888sport app download apk
-
প্রতিধ্বনি
(শতবর্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের 888sport sign up bonusতে) তোমার বাড়িটা দেখে এলাম ধানমন্ডিতে, কত নিরাপত্তা জলের বোতলটাও নিতে দিলো না, ক্যামেরা মোবাইল জমা রেখে, ছবি তুলে ফটক পেরোতে গুমরে উঠল ভেতরটা জাদুঘরে ইতিহাস ছড়ানো রয়েছে, সেই স্বর, যা শৈশবে বেতারতরঙ্গে ভেসে এসে আমাদের রক্তে আগুন দিয়েছে নিষেধ অমান্য করে কাটআউট স্পর্শ করতে থমকে দাঁড়িয়েছি দীর্ঘাঙ্গীর মাথাভর্তি কাঁচাপাকা…
-
স্বপ্ন দেখার জন্য শেখ মুজিব লাগে
কিছু কিছু স্বপ্নের কোনো বাটোয়ারা হয় না, একা এক দীঘল পুরুষ হয়ে ওঠেন স্বাধীন ও সার্বভৌম স্বপ্নমানুষ। তারপর নিজের ব্যক্তিগত দিগন্তের মতো স্বদেশের সুরহারা আকাশকে এক লহমায় ভরে তিনি তোলেন অনন্তের আমার সোনার বাংলায়, মায়ের মলিন মর্ম মুছায়ে পতাকার রং আঁকেন হাজার বছরের মায়া-লাল সবুজে, আর নিচে নদী তো বয়ে চলে তাঁরই অনুকূলে, উজানের দিকে।…
-
বঙ্গবন্ধু, বড় হচ্ছে আপনাকে না-দেখার মিছিল
বঙ্গবন্ধু, আপনাকে না-দেখার কোনো স্বস্তিই নেই আমার – কিন্তু তো জন্মেছিলাম 888sport appsের প্রথম প্রহরে, আপনার দুর্বিনীত সাহসের প্রতিবিম্ব ঘিরে – হতে কি পারত না, আপনাকে একঝলক দেখার ঐশ্বর্যে কাটিয়ে দিলাম একটি জীবন? রেসকোর্স থেকে সারা বাংলা যেমন দাপিয়ে বেড়াত আপনার কণ্ঠ তেমনি আমারও ক্ষুদে কণ্ঠ মায়ের কোল থেকে সমগ্র বাড়ি উত্তাল করে দিত সেই দিনগুলি…
-
অধিনায়ক
সে-রাতের কথা ভাবতেই দেখি ধুলোয় লুটোয় কালো চশমার ফ্রেম রক্তছোপ শাদা পাঞ্জাবির নক্ষত্র বোতাম ধোঁয়াহীন পাইপের ভাঙা ছড় – রাতচেরা গুলিশব্দে থেমে যায় সুরভরা গ্রামোফোন খসে পড়ে ভ্রমর ও ভাঁটফুল ডেরা থেকে উড়ে যায় পয়ার ও পায়রার স্বর – ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল জুড়ে কেঁপে ওঠে দোয়েলের ডানাভাঙা শিস! ৩২ নম্বর এই বাড়ির সিঁড়িতে তুমি পড়ে…
-
পক্ষিগোত্র
এই যে আমাকে খুব দেখছেন গাছের ভিতরে জলে ডোবা কুমিরের মতো দেখছেন শুয়ে আছি, দেখছেন আমাকে আপনি, আপনারা সকলেই দেখছেন আমি শুয়ে আছি এই গাঁয়ে – কোত্থেকে এসেছি? হুতুম পেঁচার দেশে কীভাবে এসেছি? কোন রক্তে পলি আর জ্যোৎস্না খেয়ে রমণী-বিড়ম্বনায় ভালোবেসে আমি এখানে বিরাটকায় বপু ব্যতিক্রমী চশমা-চুরুট-চুলপাঞ্জা বিকালো পেঙ্গুইন, পাজামার বহর, কণ্ঠভেজা-ভাটিয়ালি দেখুন তর্জনী ……
-
অতিক্রম
শব্দ : উঁচু-নিচু যা-ই হোক জড়িয়ে ছড়িয়ে দেয় নিজ নিজ ঘ্রাণ কোন শব্দে কান্না হাসে, হেসে ওঠে বেদনার গান কোন শব্দ ঊর্ধ্বমুখী, কোন শব্দ ব্যথাভারাতুর খুলে-মেলে দেখাবার নেই প্রয়োজন। এমন মৌলিক জ্ঞানে, বন্দি, সে-ও চিনে নিয়েছিল কবর খোঁড়ার শব্দ – মৃত্যু আর বেশি দূরে নয় … অন্তিম শব্দটি তার ঢেলে দিলো প্রহরীর কানে – ‘ফাঁসিকাষ্ঠে…
-
ছবি
(জাতির পিতার শততম জন্মবার্ষিকীতে 888sport apk download apk latest versionঞ্জলি) আমার হাতে কিছু রং ছিলো, ছবি আঁকতে পারতাম মাইকেল অ্যাঞ্জেলোর সিসটিন চ্যাপেলের মতো নয়, রাফায়েল কিংবা লিওনার্দো দা ভিঞ্চির মতো না হোক; সেই রঙে আমি আজ জাতির পিতার ছবি আঁকতে চাই, আমার আনাড়ি হাতে। জলরঙে সে-মুখাবয়ব খুব তেজোদীপ্ত হবে না হয়তো তেলরঙে অবশ্যই আমি আঁকতে পারবো সেই ছবি; স্বাধীন ভূখণ্ডের…
-
প্রাণপুরুষ
তোমার বাড়ির কাছে প্রতিদিনই যাই আমি যাওয়া পড়ে নেহায়েতই জীবিকার তাগাদায় তবু কেন জানি অই সীমানা মাড়ালেই বিশেষ ধরনের এক টান বোধকরি প্রতিদিন প্রতিবার এ কী কোনো বোধ নাকি সত্তার গভীর ভিতরে জেগে থাকা কষ্টকাঁটা দুর্নিবার এ কী কোনো স্রোত অন্ধ-সুড়ঙ্গে এসে ঘাই মারা শতায়ু জিওল ক্ষুব্ধ-সংক্ষুব্ধ তিক্ত অভিঘাতে এ কী কোনো স্বপ্নচ্ছায়া অলৌকিক বৃক্ষের…
-
বত্রিশের রক্তমাখা সিঁড়ি
পঁচাত্তরের পর – একদিন আমি একা একা গিয়েছিলাম বত্রিশের রক্তমাখা সিঁড়ির কাছে দেখলাম – পিতার বুকের রক্ত আধো আলো আধো ছায়াঘেরা সিঁড়ির শরীরে ছোপ ছোপ পড়ে আছে … হত্যাকারীদের নির্মম বুলেটের আঘাতে যে-রক্ত ঝরেছিল পিতার পবিত্র শরীর থেকে যে-রক্ত পিতার পাঞ্জাবিকে করেছিল লাল বাতাসে শুকিয়ে সেই রক্ত ছড়িয়ে পড়েছে বান্দরবান থেকে বাংলাবান্ধা … আমার যৌবনের…
-
অমরত্বের অন্য নাম
কোনো কোনো মৃত্যুকে আমার বরং অনির্বাণ অগ্নিশিখা মনে হয় কোনো কোনো হত্যাকাণ্ডকে মনে হয় আগ্নেয়গিরির অনর্গল অগ্ন্যুৎপাত ভালোবাসার চেয়ে যারা অস্ত্রকে অধিক শক্তিধর মনে করে আমার অস্তিত্ববান অবস্থান চিরকাল তাদের বিপরীত কাতারে ক্ষমাহীন সময়ের অভিঘাতে বিরুদ্ধ বুটের আওয়াজ ক্রমাগত হারিয়ে যায় নিসর্গের নির্মম প্রান্তরে পক্ষান্তরে রুদ্ধকণ্ঠ মানুষের মিছিল দীর্ঘতর হতে হতে অতিক্রম করে দিগন্তবৃত্ত বর্ণমালার…
-
বঙ্গবন্ধু এই সময়ে
সমুদ্রকে কি খণ্ড করা যায়? পর্বত কিংবা পাহাড়! এবং আপনাকে – ? আপনি খণ্ডিত নন, সকলের সর্বজনীন … আপনার অবিচল বিদ্যমানতা আমাদের চেতনায় এবং শোণিতে আপনি কখনো শৃঙ্খলিত নন কিন্তু শৃঙ্খলিত … বাণিজ্যপ্রভুরা আপনাকে গ্রাস করতে শিকল পরাতে চায়। তারাই খণ্ডিত করে আমাদের পরম পিতাকে। তিনি তো তিনি আর কেউ নন আমরা চাই শৃঙ্খলমুক্ত বঙ্গবন্ধু…
-
কেবল একটি তর্জনী
জগদ্দল পাথরটি যখন সমুদয় বাংলা বর্ণমালাসহ জঙ্গলখাইন ফ্রি প্রাইমারি স্কুলের বাংলার শিক্ষক কসিমুদ্দিকে গিলে খাচ্ছিল, নবরত্নসভা তখনো তর্কে বিভোর। তর্কের বিষয়টি ছিল অতীব গুরুত্বপূর্ণ : জনগণ ঘুমিয়েছিল, নাকি তাদের ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছিল! পাথরটি যথার্থই ক্ষুধার্ত ছিল। তার ক্ষুধা ছিল ভারতসমান, অথচ তার জন্যে বরাদ্দ ছিল মাত্র পাঁচটি অপুষ্ট ভেড়া। স্বভাবতই তার লকলকে জিহ্বা প্রসারিত…
