888sport app download apk
-
সারগাম
বৃষ্টির সুরেলা শব্দে আমার উঠোনে ঝরে পড়ে সান্ধ্য স্বরলিপি! যশরাজ সুরে সুরে বৃষ্টি পড়ে হিম জানালায়! ছড়ানো সুরের ঘোরে দূর কেয়াবনে বেজে ওঠে নিঝুম সানাই। তোমার শাড়ির ভাঁজে বৃষ্টি ঝরে জলের মাদল হয়ে। বিজলির বিভোর প্রভায় তোমার মুখের রেখা ফুটে ওঠে সান্দ্র তারানায়! শব্দের শরীর জুড়ে বৃষ্টি ঝরে – এ-সন্ধ্যায়। ঝরে ভেজা অক্ষরের মাঝে, ধোঁয়াওঠা…
-
মাকে 888sport app download apk পড়ে শুনিয়েছি
বারো বছর পরে বাড়িতে এসেছি মায়ের বিছানাতে শুয়েছি, মনে পড়ে এরকম সময়ে ঘর-গেরস্থালির কাজের ফাঁকে মা গল্প বলতেন, বই পড়ে শোনাতেন, কখনো বা আপনমনে গুনগুনিয়ে গান করতেন মধ্যরাতে মাকে নিয়ে লেখা 888sport app download apk পড়লাম জোরে জোরে, যদি মা শোনেন ৮ মার্চ, শহীদ মিনারের পাদদেশে 888sport app download apk পড়লাম কতজন শুনলেন, হাততালি দিলেন, তাতে কী? মা তো শোনেননি আমার…
-
অন্ধচেতন ও মানুষ
যে তুমি অন্ধচেতন মায়াবী চাদরে যাবতীয় মনন ও মেধা আপাদমস্তক ঘিরে রাখো, আমি তার বাদ সাধি। জানি আমি, তোমার শৈত্যের চেয়ে বড় কোনো থাবা নেই মানবসংসারে দৃশ্যত তোমার চেয়ে উঁচু আর কোনো চূড়াও নেই বোবাভূমিতে তোমার বরফে তৈরি যে হিমশীতল পর্বত আমি তার কঠিন গাত্রে দিনরাত কুঠার চালাই পা রাখার খাঁজ তৈরি করে উঠে যেতে…
-
বোধে
রোদে ছিল; বোধে ছিল না বাঁধলাম তাকে নিষিক্ত-প্রণয়ে সাধলাম সেই সাথে সুর আধা পাকাপাকি বাকি বিজলি বাতির কিনারায় নিয়ে দেখি, দেখা যায় কিনা? বোধে বাঁধি রাধিকারানি; কী জানি, কী চান্স, চলে চালাচালি হয়, পরিণয় নয়, পিঁপড়ার গুড় জমে বাড়িতে গদিতে, হিস্যা দুই আনা চার আনা ফিসফাস, কানাঘুষা, উপরি-ওপর হয়!
-
জোনাকি-গ্রামের আটচালা
বর্ষা টইটম্বুর জোনাকি-গ্রামে গোছায় গোছায় খলবল ডিঙি নৌকা করে টলমল। ধানে আর চালে ওজন কতটা খুঁটে আনতে দিনের আহার কী যন্ত্রণা, জানে, দাওয়ার পাশের পেঁপে গাছ। ঋতুকাল পার হয়, ফলেফুলে পদ্মাবতী গেহ আলো পায় সন্ধ্যার তুলসীতলা আবারো আষাঢ় নামে, গহন জীবন, জোনাকি-গ্রামের পাশে নব পাঠশালা। ইছামতী জল দেয়, রবি ক্ষেতে ছোলা ও বাতাসা ওই বুঝি…
-
আমার এ পথচলাতেই আনন্দ
ভোরের উঠোন ঝাড়– দিতে দিতে আমি তোমাকে দেখি …. সদ্য শিউলি ঝরা উঠোনের নিজস্ব গন্ধ নিতে নিতে আমি তোমাকে দেখি সবুজ শাড়ি পরিহিতা ভোরের মাধবী আলোয় স্মিত মুখে আলোর ঝরনা পরে কি উজ্জ্বল তুমি! সারা উঠোন জুড়ে পায়ের আনন্দে শ্যামল শোভা; কোথাও যাব না আমি, ক্ষণস্থায়ী এ দৃশ্যের জন্ম দিয়েছে যে মুহূর্তের আবেগ আমি তাকে…
-
পছন্দের কেউ নেই
ওখানে লোকের জমায়েত বেড়ে যাচ্ছে ওখানে ও-মাঠে এত লোক! ওখানে আমার পছন্দের কেউ নেই সেখানে আমিও যাইনি! আমাদের চেনা অনেকে সেখানে – তারা কখনো আমার পছন্দের নয়, তারা কখনো ভোরের বেলায় হাঁটার লোক নয় দু-পায়ে শিশির ভিজিয়ে হাঁটবে তেমন লোকও নেই! এমন কি একটা গাভীকে রাস্তা পার করে নিয়ে ঘাসমাঠে ছেড়ে দেবে, তেমন কারো ইচ্ছে…
-
বরফ গলে গলে জল
প্রতিসরণে তীর্যক হয়ে আছে ডিসেম্বরের রোদ ন্যাড়া শাখায় বসে আছে পালকহীন পাখিরা শীত নেমেছে দৈত্যের মতো লজ্জাবতী লতার ধরনে গুটিয়ে আছে দিন পরগাছা গাছগুলোতেও শেকড় চারিয়ে গেছে হাওয়া থেকে জলে এবং মাটিতে বরফ গলে গলে জল। ঠান্ডা ও নিস্পৃহ । পানি ভেঙে অমøজান, হাইড্রোজেন উদ্বাহু জ্বলে প্রতিবেশ, অরন্তুদ ঘরদোর, গৃহ ।
-
জিয়নকাঠি
কোথায় সেই রাজকুমার পঙ্খিরাজ ঘোড়া, সাত সাগর পেরিয়ে যায় তীব্র ক্ষুর জোড়া। বন-বনানী তেপান্তর আসছে ওই ঘোড়সওয়ার। কাঁপছে দূর পাষাণপুর, বছর যায় যুগান্তর; ছুটছে তবু ঘোড়সওয়ার। গভীর বন রাত্রি হয়, অন্ধকার কি নির্দয়। রাক্ষসের তীক্ষè নখ; তীব্র হয়-দাঁতের ধার, পাতায় পাতায় অন্ধকার, লুকোতে চায় রাজকুমার। বনের গাছ-পক্ষ নেয় – বুক চিরে তার জায়গা দেয়। হাঁউ…
-
সম্পর্ক
জানি কাউকেই ছাড়তে পারছো না দ্বিধা আর দ্বন্দ্বের মাঝে টুকরো টুকরো কাচ পড়ে আছে … ভাঙা ভাঙা সম্পর্কের স্পর্শে রক্তাক্ত হয়ে ওঠে ভোর … আরো একটা দিন শুরু হয়!
-
ভাষা ও বর্ণমালার সীমা
যদি জন্ম নিতাম দুর্গম পাহাড়ের কোনো আদিবাসী দম্পতির ঘরে তোমাদের খুব পাশ দিয়ে যেতে-যেতে নিজের ভাষায় পার্শ্ববর্তীজনকে দিনের ও রাতের রহস্য মোড়ানো কথাগুলো বলতাম অন্য ভাষায় যারা কথা বলে বাজারের জটলায় ওখানে একাকী বসে থাকতাম ওসব ভাষায় কী নিবিষ্ট ধ্যান আকাক্সক্ষা ও শ্রমের মর্যাদা আছে ভালোবাসার মরমি আবেদন আছে। কড়া জর্দায় পানের খিলি চিবুতে-চিবুতে আমি…
-
গভীর রাতের স্বপ্নকাব্য
নিঝুম এ-রাতে ঘুম ঘুম চোখে কে যে একা গান গায় – গভীর রাতের স্বপ্নকাব্য দুহাত বাড়িয়ে ডাকে। বকুল-শেফালি মানুষের মতো মানুষের স্বরে কাঁদে – আদি রূপকথা জমে আছে তারা হিজলতলির বাঁকে। কপিলাবস্তু নগরীর কথা বারবার মনে পড়ে – রাজার কুমার সিদ্ধার্থ 888sport sign up bonus হয়ে যায় ঝরে; উপলব্ধির নয়া ইতিহাস বারবার মনে পড়ে। এ জীবন জানি পদ্মপাতার…
