888sport app download apk

  • একলা পথে

    চলেই তো গেছে এমন অনেক দিন দীর্ঘ কোনো চন্দ্রিমা রাতের অপেক্ষায় আকুলি-বিকুলি নৈসর্গিক আঙিনায় বিভোর ঘুমকাতুরে আমি দেখা হয়নি সে কোমল সৌন্দর্যের আলো। চলেই তো গেছে এমন অনেক দিন অযুত নিযুত মাইল দূরে দূরে মেঘের ভেতরে মেঘ ভেসে ভেসে চেয়ে থাকি সূর্যাস্তের দিকে পশ্চিমাকাশে পাখির পালকে শরতের কাশবনে হাওয়ায় দুলে কি না শাড়ির আঁচল। চলেই…

  • জীবনপরিধি

    সামাজিক হৃদপিণ্ডের আয়োজনে বাড়িয়ে দেয় অভাব। অথচ আমরা প্রাণান্ত সমীকরণ খুঁজে চলি বারবার স্বপ্নভুক পাখির ডানায়। ভেঙে ফেলি 888sport free betর গুণনীয়ক। স্বপ্নের আয়োজন এসে ভর করে আঁধারের পরিমাপ দেখে। আর এভাবেই সামনে এসে দাঁড়িয়ে থাকে গুণিতকগুলো একমুঠো ভাতের অপেক্ষায় আজন্ম সময়ের সমান্তরালে হেঁটে। মঞ্চের দৃশ্যকল্প থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মানুষ আগুনের জিহ্বায় পা-রেখে ভবিষ্যতের সিঁড়ি ভেঙে চলে…

  • অলিখিত নির্দেশ

    দিন এনে দিন খায় যারা – উঁচুদের উঁচুনিচু দেখার পরেও তারা  থাকবে বোবা, বধির-জন্মান্ধ।  সোনামুখী বীচির সমান উষ্মা প্রকাশও সম্পূর্ণ বারণ।   চোখে-মুখে জ্বালা ধরা কিংবা দৈনন্দিন চাপে মেরুদণ্ড ‘দ’ রূপ হলেও নাসিকা কুঁচকানো, চোখ ঠার, ভেংচি কাটা, আড়ুল তোলা বা মুখ ফুটে কথা বলা  সেই ঘোড়া রোগ, আধা মণ অপরাধ।  বরং যা চাপিয়ে দেবে তা নেবে…

  • নীল-বিদ্রোহ

    নীল হয়ে যাওয়া মুখগুলো এখনো বিষদাঁত নিয়ে বসে আছে হাঁ করে এখানে-ওখানে, কাছে-দূরে, সর্বত্র ওদের সাপের মতো লকলকে জিহ্বা, বাজের মতো তীক্ষè দৃষ্টি, ভ্যাম্পায়ারের মতো উদগ্র বাসনা ওরা সুযোগ পেলেই বসাবে কামড় বাড়িয়ে চলবে নীলমুখের 888sport free bet তারপর সাদা আলোর পৃথিবীকে নীল আলোর পৃথিবী বানিয়ে নাম দেবে তার নীলগ্রহ ভয়ে বিবর্ণ হয়ে যাওয়া মুখগুলো এখনো সময়…

  • বোধ

    কৌশলী বাঁচতে শিখেছি আজকাল গুমঘরে গচ্ছিত রেখে পরমায়ু প্রাণায়ামে নেমে আসি পৃথিবীতে কান্না খাই অনায়াসে হাসির কিংখাবে জড়াই দুঃখ অপমান অবমাননা মোছাই অজুহাতে জানি প্রতারণা এক শূন্যতা আনে তবু জাগি, নতুন মায়াশরীর ঘেরে করুণা ও ক্ষমা মৃতপ্রায় আমি খুঁজি জন্মকোলাহল এভাবেই বাঁচা শিখি আর যে শিখিয়েছে এইসব সে-ই শিখিয়েছে, ‘না’কে না বলতে।

  • যত ভয় যুদ্ধে

    গুমোট বাতাস হাতের তালুতে পুরে – তোমার নাম লিখি শুধু একদিন পালাব বলে – গভীর মনোযোগ তোমার প্রতি আশ্চর্য সব ছবি দেখতে দেখতে ঘুমিয়ে গেলে তুমি কিছু শব্দের বিনিময়পর্ব – ছড়িয়ে দিলাম তোমার দিকে শীতলতা আমাদের মৃত্যুকে 888sport app download for android করিয়ে দেয় – দগ্ধমন। আমিও খুঁজে ফিরি নির্জনতা – এক অন্ধ হোমার আমার পরিচিত জীবনের পথ ধরে…

  • স্বপ্নঝরার দৃশ্য

    নদীর শিয়রে বৃষ্টি খেলে যায় আনমনে পাতায় পাতায় লিখে রাখা সুখশৈশব ওঠে চনমনিয়ে বাঁশের আগায় লকলকিয়ে ওঠা লাউয়ের ডগা আমাকে দেখে হাসে প্রীতির বাঁধন ছড়ায় ঘুঘুডাকে জাগে প্রাণ নদীও নৃত্যের তালে দোলে অকস্মাৎ কে যেন বলে কানে কানে ‘দ্রুত সারো কাজ, সূর্য পা বাড়িয়েছে                      অস্তাচলের দিকে’ ঝটপট দুহাত ভরে কুয়াশা ধরি, আলপথে ফেলে আসা…

  • আরোহ

    ১. ব্যথা জাগিয়ে উড়লো পাখা             নীরবতা, নীরবতা। ২. রাত যখন ওষুধের মতো            তাকে গিলে নিই ঘুমে            যদি ভোর আসে শুশ্রƒষার! ৩. ভুলগুলো হয়ে যায়           বিশুদ্ধ ফুল।                 খামখেয়ালিগুলো                         যেন ভিমরুল! ৪. ম্যাচের কাঠিটির মতো         ফস্ করে উঠলো জ্বলে            দাবানল!            পানি ছিটাও –         কে আছো ভিস্তিওয়ালা?

  • যে দেশটা পুনর্বার আমাদের হলো

    আমরা তো আমাদেরই ছিলাম, আর যেমনটা ছিল সবাই। এই তামাটে মাটিও আমাদেরই ছিল, পুনর্বার আমাদের হওয়ার আগেই। সে গল্প বহু যুগ আগের। সুপুরুষ পিতামহও জানতেন। জানতেন না শুধু মামুলি ভূমি চাষ। শহুরে পিতামহী তাঁর ছায়া ধরে ধরে হাঁটতেন, সেখানেই ছিল তাঁর যাবতীয় চাষবাস। ভূমি চাষ আটকায়নি তাতে। যৌবনের যুদ্ধটা তো চাষেরই। কামান বারুদের ধোঁয়াটে হলকায়…

  • বোধহয়

    (মুনতাসীর মামুন, প্রিয়জনেষু) পাশাপাশি বাতাস। যদিও দুজন দুইটি চেয়ারে একই অফিসে।          তার সময় হলো না ডানে-বামে ফিরে তাকাবার। সারাদিন নিজেকে নিমগ্ন রাখতেন তিনি হিসাব-নিকাশে। সদাগরী অফিসের হিসাব শাখায়।          ভীষণ সুনাম ছিল তার          সদাগরী অফিসের সকল শাখায় যেহেতু তিনি চাননি ফিরে ডানে, বামে কোনোদিন। আশা করি এখন আছেন ভালো।             আমি ডানে বামে…

  • আমার কোনো সাহস নেই

    পিস্তল চালাবো? সেই সাহস ছিলো না, মিছিলে স্লোগান দেবো? কণ্ঠে সুর নেই। জলেভাসা পানা কিংবা তার চেয়ে কিছু কম স্রোতে একা ভাসি, সাহস করি না; কোনো যৌনগন্ধী শব্দ ব্যবহারে আমি আনত লজ্জায় মরে যাই কেন যেন, লোকে খুব মন্দ ভাবে যদি, সেই ভয়ে রতিক্রিয়া, বীর্যধন কিংবা মৈথুনের মতো শব্দ উচ্চারণ করি না সরবে নিজের ভেতরে…

  • সাদৃশ্য

    তখন একটা নৌযান পানি ছেড়ে মেঘে ভাসতে লাগলো মেঘগুলো যেন দেবদূতের খোলা হাত তাদের পাখাগুলো ঝুলে আছে রোদে যেমন কাপড় শুকায় সূর্য ছিল না তখন, যখন ফিরে এলো – মানুষগুলো দেখতে প্রথমে হলো পশু, তারপর প্রেতাত্মা।   যখন বৃষ্টি কবির প্রেমে পড়লো কবি ভুলে গেল তার নাম, মনোভূমির সব নাম,   সে সময় কোনো কিছুর নাম…