহল-শৈশব, মেঘহীন বুকের মতো অনিন্দ্যসুন্দর নীলিমা, স্নিগ্ধ গুচ্ছ সকাল; একটি বৃন্তে জড়িয়ে থাকা শান্তিময় সময়।  বৈভব সম্পদে অসুখ নিহিত, দেখেছি আমি, মমতার নিখাদ মায়ায় সারাটা সময় হেঁটেছি; আমাকে শান্তি দিয়েছিল দুরন্তপনার যাপন। ঐশ^র্যে ভোগের উৎসব দেখেছি পরতে পরতে যেখানে মানবতা কাঁদে, দ্বিপদী হয়ে যায় অমানুষ! ভূমিহীন আমি, ঘরহীন ঘরে…

  • জন্মান্তর, অঋব

    তো, আমি মরবো ঠিক অপঘাতে – ফুলের স-গোত্র সংঘাতে বুকে এসে বসবে শকুন, পচবে না আমার লাশ, – বাঁচবো আমি সর্বভুক ক্ষুধার্তের পেটে, অথবা আমি বেঁচে রইবো প্রিয়তমা, বি888sport sign up bonus, তোর নীরব আঘাতে আঘাতে তুই আসবি, ডাকবি কেঁদে কেঁদে ‘ও, আউশ সখা কই গেলি-রে?’ আমাকে ঠোঁটে করে নিয়ে যাবে বাবুই, অ-ভুক্ত সেই ধানক্ষেত, নদী তীরে! ধান…

  • এত ভুল

    ভেবেছিলাম, আজ ভবঘুরে হবো কিন্তু ওঁৎ পেতে ছিল আঁধার! আর সাথে ডেকে নিয়েছিল গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিকে। তবে আমাকে আমার পথ চেনে – গন্তব্যের কাছেও আমি নই অচেনা। দেখা হলে পথের দুপাশের দূর্বাঘাস ও বুনোফুলগুলো জানতে চায়, আমি কেমন আছি? ধেয়ে চলা মেঘলা আকাশ থেকে হঠাৎ বৃষ্টি নেমে এলে আমার সেই চেনা পথ বর্ণময় হয়ে ওঠে,…

  • কাঁটা

    অষ্টাদশী পদ্ম নয়, বরং সুঁচালো  কাঁটা হয়ে আছে সংসারের।  তার চক্ষু তুলে তাকানোটা  মৌমাছি বা ভিমরুলের হুল; কারো কাছে নীরব দংশন।   ধরা-ছোঁয়া জিনিসের মাঝে   ওদের বাঁকানো চোখ দেখে  লেগে আছে সর্দি, বর্জ্যের বিশাখা থেকে  নির্গমন হওয়া নাকের দুশমন-জল। একটু নড়াচড়া বা ডাব শীতল বাতাস খাওয়াকে  মনে করা হয়  পায়ের তলায় বা রানের পাশে হয়েছে বিষফোঁড়া। …

  • কৈফিয়ত

    সেই পাকুড়বৃক্ষ জেগে উঠুক। অপেক্ষায় আছি। যে নিজের ছায়া888sport live chat ভাসাতে ভাসাতে শেষবার কেঁদেছিল বংশাইয়ের কোমল জলে। কিংবা হয়তো ঘুমিয়ে পড়া এক ঈগলের গল্প শুনে যাওয়া হঠাৎ মধ্যরাতে যে দুপুর দুপুর বলে চেঁচাতে চেঁচাতে পৌঁছে গেছে অপরূপ মরূদ্যানের দিকে । সত্যিই জেনে গেছি কেউ নই আমি শূন্যতা নিঙড়ানো নৈঃশব্দ্য ঘিরে যে আছে ঘুমের আবহ নিয়ে মাতাল…

  • মৃতঘড়ি

    সূর্য ও কুয়াশার সম্পর্ক আহ্লাদময় সাদা চাদরে 888sport app কুসুমমুখ – প্রসন্ন সকাল চাঁদ এখন কৃষ্ণপক্ষের বাড়ি দিন দিন বাড়ছে রাতের দেহ বৃক্ষকাণ্ড ছোঁয় মৃত্তিকার বুক সে ভুলে গ্যাছে আকাশচুম্বনের গল্প রুগ্ণ  সন্ধ্যায় কজন বাউল গায় শাহ আব্দুল করিমের গান।

  • এইসব নিঃসঙ্গতা

    ‘কোথাও কেউ নেই’ এইসব নিঃসঙ্গতা একদিন কবরের মতো শুয়ে রইলো। একটা শরীর শৈশবের দিকে গেল, একটা শরীর যৌবনের দিকে, সূর্য তার সমস্ত সৌন্দর্য নিয়ে লালটুকটুক মুখ করে ডুবে যেতে যেতে একবার ফিরেও তাকায়নি। সেইসব পথ আগের মতোই। সেই সব নদী। সেই সব গাছ। পাতাদের ঝরে যেতে দেখে সে-কবরটা শুয়েই রইলো। মোড়ে ঘোড়ার গাড়িটি স্থির। এইসব…

  • খেয়াঘাট

    অনেক অনেক কথা বলেছে আমাকে আগে কখনো শুনিনি কোনোদিন। এমনকি কখনো দেখিনি কারো ভেজা চোখ।                  তখুনি ভেবেছি                  যদি ফিরে আসে, কোনো কথা না বলে দেখিয়ে দেবো খেয়াঘাট, খেয়া নিয়ে বসে আছি জোড়াসাঁকোর রবিবাবু করবেন পারাপার।                 যদি ফিরে যেতে নাই চায়                 দুই চোখে জানায় মিনতি                 কি রবো না দোহার পাড়ায়। অন্ধপ্রেমে…

  • পুষ্পপ্রণয়ী চাষা

    সিত-পুষ্পের পাশ-ঘেঁষে পথ চলি দেখি বড়বেশি ম্লান মুখ তার – অবনত মাথা, শরীর দুভাঁজ – এই গ্রহণের দিনে যায় না তাকানো এতটা দুর্গতি তার; ভূমি থেকে জল সরে গেছে বহুদূর কে জানে তা গেছে কি না অসীম সুদূরে, আদরে-সোহাগে তাকে কাছে পাবো           এমন ভরসা উধাও শূন্যে আজ; গ্রহণের দিনে ভয় মানি তাই – ভয়…

  • সন্ধিসময়

    কেন এত জ্বালাও বলো তো? কোথাও তো আর যাই না তেমন  কেবল নূপুরে রিং-টোন বাজলে তবে বেরুই  ওই নাশপাতি বনে বসি ক্ষণকাল।  এ বিষম বয়ঃসন্ধির আগে সেখানেই  পানকৌড়ির রোম আর রোদ লেগে ছিল  ছিল বীজের ব্যাপক আকাক্সক্ষা  স্বাদু বিস্কুটের মতো সেন্ট  আর চা ছিল তরল অভ্যাস। তখন তপ্ত দিনে ঘামে আর কামে মেজাজের মাঠা বানাতাম। বোদলেয়ারের বালা পরে  বিকেলে ও রাতে  ক্লেদ থেকে কুসুম তুলে নিতাম। মধুমাসে ব্যাঙ্কের বালুসাই পাশে থাকলেও একজোড়া কাপে কফি888sport sign up bonus ঢেলে বিট লবণে মাখা ঝালমুড়ি সংবাদ সব নিয়ে পা বিছিয়ে বসতাম। ক্রিসমাসে 888sport app download apkর ফুলক্রিম,  ঈদে বন্ধু ভাসা সেমাই, পুজো এলে সে বাগানের যে কি বিলাস! তখন জলসায় প্রাণমাখা টোস্ট এবং হানুকায়  প্রবাসী প্রিয়দের পাঠানো প্রেসারপিল খেতাম। তখন আসলে ডি-টক্সিংই ছিল অভ্যাস অচেনা ঘণ্টার শেষ ফোঁটা পর্যন্ত ফিল্টারবিহীন সুখটানে  মটকা মেরে পড়ে থাকতাম। এদিকে তুমি তখন পোর্সেলিন পিরিচে  ফুঁ দিয়ে দিয়ে পান করতে আমাকে –  আর আমি নাশপাতির লকার খোলা রেখেই দৌড়ে এসে ঘরে পান করতাম  উইদাউট সুগারে তোমাকে ॥

  • ডাক

    দুয়ারে রোজ যমের শুনি ডাক অনেক নিলি, কমই দিলি তুই কথার মালা গাঁথা এবার থাক মালায় তোকে টগর বেল জুঁই অনেক দেবো, কপালে চন্দন বাড়াবে শোভা, রাজার মতো যাবি অকাজ ছেড়ে কাজের কথা শোন আগুন ছোঁবে হাত-পা মাথা নাভি এখানে ভালোবাসে না কেউ তোকে সবাই নেবে জমানো তোর ধন কাঁদবে যারা লোকদেখানো শোকে বদলাবে দুদিনে…

  • এই নগরে

    এ নগর থেকে একদিন বেরিয়ে যাবো আমি এখানে কেটেছে কত দীর্ঘ কালবেলা আর কত গ্রহণের কাল করবো পার এই ভণ্ডামি নষ্টামির শহরে! আর কত … বহুদিন পর আজ ভিজেছে নগর দূরের পথ অবধি! এমন বৃষ্টি এই ভাদরে! জল ঝাঁপিয়ে পড়ছে পাতার কোলে লাফিয়ে নামছে ফোঁটায় ফোঁটায় এতকিছু – তবু বৃষ্টিশেষে কেন নেমে আসে মৃত্যুর স্তব্ধতা…