888sport app download apk
-
ফিরি বারেবারে লাউ জাংলায়
তামাটে রমণী আমার ঘরণী নদীটার মতো বয় অবিরত ঘাম দিয়ে আঁকে প্রেম লিখে রাখে মাটি ও বালিতে মনের কালিতে ভাঙা নদী বাঁক জোনাকির ঝাঁক হাটুরের ডাক 888sport sign up bonus মউচাক প্রাচীন কাঁকরে নখের আঁচড়ে শরীরের ভাষা মনে যত আশা ঘাসেদের বনে পাখিদের মনে হাট-ফেরা স্বামী …
-
নীল অপরাজিতা
একটা কুমারী ফুল, সদ্য ফুটেছে, কারো নজরে পড়েনি, যেমন কোমল রং, তেমন মৃদু পুরুত্ব, সে কেবল হাসছে, আর তার চারপাশে যা যা আছে, গাছ-পাতা, দূরের সূর্য, বাগানের মালি, প্রজাপতি, সবাইকে ডাকছে, বলছে – দেখো আমি ফুটেছি আমি ফুটেছি, আমাকে একবার ছুঁয়ে দাও; একটা গন্ধগোকূলের ইচ্ছে অপরাজিতা ফুলের সঙ্গে দেখা করবে; ফুল তো কুমারিত্ব হারানোর ভয়ে…
-
প্রজাপতির মৃত্যু
উপত্যকায় দাঁড়িয়ে দেখেছি – প্রজাপতির মৃত্যু ডানা থেকে খসে পড়ে অস্ফুট পৃথিবীর গোপন শব্দ ছাল-বাকল ছাড়ানো পত্র থেকে গড়িয়ে পড়েছে চৌষট্টি কলার শৃঙ্গার মুহূর্ত অপরূপ বৃষ্টি ভেজার পর পুরোধা সেজে উঠি, প্রণয়পুরুষ তর্জনীতে জমে ওঠা নীল মেঘে খেলছে – হরিণীর অশান্ত রমণ প্রজাপতিটা উড়তে চেয়েছিল, অবুঝ খিলানে ততক্ষণে যোনিকুম্ভে দাউ দাউ জ্বলে উঠেছে…
-
মেঘের শোভাযাত্রা
কী বিনিন্দিত বেদনার কারুকাজ ঝুলে আছে দেখো – বাতাসের কার্নিশে আর ধ্বস্ত মেঘের মিনারে – অথচ আমি তো কেবল কুড়াতে চেয়েছি সমবেত বকুলের শোভা, সংগীতজ্ঞ পাখিদের কাকলি আর সামান্য অনুরাগের অস্পষ্ট ইশারা – মোমের আলোতে জ্বলে ওঠা তোমার নম্র মুখের স্নিগ্ধতার মতো – এমন সুতীব্র অসুখের দিনে তোমার উজ্জ্বল অগোছালো 888sport sign up bonus নির্ভুল ওষুধের মতো কাজ…
-
অস্পষ্ট
মধুকর তো ফুলের কাছে আসবেই। মিছে মায়াজালে মায়াডোরে বেঁধে। নতুন কূজনে মনে সাড়া জাগবেই, লহমায় আঁখি কী জানে কেন সে কাঁদে! হরণকারী নিজেকে চেনে না বোঝে না! কল্পলোকের কৃষ্ণকে সে মনে বাঁধে। সিদ্ধপুরুষ কাকে বলে সে জানে না! দণ্ডবিধান তাকে ফেলে মহাফাঁদে। দিশেহারার দিশারী হওয়ার আশায়। কীর্তন সুরে রাধা হলাম সেধে। টিপ্পনী আর বাহুর রঙ্গ…
-
হৃদয়-দুয়ারে ধরো গান
বাড়ালেই ধরে ফেলবে এই মগ্নতায় ঝোলের আলু কেটেছে, চাটনির আমও, অথচ তেল-মশলার টানাটানি কলুর কলও বন্ধ চিন্তামণি নিদ্রাতুর এই মনে জাগে! ধরে ফেলবে এই শুভ বাসনায় রাত্রির গেরো কাটাতে গোপালকে বলেছে শান্ত থাকো, হৃদয় দুয়ার মেলে গান – ধুয়ো দিতে দিতে দেখ, চোখ ভালোবেসে একদিন অন্ধ হবে ঠিক কলুর মালিক আবার জমাবে তেল কলে, বঁটিতে…
-
ইঞ্জিন
কমলাপুর রেলস্টেশনে গিয়ে দেখি ট্রেনের বগিগুলো দাঁড়িয়ে রয়েছে, ইঞ্জিনের কোনো দেখা নেই! কখন আসবে সশব্দে ইঞ্জিন? হুইসেল বাজিয়ে বাজিয়ে – বগিগুলোর সাথে মৈত্রীবন্ধন দৃঢ় হবে, বগিগুলো অসহায় পড়ে থাকবে না – অচল অবস্থা থেকে সচল হবে! কতদিন হলো বগিগুলো প্রত্যাশিত ইঞ্জিনের অপেক্ষায়! বগিগুলোতে ধুলো জমছে ইঞ্জিনের অপেক্ষায় থাকতে থাকতে…
-
মাছ ধরেছি
অথই জলে মাছ ধরেছি চিকন জালে আউল বাউল মাছ ধরেছি এই দ্যাখো না – মলা, ঢেলা, কানকাটা কই রূপচাঁদা আর রঙিন রোহিত দেখতে কি পাও আঁশের ঝিলিক? দিল-দরিয়ায়, রূপ-দরিয়ায় আমি কিছু মাছ ধরেছি জন্মকানা ও নিকারি, কিনবে নাকি?
-
প্রবল নৈঃশব্দ্যের মধ্যে
প্রবল নৈঃশব্দ্যের মধ্যে খুঁটে খুঁটে কিছু পোকা দেখা যায়। দেখা যায় মত্ত হাওয়ার ভেতর গুঁড়ো গুঁড়ো ধূলিকণা উড়ছে। ঝরা পাতার সামান্য শব্দ বিস্ফোরণ হয়ে ওঠে। দৃষ্টি এড়িয়ে যাওয়ার নিমেষগুলো কাছাকাছি আসে। ওই তো শব্দ – কানের ভেতর আগে শুনি নাই ভালোই তো উচ্চারণ কে কথা বলছে! যারা বাকহীন তারা যারা ভাষাহীন বোবা শুনতে পাচ্ছি –…
-
নোটেশন
তোমার নোটেশনগুলো বড় বিপজ্জনক শব্দে-সুরে, রঙে-রসে তার যত স্তুতিই হোক সে কেবল এক সুন্দরের প্রপঞ্চ – ধ্বংসযজ্ঞে আত্মাহুতির প্রণোদনা; তোমার ভ্রুকুটির বিদ্যুচ্চমকে যতবার আমার জগৎ আনন্দে উদ্ভাসিত ততবার আমার মাথায় বাজ পড়ে। বস্তুত তারা বড় প্রোভোকেটিং তোমার ওষ্ঠ, স্তন, ঊরুসন্ধির অতল স্পর্শ আমায় স্বর্গে নেবে এমন নোটেশনে প্রলুব্ধ আমি বারবার খুনোখুনিতে জড়াই – তার পাপে…
-
বাড়ি
সঞ্চয় যা কিছু ছিল সব দিয়ে বানালাম বাড়ি একটা! ফুটপাতে শুয়ে থাকা গৃহহীনেরা প্রতিদিন স্বপ্ন দেখে একটা বাড়ির রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাড়িগুলোর দিকে বিমুগ্ধ তাকিয়ে থাকে ছিন্নমূল শিশুরা। বাড়ি আসলে পছন্দ করে পাখিরাও এমনকী অপরাহ্ণের রোদ! বাড়ি কি আর সবাই বানাতে পারে! সবাই কি থাকতে পারে নির্মিত বাড়িতে সবার? এই যে আমার বাড়ি ঢুকতে…
-
বিদায় বলি হে সুবর্ণ সময়
যতই গুছিয়ে আনি গুছানো তো হয় না কিছুই! কার ইঙ্গিতে সব এলোমেলো হয় দ্রুতলয়ে? ছড়ানো-ছিটানো সব আসবাবে ধুলো জমে একাকার হয় সবাই তাকিয়ে দেখে, হাসে আনন্দে বিভোর হয় দেখি এ কেমন পড়ন্ত বিকেল আমার? এক ফোঁটা রং নেই, ধূসর পশ্চিম আকাশ আকাশের মেঘখণ্ড ম্রিয়মাণ থেকে থেকে উড়ে চলে দূর থেকে দূরে …। আগত সন্ধ্যা নিয়ে…
