888sport app download apk

  • ধান মাড়াই কল

    বনেদি বাড়ির মেয়েদের মতো রোদ ওঠে রোজ আমাদের বেড়ার ফাঁক দিয়ে আকাক্সক্ষার দোয়েল হয়ে ছোটে আমরা প্রায়শ ইলিশের বদলে মলা, ঢেলা খাই আমাদের কোনো জাত নেই, ভাত নেই তবুও, বড্ড বেশি সামাজিক থেকে যাই কলের জল যেমন গড়াতে গড়াতে যায় আমাদের জীবনও তেমনি বনেদি বাড়ির মেয়েরা রোদ থেকে বাঁচতে সানস্ক্রিন লাগায় আমরা রোদে পুড়ে পুড়ে…

  • বিভোর দহন

    মোস্তফা তারেক যেন কীর্তনসভায় হরিলুটের বাতাসা – আজো পায় না কেবল একবার জীবন, একবার তারে লুণ্ঠন অবগাহন উজাড় শূন্য থইথই নৈঃশব্দ্য এত যে খরচ আমি পাতায় পাতায় কাঙালপনা হয় না বিদেয়, বেহায়া … কালো কালো হরফে লেখা পথ                    কতদূর বয়ে যায় কতদূর ক্ষত হলে পথে আর মেলে না কাঁটা জেনেছি, কাঁটা বিছানোর মানুষটিকেও বুকে…

  • সাম্যের পদাবলি

    এখানে মেঘের ছায়া কেড়ে নেয় তারাদের জ্বলজ্বলে মুখ নীড়হারা পাখিরাও অবিশ্রান্ত খুঁজে ফেরে সুখের ঠিকানা ধানশূন্য ক্ষেত দেখে হাহাকার করে ওঠে বাবুইর বুক, তথাপি হলুদ চোখে খুঁটে নেয় পড়ে থাকা সবুজাভ দানা। প্রেতের নগর পাড়ি দিয়ে আবারো যাবো স্বপ্নের নগরে অলীক নূপুর পায়ে ক্রমাগত নেচে যাবে পাহাড়ি বালিকা … ধ্যানমগ্ন ঋষি এক চোখে বুঝে গুণে…

  • নীল ঠিকানায়

    (কবি রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহকে নিবেদিত) রুদ্র, তুমি কি শুনতে পাচ্ছো? শেষ দরজায় করাঘাতের আওয়াজ? নিঃশব্দে চলার ধ্বনি? স্তব্ধতা – যেন বজ্রের পূর্বাভাস! 888sport sign up bonusদের নির্বাক চিৎকার! রুদ্র, খসেপড়া তারাগুলো তোমার ঠিকানা জানে? ওরা নিঃসঙ্গতায় ভালো লাগা খুঁজে ফেরে, নাকি দূরত্বের গল্প বলে কাছে থাকার মিথ্যে অভিলাষ জাগায়! আচ্ছা, তুমি কি জানো? কাগজেরা মেঘেদের মতো সাদা কেন?…

  • ভাষাতত্ত্ব ৫

    ভাষার সড়কে মুখোমুখি ‘শব্দ ও ধ্বনি’ বাক্যের ট্রাক এসে করলো রক্তাক্ত, খুনি! কেউ-বা খোঁড়ে বর্ণের কবর কেউ ব্যথা ও শোকের ঘর তবুও প্রেম – কথা ও ভাবের মালবাহী ট্রাক রূপতত্ত্বের ক্লাসে জাতীয় পাখি দোয়েলের ডাক কিংবা ভাষার সড়কে মুখোমুখি ‘ভবিষ্যৎ ও অতীত’ মাংসের নিরিখে পাখি, বাণিজ্যের নিরিখে সুরেলা সংগীত  তারপরও জীবনের টান, ব্যথিত কিছু অক্ষর…

  • আগামী বছরের পাথর

    আগামী বছর সারাবছর প্রতিটি পাথরে ফুল ফুটবে। আমাদের কান্নাকাটি আর দুর্ভিক্ষের 888sport sign up bonusগুলো জমা থাকবে যে-সমস্ত পাথরে তারা স্বপ্ন দেখবে – বুক চিতিয়ে আসবে এক বনমোরগ মাথায় মায়ের জন্য একটি সূর্য। আগামী বছর ঘুমঘোরে কথা বলবো সেই সমস্ত পাথরের সাথে যারা লোভ দেখায় মুঠো মুঠো ঘুমের অথচ যাদের নিজের রয়েছে অনিদ্রার অহংকার

  • অসাধ্য

    প্রসন্ন রাত্রির বুকে ঘুমায় প্রকৃতি আমার চোখের ঘুম হয়েছে বিলীন সাধের বাসরঘরে নির্দয় মনসা শরীর বিষাক্ত করে মরণছোবলে হারাই পাওনা যত বিধির বিধান অলীক স্বপন সুখ সয় না কপালে আঘাতে আঘাতে ভাঙে সকল প্রত্যাশা রুপালি প্রভাত যার বিফল কামনা। ধারণ করেছি বুকে সাধের মিনার মায়াবী চাঁদের ছায়া সাধ্য কি ছোঁয়ার

  • উত্তাপহীন নীল ছায়া

    উত্তাপহীন নীল ছায়া

    আমরা তিনজন বসেছিলাম সাততলার ওপর। চমৎকার রেস্তোরাঁ। চারপাশে নীল কাচের ভেতর দিয়ে বাইরের তপ্ত রোদকে মনে হচ্ছিল অপস্রিয়মাণ কিংবা উত্তাপহীন নিমগ্ন নীল ছায়ার মতো। আমাদের তিনজনের অনুভূতি যথেষ্ট ঝরঝরে। তিনজনের ভেতরেই চলছিল একধরনের মনস্তাত্ত্বিক খেলা। বিশেষ করে আজকের যিনি নবাগতা, তাঁকে ঘিরেই আমাদের দুই বন্ধুর বিপরীতধর্মী রহস্যজনক চাঞ্চল্য। বন্ধুটিই ওর কথা বলে প্রলুব্ধ করেছে এখানে…

  • অশুভ আনন তব

    অশুভ আনন তব বারবার ভেসে ওঠে পটে চেয়ে দেখি, ধু-ধু বালিরাশি মৃত সরীসৃপগুলি ছড়ানো চারদিকে যত অণু, যত পরমাণু এই শরীর গড়েছে, এই প্রকৃতি গড়েছে তাহাদের অন্তরে আজ শঙ্কা জেগে ওঠে তাদেরও কি মন আছে আমাদের মনের মতন? ছায়া পড়ে, কেঁপে কেঁপে ওঠে, ভেঙে যায় ওরা কি বিদ্রোহ করে? অশুভ আনন দ্যাখে? চারদিকে ঘন ঘোর…

  • ফ্যানের রেগুলেটর

    শুয়ে পড়ে ঘুমাও! কিন্তু ভুললে চলবে না – ফ্যান চলছে                       মাথার ওপর! ফ্যান কত জোরে ঘুরছে তার স্পিডটা জেনে রাখো। তোমার কি গরম লাগছে? তাহলে স্পিড বাড়াও,       হাত দাও – ফ্যানের রেগুলেটরে! তোমার কি ঠান্ডা লাগছে? তাহলে স্পিড কমাও,       হাত দাও – ফ্যানের রেগুলেটরে! ঠান্ডার মধ্যে যদি বেশি স্পিডে ফ্যান চলতেই থাকে…

  • অসমাপ্ত 888sport app download apkর পাপ

    বুদ্ধি ও মেধার পাপ হাসিমুখে ছড়ায় বকুল গঙ্গা ও পদ্মার জলে ভেসে যায় ধর্মের বিধান পড়ে থাকে হিমঘরে অনুচ্চার স্বপ্নমাখা ভুল মায়াবী  মুকুট আর নষ্টচাঁদে বড়ো পিছুটান অলৌকিক ঘোড়াগুলো পড়ে আছে নীল আস্তাবলে চরকাবুড়ির ঠোঁটে জমা আছে সব অভিমান সোহাগী কুসুমে রাখা তোমাদের চতুর কৌশলে বীজের বিস্তারে যদি বাসা বাঁধে বিষধর সাপ বিকল্প জীবন বলো…

  • যামিনী

    যামিনী! যামিনী!  এবড়োখেবড়ো দীর্ঘ পথ হেঁটে এসেছি হাতছানি দিয়েছে হালা বট কুঁড়েমির ছায়ালাগা কুঁড়েঘর!  আমি কিন্তু কোথাও থামিনি  দ্যাখো, আমিও তো কিছু দিয়েছি তোমাদের ছোট একটা পেয়ালা উবুড় করে রূপ ঢেলে দিয়েছি পোড়াগঙ্গার জলে রং মাখিয়ে দিয়েছি জনপদের কোলাহলে                                        পাতায় পাতায়!   এখন টেপা পুতুলের স্তূপের কাছে…