888sport app download apk

  • রক্তাক্ত দৃশ্যকাব্য

    ভোকাট্টা ঘু‌ড়ির সা‌থে শকুন উড়ে এসে ব‌সে শহ‌রের উপক‌ণ্ঠে। পৃ‌থিবীর ক্যানভাসজু‌ড়ে আজ ধূর্ত চোখ আর রক্তাক্ত দৃশ্যকাব্য। যারা মৌন হ‌য়ে ব‌সে আছে সু‌দি‌নের আশায় তাদের আশার ওপর চুই‌য়ে পড়ে শকু‌নের আহ্লাদ! অদ্ভুতভা‌বে পাশঘে‌ঁষে ব‌সে চিল ‌যেন ছোঁ মে‌রে নি‌য়ে যা‌বে জগৎসংসার ডো‌মেইন দূরাগত ভা‌লোবাসা উড়তে থা‌কে ঘরময়,‌ হো‌স্টিং এর নি‌চে স্তব্ধ হ‌য়ে আছে বিশ্বা‌সের চাকা!…

  • একটি জারুল গাছ

    নদী যেথায় অথই ধারায় বাহিত স্রোতস্বিনী ছিল ওখান থেকে একটু সামান্য দূরে অদৃশ্য সুতোয় গাঁথা পথরেথা, সোনাঝরা গ্রাম ঝোপঝাড়, গাছপালা কাশবন শিউলি-বকুলের গন্ধ আর শান্ত শীতের সকাল পলাতক বালকের মতো দিগন্তে হারিয়ে গেছে। আর, এ-গাঁয়ের নক্ষত্রসোহাগী রাত অমরাবতীর গল্প শুনে সিঁড়ি ভেঙে ওপরে উঠতে চেয়েছিল … সেও, দ্যাখো, ওই দূর শহরের আইসিসিইউ’র কাচঘরে এথন বন্দিনী।…

  • গ্রীষ্মের সকালে

    গ্রীষ্মের সকালে হঠাৎ পলকে দেখা হয়ে গেল পড়েনি পা যদিও মাটিতে, ছিলে চাকার বাহনে দূরগন্তব্যের আহ্বানে, কেমন কপিশ কন্দরে আর যেন সকালের সারস্বত সম্মিলনে। ধনুকের মতো বাঁকা হয়ে পথ যায় পথের কিনারে; তাড়াতাড়ি ছিপ ফেলে বসে থাকা চলে মগড়ার উজান গাঙে। সোমেশ্বরী বসে আছে প্রতীক্ষার বাষ্পীয় শকটে নদীর ঠিকানা কোনো ডায়েরিতে লেখা নাই।

  • রাধিকাগাছ

    আমি খুব বেশি বেশি লিখতে চেয়েছিলাম অন্তত বাড়ুক ফুলের বাগান দালানকোঠা না-বেড়ে হোক ফুলফল যদি নাও জন্মে ঝুল ঝুল ফলদ রাধিকাগাছ বেড়ে যাক সব কাঁটাবন, ঝোপঝাড় গড়ে উঠুক, শেয়াল জোনাকপোকার নিশ্চিত আবাস আমি হেঁড়ে গলায় এই বেসুরো কণ্ঠে ধরি গান সময়-অসময় এক্ষেত্রে সবার আগে রবিবাবুর সংগীত এমন স্পর্ধা দেখে কবিগুরু যেন রোজ ক্ষিপ্ত হন আমার…

  • সম্ভোগ

    এমন গভীর হয়ে হঠাৎ রোদ হারিয়ে যায় এত চমৎকার মেঘ ভেলা ভাসে আকাশে আগুনে তাতিয়ে জমে ওঠা ঘাম কারো না কারো কাছে তুচ্ছ কিছু অথবা হারাবার কিছু নেই তার আর এমন বাতাবিলেবুর রসালো দেহ-সম্ভোগে। নীল হয়ে ওঠে মুখ বৃষ্টি বাতাস হলে উগড়ানো বমিকম্পিতচোখ, যে সংসারী ঢেউ খেলে মিলিয়ে যায় সেও কোথাও অজানায় মন বেঁধে ডুবে…

  • সলতে

    সলতেটা যে জ্বলছে না আজ বাতাস বড়ই বেয়াড়া একটুখানির জন্যে আমার যাচ্ছে হয়ে হাতছাড়া, এখন তো নয় বৈশাখ বা শ্রাবণ মাসের ঝঞ্ঝাকাল খটখটে এই শুকনো দিনে আগুন জ্বালানোর হয় আকাল? কী আর করা – শাপশাপান্ত করেই না হয় ক্ষান্ত দিই সলতেটাকে কৌটায় ভরে মনটাকে আজ গুছিয়ে নিই, তেলের অভাব ছিল বলেই হয়তো হলো গোল এমন…

  • আমি খুব হারিয়ে গেলাম

    কদম পাতায় ফেলে দেওয়া হলো আগুন রাত যখন সকাল ছুঁইছুঁই দেখা গেল পুড়ছে না কিছুই শুধু হেঁটে আসছেন তারা কদমফুল মুখে নিয়ে আগুনেরা তারা আগুনেরা হেঁটে এসে বলল তোমরা কি জেনেছ হলুদ ফুলের নাম হাজার হাজার মাইল পথ বেয়ে আমরা এলাম পথ বেয়ে চলে গেছি বইয়ের মলাট থেকে শিশিরের জলে শিশিরের জল থেকে শেষ পৃথিবীর…

  • সকালে

    তোমাকে আষাঢ়স্য সকালে একবার কদমফুল উপহার দিয়েছিলাম উৎফুল্ল তুমি অদম্য উৎসাহে বলেছিলে গোলাকার সাদাটে হলুদাভ মৃদুগন্ধফুল বর্ষার আগমনীবার্তা কদমফুল প্রকৃতির অব্যর্থ নিয়মে পৃথিবীর বাগানে আজো কদমফুল ফোটে কিন্তু তোমার চাঁদমুখ এতো আবছা-আবডাল লাগে কেন হায় তাহলে কী আমি অনির্দিষ্টকালের জন্য তোমাকে হারিয়ে ফেলেছি

  • যুদ্ধ জয়

    যদি আমাদের আর কোনোদিন দেখা না হয়।  888sport sign up bonusটিতি পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যেও। জানি তুমি কবি নও। 888sport sign up bonusটিতি এসব কবি    অথবা পাগলের কারবার। চলে যেতে ইচ্ছে করে খুব, যেথায় কোনো বন্ধন নেই। বেশ নির্ভার লাগে। চলে যাওয়ার এটাই উপযুক্ত মৌসুম। এবার তৃপ্তি মিলুক সমর্পণে। মৃত্যু আসুক প্রিয়তম হয়ে। বাসরজাগা প্রিয়ার মতো মৃত্যুকে দু-বাহুতে জড়িয়ে ঘুমাব চিরঘুমে।…

  • বসন্ত সই

    বসন্তকালে আমার ভীষণ নদীর কাছে যেতে ইচ্ছে করে। তারপর ধীরে ধীরে নদীটি চলে আসে আমার ভেতর। সেখানে চই চই ডেকে যায় হাঁসেরা বৃষ্টি পড়ে, কত জন্মের বিষণ্নতা হাঁক দেয় আমি কাঙাল হই শৈশবের শিউলি ফুলকে স্পর্শ করবার জন্য। পায়ে জড়ানো ধুলো, প্রিয় ডাকনাম নদীর ধারে ছোটবেলার গ্রাম। বুড়ো অশ্বত্থ গাছে, ছায়া ঘন হয়ে থাকে ঘুঘুর…

  • বিষণ্ন তিথিগুলো-১

    কুমুদদাদার হাতে মৃদঙ্গ বাজে না আর! মন্দির প্রাঙ্গণে আজ সবুজ ঘাসের সমারোহ সেই দিন চলে গেছে অনন্তের পানে শুধু 888sport sign up bonus লেগে আছে কড়িকাঠে, কুলুঙ্গিতে আর নবরত্ন নামের চূড়ায় – ওখানে ত্রিশূল নেই, পেতলের ঘড়ার সাথে ওসবও মানুষের ভোগে গেছে! মানুষই তো, দুপেয়ে জন্তুগুলি মানুষের নাম নিয়ে পশু হয়ে গেল কেন  – সেই বিচারের দিন আজো…

  • নিয়তি

    দূরে, চরের ওপারে তারার মতো জ¦লছে বিন্দু বিন্দু আলো ঘূর্ণির মতো হাওয়া এসে হাঁ করে গিলে নিচ্ছে বালির আস্তর নদীর স্ফীত ঢেউ পাড়ে ফেলে গেছে এই ছাতিম পাতা যা এখনো সবুজ সতেজ তার শিরা-উপশিরা। উলুখড় চূর্ণিত চোরাবালি অজগরের মতো টেনে নিচ্ছে পা হাতের তালুতে ফুটে উঠছে রাশির নিয়তি ভয়ের জাফরি চিত্রে আঁকা বালিরেখা পথের চিহ্ন…