January
-
বিশব শিশুর খেলা
স্বদেশ রায় গাঢ় অন্ধকারে দূরতম সমুদ্রবুকে ঝড়ো হাওয়া আর মেঘের ডানায় ঢেউগুলো উঠলো ফুলে, তাদের মাথায় মাথায় তখন এক একটি কেশর ফোলানো সিংহ তাদের কণ্ঠ থেকে বেরিয়ে এলো মহাকালের সিংহনাদ বাতাসে বাতাসে ছড়িয়ে পড়লো মহাকালের সেই শব্দতরঙ্গ পৃথিবীতে দাঁড়িয়ে থাকা পাহাড়গুলো করলো মাথা নত আর গভীর অন্ধকার তাকে জানালো অভিবাদন সূর্যের আলো তখনো জানেনি মহাকালের…
-
রুটিগাছ
মজনু শাহ রুটিগাছ তলে বসে সারারাত দেবনিন্দা করি – রাতের বাগানে ঢুকে 888sport sign up bonusগুলো বাদুড়ের মতো নষ্ট করে ফল, দেখি, ডুবে যাচ্ছে কর্দমাক্ত পথে গরুর গাড়ির চাকা, সাত মিনিটের আয়ু নিয়ে এক্ষুনি জন্মালো কেউ, তুমি কেন অস্থির কুসুম? আজ সুফি-ধূলিকণা যত আছে এখানে ওখানে বাতাসে গভীরভাবে অন্ধ হতে হতে উপস্থিত। 888sport slot gameশীল উদ্ভিদ, এত কেন ভয় হেমমত্মকে?…
-
লাংকাওয়ি
শিহাব শাহরিয়ার প্রেমিকার ঠোঁটের মতো ছুঁয়ে দিলাম আন্দামানকে মার্জিত রূপে আমার কাছে ও খুলে দিলো গতর ভাবতে পারিনি ও এতো সুন্দর! এ আমার দ্বীপবাস নয় তবু লাংকাওয়ি আমাকে বাড়িয়ে দিলো বনলতার হাত সুভলংকে মনে হলো ছোট বোন এসো আমরা নীল জলের শরীরকে ঘুমকাতর করি
-
আমার ঘুমের রক্ত
জলধি হালদার শেষ রাতে মাঝে-মাঝে আমি বিছানা ভিজিয়ে ফেলি। গতকাল যেমন মরুভূমিতে বেড়াতে গেছি পঁয়তালিস্নশ পঞ্চাশ ডিগ্রিতেও গরম লাগছে না। কোনো দিন মধ্যশীতের আইসল্যান্ডে আমি দিব্যি হাফহাতা গুরু পাঞ্জাবি। মাঝে-মাঝে কুয়াশামাখা একটি মেয়ে খুব পরিচিত, মনে হয় কাছাকাছি থাকে শহর জুড়ে খুঁজে পাইনি কোনো দিন। মেয়েটির শরীরে আজো ‘জল পড়ে পাতা নড়ে’। ঘুমের রক্তে যখন…
-
পতিতপাবনী
গোলাম কিবরিয়া পিনু পড়শি, আমার বিপদের সময়ে আরো মূল্যহ্রাস করে ঠেলে দিলো পতনের মুখে! পড়পড় অবস্থায় যখন কারো হাত ধরতে চেয়েছিলাম – তখন পালক-রক্ষক ও অধীশ্বর হয়ে কেউ ঝাঁপ দিয়ে পতিতপাবনী হয়নি! পত্রপাঠ শুধু! মুখে মধু শুধু! ক্ষতস্থানে জড়ানোর জন্য – একখ- কাপড়ের টুকরোও পাইনি! প্রতিবেশী উত্তরীয় পরে শুধু – আগুন তাপাবে? ধাতুপাত গলিয়ে নিজেরই…
-
সতত এ-নদ
সায়ীদ আবুবকর শরীর শীতল করে, ভিতর শীতল করে এই ঘোলাপানি, এ-পানিতে সণান করে ভোরের দোয়েল আর আমার হৃদয়; পূর্ণিমার পূর্ণ চাঁদ এখনো আগের মতো করে কানাকানি তখন এ-নদ দেখে কত মধু মধুদেশে মহাকবি হয়! অন্য কোনোখানে গিয়ে বাঁচবো কি একদিনও এ-জমিন থুয়ে? বিদেশবিভুঁই গিয়ে কী করে মানুষ বাঁচে, আমি ভেবে মরি; আমার কেশবপুর জননীর মতো…
-
খেরোখাতা
সাবেরা তামাসসুম ধরে রাখা সহজ হবে – হয়তো হবে না, তবে দূরে ঠেলে দিলে তাকে অপচয় ভীড় করে আসে সবচেয়ে কাছে ছিল সে-ই-সব থেকে দূরে যে গেছে অথবা করেছে তার চলে যাওয়া ভান – ধরে নাও তাকে প্রস্থান নায়কেরা চলে গেলে নায়িকার খেরোখাতা মেলে অনাগত চোখ – আবার সে দেখাটুকু হোক – আর কোনো মহড়ায়…
-
তালপাতার কাঁপন
অনুরাধা মহাপাত্র বিরহার্ত এই সুর কোন পথে নিয়ে যাবে আজ? কতোকাল এ-পাথর সজীব রেখেছে তার বিভঙ্গের রং মহাকাল যেভাবে শাশ্বত করে জ্যোৎসণার সণান মন কেন মর্মেই আছে আজ জানা নেই তবু দিগ্বধূর মুখে আজ মস্নান তালপাতার কাঁপন যেই ট্রেন ছেড়ে যাচ্ছে তার নেই বিদায়ী বিভ্রম মন তবু মর্মে আছে জেনে এই চোখে এত অস্তরাগ ভালোবাসা…
-
ভিখিরি
শাহজাহান হাফিজ ভিখিরিদের ভূগোল এবং ব্যবহারিক ব্যাকরণ আমার কিছুটা হলেও জানা আছে! আমি তো মনে করি : ভিখিরিরা ভদ্রলোকের মতো বিনয়ী এবং বিপন্নতাময়; এবং বিজ্ঞ, এবং বাক্যজাল বিস্তারে বিশেষ পটু! পুরনো সব শহরের ধুলোর ভিতর শুয়ে, পড়ে থাকা পাতার মধ্যে গড়াগড়ি গিয়ে, মেঘেদের বিমর্ষ মুখ 888sport app download for android করে কিংবা রোদের গাঢ় চাদর ছিন্নভিন্ন করে; পথ থেকে…
-
অসমাপ্ত গল্প
আসাদ চৌধুরী শিশুর আঁকা ছবির মতোন নদীর তীরেই বাড়ি মেঘ পড়েছে, বৃষ্টি ও রোদ এসব তো তার আশৈশব প্রিয় যেমন প্রিয় মাছ আর নদী দুধেল গাভি পুঁই লাউয়ের মাচা সেই গাঙ্ ভাঙ্লো বাড়ি সবই নিলো কাড়ি’ এখন এই বুড়ো টোকাই এই শহরের আজব আমদানি। দিন কাটে তার কোথায় কোথায় রাত কাটে তার এখানে ওইখানে ধূর্ত…
-
সুচিত্রা ভট্টাচার্য
সুজয়েন্দ্র দাস ১০জানুয়ারি, ২০১৬ 888sport live footballিক সুচিত্রা ভট্টাচার্যের ৬৬তম জন্মদিবস। ইংরেজি ২০১৫-এর ১২ মে রাত্রিতে বাংলা 888sport live footballের একনিষ্ঠ সেবিকা সুচিত্রা ভট্টাচার্য চিরশামিত্মধামে যাত্রা করেন। সুচিত্রা ভট্টাচার্যের ৬৬তম জন্মদিন তাঁর পরিবারের লোকেরা উদ্যাপন করবেন। তাঁর পরিবারের সদস্যরা ও পাঠকেরা নিশ্চয় অনুভব করবেন যে, তিনি যদি আরো কয়েক বছর জীবিত থাকতেন তাহলে বাংলা 888sport live footballের ভা-ার আরো সমৃদ্ধ হতো।…
-
কুসুমবীজ
দেবাশিস্ চক্রবর্তী জ্যোৎসণার আলপথ দিয়ে সমরের মনে হলো চাঁদটা বুঝি গলে গেছে ধানক্ষিতের মধ্যে। এবারে কুয়াশা খুব। শীত যত না পড়ছে, কুয়াশা পড়েছে তার দ্বিগুণ। ধানক্ষিত নয়, আলুক্ষিত। আলুতে এবার ধসা হবে। কুয়াশার জলে আলু নষ্ট হয়। সমরের ডান পা ক্রমশ সরু হয়ে যাচ্ছে। আলের হাঁটা তো ব্যালান্স রেখে চলা ভারি মুশকিল। যতদিন অফিস ছিল…
