888sport app download apk
-
এখনো ভালোবাসা
সুই আঁকা লাল আর সুতো খোলা ততো কালো ছবিটিতে আর কিছু নেই যা ফুটতে পারে যতোই কেন রঙের মধ্যে হাঁটা ভালো জানতেন মুর্তজা বশীর আত্মহত্যা কী জাপানি ছাতার বাঁট চট্টগ্রামের পাহাড় কিন্তু ওষ্ঠ জানে ভালো তুলির মাথায় বর্ষা এলে জোর এলোমেলো মনোহর কাছের একটা নকশা চোখে পড়ে দূর অতীতে কোন 888sport app download apkর ছলে পাখি এবং আয়না…
-
নেই
কথা বলা দূরে থাক দেখাই হলো না। আমাকে দেখলে মুখ ফিরিয়ে নিতো কি না জানি না, দেখা হলে বলতাম, আর যেন কোথাও দেখা না হয় আমাদের। দেখাই যখন হলো না, তখন বলাও হলো না তাকে। পোড়া চোখ নিয়ে প্রতীক্ষায় আছি অপেক্ষায় নেই।
-
স্বাধীনতা
স্বাধীন তুমি স্বাধীন আমি পরাধীন কে হে বল, পরাধীন কে হে বল, পরাধীন কে হে বল, অন্যকে যে করেছে অধীন ধরতে তাকেই চল, ধরতে তাকেই চল, ধরতে তাকেই চল। জননী-ধরণি স্বয়ংজন্ম, স্বয়ং জন্ম-স্বাধীন স্বয়ং জন্ম-স্বাধীন স্বয়ং জন্ম-স্বাধীন, ধরণিকে যে অধীন করেছে, কে সে অজেয় বীর কে সে অজেয় বীর কে সে অজেয় বীর? বাঘ বলো…
-
বাবার গল্প
আমার বাবা নেই। চলে গেছেন। এক সময় তিনি কলকাতায় থাকতেন। পড়াশুনা করতেন ইসলামিয়া কলেজে। সাদা ফিনফিনে ধুতি পরতেন বাবা। আর বিকেলের দিকে হেঁটে হেঁটে গঙ্গার ধারে যেতেন। মানুষের স্নান দেখতেন – পুণ্যপ্রার্থী মানুষের পাপ কীভাবে ধুয়ে দিতে পারে গঙ্গার ঘোলা জল সেই দৃশ্য দেখতেন অপার বিস্ময়ে! কখনো কখনো জ্যোৎস্নামুখর রাতে গড়ের মাঠে বন্ধুদের সাথে শুয়ে…
-
সময়ের কাছ থেকে
পালাতে পালাতে শেষে এইখানে বনের কিনারে – কালচে সবুজের ফাঁকে শেষ বিকেলের অদ্ভুত আলো এসে ঢুকে পড়ছে তোমার চোখে এই আলো সত্যি অপার্থিব – যেন তা কল্পনার স্বর্গ থেকে নেমে আসছে ধরাধামে, তবে বর্তমান বড়ো শত্রু ভয়ানক – বনের ছায়া-ছায়া অচেনা আলো-আঁধারি চমক নৃশংসতা ভয় আতঙ্ক ধূসর-বিস্ময় – সব মিলেমিশে এক অদ্ভুত আলাদা চরিত্রই যেন…
-
বেহুলা বাংলা – সনেট ১
বাল্যে গড়ে মাটির পুতুল খেলেছি তোমায় নিয়ে দুরন্ত কৈশোরে মুছেছি ঘাম তোমার আঁচল দিয়ে যৌবনে কাঁধে রাইফেল ঘুরেছি নদীর পারে পথে-প্রান্তরে ছুঁড়েছি গ্রেনেড তোমার জন্যে শত্রুর বাঙ্কারে প্রৌঢ়ে স্বজন নিয়ে গড়েছি পুতুলের সংসার বৃদ্ধে তুমি হয়েছ বেহুলা আরো আপন আমার তোমাকে ছাড়া আর তো কোনো স্বপ্ন দেখিনি তোমাতেই পেয়েছি খুঁজে স্বরূপ বিশ্বজননী; যখন ওরা বলেছে…
-
বেহুলা বাংলা – সনেট ২
নদী বলে স্বচ্ছতোয়া জল দিই তোমায় জলের আরেক নাম জীবন মধুময় বৃক্ষ বলে ছায়া দিই চৈত্রের নিদাঘ দুপুর আকাশ বলে বর্ষা দিই সাজাই তারার নূপুর বায়ু বলে মৃদুমন্দ বহি তোমার ঘর সূর্য বলে আলোয় ভরাই জগৎ চরাচর চাঁদ বলে দিই তোমায় অপরূপ স্বপ্ন মায়াজাল তারারা বলে সঙ্গী তোমার আলোকবর্ষকাল; কেবল বেহুলা বলে না কিছু নীরবে …
-
ঠোকর
একটা সাপ মানুষকে একটার পর একটা ঠোকর দেয় – একসাথে দশটি ঠোকর দিতে পারে না! একটা মানুষ একটা মানুষকে দশ থেকে একশটা ঠোকর একসাথে দিতে পারে! সে-কারণে সে সাপের চেয়েও ভয়ংকর সে গাণিতিক ও জ্যামিতিক জ্ঞান রাখে, সাপ শুধু যোগ-বিয়োগ জানে! সাপের লেজে পাড়া দিলে – সাপ কামড়ায়! মানুষ মানুষের হাতে হাত…
-
করতলে রঙিন ঝিনুক
রুগ্ণ রাতের দুঃস্বপ্ন থেকে পরিত্রাণ চেয়েছি শুধু গিয়েছি স্বপ্নের কাছে – দুঃখময় পরি888sport slot game শেষে যেমন যায় মেঘ দিনের পরিক্রমায় রাত্রিকে ছাড়িয়ে; আত্মতুষ্ট ছিলাম না কখনো – দুঃখময় দিনপঞ্জি মেলে দেখি খুলে দেখি জীবনের খেরোখাতা – মেলাই গুণ-ভাগ আমার আক্ষেপগুলো তুলে রাখি জীবনের গোপন পকেটে, যতদিন বেঁচে আছি – ছায়াময় দিনে চোখ বেঁধে খেলে যাই কানামাছি…
-
কতদূর ইথাকা
অনেকদূর হেঁটে এসে পেছনে তাকালে আর বাড়ি দেখা যায় না দৃষ্টির সূর্যপথ উঠে যায় মেঘবৃক্ষে পেছনে কার বাড়ি চণ্ডীদাসের নাকি কাহ্নপার জ্ঞানদাস একবার বিদ্যাপতির নিমন্ত্রণে এসে পথ হারিয়ে বহুদিন আলাউলের অতিথি ছিলেন আর কালিদাসের আমন্ত্রণ সত্ত্বেও যেতে পারেননি মোহাম্মাদ সগীর সবকিছু অচেনা অপরিচিত গাছের দেহ সবুজ পাতারা কালো নদীর পানি হলুদ পাখির ডানা নীল আর…
-
নষ্ট শীতকাল…
দীর্ঘ সমতলের এই বনদেশ, কুয়াশায় সুস্নাত থেকেছে এতকাল – মুক্ত শিশির ঝরেছে, স্বপ্নসাধের পাখিদের দেশে, অজানা বিপুল – প্রবীণ বৃক্ষের ছায়া একাকী রেখেছে ঘিরে, ঘন আর্দ্র ভূমি … এখানে নৈঃশব্দ্যের বেলায় নেই আজ কোথাও চেনা যাপনের ভুল। ছিন্নমূল মানুষের সঠিক ঠিকানা থাকে না এখানে কখনো – আমি নই সমগোত্রীয় কেউ, দেহাতের এই সকরুণ ছায়ায় –…
-
এই রাত
এই রাত পড়ে যাবে, তোমার কিছুই থাকবে না মনে ! উঁচুনিচু পাহাড়-পর্বত, অন্ধকারের ঢাকনা খোলা গিরিখাত স্পষ্ট হবে না কিছুই, প্রত্যুষের আলোর অভাবে। যারা ছিল হামাগুড়ি দিয়ে, ফিরে পেতে আলোর উৎসব তাদের কপালে পরাজয়ের চিহ্ন দেখা যায়! এই রাত ঘাম ঝরায় খামোখা, দূরে নেই কোনো বাতিঘর।
