February
-

ডলি কাকির নতুন চটি
অবশেষে চটি এলো বাড়িতে। কাকিকে চটিয়ে তবেই এলো। ঝগড়া হলো, মান-অভিমান হলো, কাকি ও কাকা দুই বিছানাতে ঘুমালো পর্যন্ত। অনেক জল গড়ানোর পর মোক্ষম সময়ে চটি জোড়া এলো। কাকি যেদিন বিয়েতে যাবে তার ঠিক আগের দিন। ডলি রানি পোদ্দার। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। পারে না, তবু টেনে টেনে সময় পার করছে এখন। সেই কবে ঢুকেছে স্কুলে।…
-

বাঙালির সংস্কৃতি ভাবনার শেকড়ের সন্ধানে
‘বাংলার মাটি, বাংলার জল, বাংলার বায়ু, বাংলার ফল’ এর থেকে জীবনের নির্যাস নিয়ে; এই ভূখণ্ডে গড়ে-ওঠা আবহমান সংস্কৃতির উদ্দীপনাকে প্রাণে ধারণ করে; ‘আ-মরি বাংলা ভাষা’য় মুখের বুলি ফুটিয়ে; ‘জ্বলে পুড়ে-মরে ছারখার তবু মাথা নোয়াবার নয়’ যে জাতিকে দেখে ‘এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়’ – তা হলাম আমরা এই বাঙালিরা। বাঙালিকে বুঝতে হলে জানতে হবে তার…
-
বাবেলের থেকে দূরে – বহুদূরে
হিথরোতে দেখা হলো তার সাথে রেস্তোরাঁর খাবার টেবিলে কথা হলো ভাঙা ফরাসিতে – দুজনেই যেন এইমাত্র এসে গেছি বাবেলের অসমাপ্ত ভাঙা দুর্গ থেকে – কেউ কারো ভাষাও জানি না – মেয়েটির মুখচোখ আশ্চর্য ধারালো – হয়তো উঠেছে বেড়ে একালের দ্রুতগতি জঙ্গম জীবনের স্রোতে কোনো পুঁজির প্রাসাদে, আমি তার নীল চোখে চাই, দেখি এক আদিম অরণ্য…
-
লুপ্ত মায়াদ্বীপ
বস্তুর ভিতর থেকে তুলে আনো নৈর্ব্যক্তিক ভয়াল শূন্যতা, বস্তুহীনতার ধুধু প্রান্তরে তোমার অন্বেষণ সেই আলো – যা দেখেনি এ-পৃথিবী অতীতে কখনো। তোমার নিয়তি সেই অলৌকিক সুন্দরের অন্বেষণ শুধু। এইভাবে অন্বেষণে তৃষ্ণায় চৌচির হবে তোমার হৃদয়। সম্মোহন যদি ভাবো, তা-ও ভাবা যায়। বস্তুর ভিতরে ছিল হয়তো কখনো এই দুর্লভ সুন্দর; এখন দৃষ্টিতে নেই যেন তুমি অন্তহীন…
-
শেকড়ে জল দাও
জীবনকে তো আকাশের বিস্তার দেয়া যায় না হেলেঞ্চা লতার মতো সংসার দেয় না কিছুই শুধু ঢোঁড়া সাপের মতো প্যাঁচ মারে সকাল বিকাল একই রং দেখি বিসর্গ শরীর বেয়ে চাপ চাপ কুয়াশা নিয়ে বসে আছি পার্কের ভেতরে সুনসান হৃদয় উজাড় করে হারিয়ে যাচ্ছে সু-সময়। সেই একই খেলা। চৌষট্টি কলা নতুন নতুন আসন তৈরি করা জ্যোৎস্না কাঁপানো…
-
দুই হৃদয়ের নদী
ভিক্টোরিয়া ওকাম্পোর প্রতি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর – খ্যাতি হচ্ছ উঁচু কোনো দেয়ালের মতো একপাশে প্রশংসার বহুবিধ ক্লান্ত কোলাহল অন্যপাশে একাকিত্ব ন্যস্ত থাকে জোর পাহারায় বলা যায়, আমি সেই দেশ, যার ভূগর্ভে রয়েছে মূল্যবান কয়লার খনি, আছে – হীরে-সম্ভাবনা লোভাতুর যারা, বনশ্রীকে পরিয়েছে রক্তরজ্জুফাঁস আমার লেখার মূল্য ঈর্ষণীয় চড়া। তবু দেখি ব্যক্তিমূল্য ঢেকে যাচ্ছে প্রশংসার এঁদো আস্তরণে…
-
আত্মপ্রতিকৃতি
একজন বিমর্ষ কেউ দাঁড়িয়ে রয়েছে দরোজায় মুখে তার মহাকালের মৌনতা চোখে হিরণ¥য় বেদনার আলো – তবু সে বলে না কিছু তাকে খুলে দাও দরোজা – ডেকে নাও তাকে আসুক সে ঘরে, ছুঁয়ে থাকো তাকে – সে এক শাপভ্রষ্ট বালিকা মহাকাল সবকিছু থেকে নির্বাসিত করেছে তাকে দুঃখের শ্যাওলা জড়িয়ে রয়েছে তার রূপময় হৃদয়ে ভেনাসের…
-
মরমি অজয়
কিছু নির্বিকার ভালোবাসা আছে বৃক্ষপিঠে রুক্ষ আকাশে – অরিন্দম ব্যাকুলতা নিয়ে সুন্দরের নিস্পৃহ সবুজে নিষ্ঠাবতী রাতের দ্রাঘিমায় চৈতন্যের মগ্নতায় আহত সৌন্দর্যে পাখিদের অভিমানে বিকলাঙ্গ আলোকবর্ষ প্রত্যেকে গ্রামের বাড়িতে অথবা রাত্তিরে দূরে ডাকে নৈমিষ অরণ্যে কারো ঘরে; কিছু হাহাকার – গোপন কস্তুরী নীল ঝিঁঝি বুকের শরীরে স্বয়ংক্রিয় শস্যের ধ্রুপদী খেলা সময় গুহায় কিছু বীভৎস ব্যথায় অতলান্ত…
-
কথা
কথাদের যে এতটা বিধ্বংসী শক্তি আছে তা জানা ছিল না আগে – আণবিক বোমার চেয়েও ভারী একটি দুটি নয় শত শত হিরোশিমা-নাগাসাকি ধ্বংস করতে সক্ষম, হিরোশিমা-নাগাসাকি তবু বেঁচে উঠেছে – বেঁচে আছে হিরোশিমা-নাগাসাকি আবার জীবনের উত্থান ঘটেছে সেখানে নৈসর্গিক শোভায় শোভিত হয়েছে বন-বনানী ধ্বংসযজ্ঞ উৎপাটিত করে পলিময় হয়েছে মাটি, ধুঁকে ধুঁকে মরতে মরতে বেঁচে উঠেছে…
-
জীবন নিয়ে
কিছুটা ছিল কুয়াশামোড়া গোপনে বলা কথা বাকিটা ছিল তীব্র ঝড়ে অনাবৃত দেহ কিছুটা ছিল প্রলাপ আর কিছুটা নীরবতা দহনে ছিল শরীরে জ্বালা, প্রলেপে ছিল স্নেহ কখনো ধনশিখরে চড়ে টাকার নাম জপ কখনো থাকে মাধুর্য ও কখনো কটু স্বাদ বিবাগী মন সহসা করে মৌন কলরব পাহাড়-চূড়া সমুখে, তবু নিকটে থাকে খাদ শরীরী খেলা ক্ষণিকে দেয় মানব-মানবীকে…
-
স্বল্পদৈর্ঘ্য ভোর
স্বল্পদৈর্ঘ্য ভোরে সুন্দর একবার ছুঁয়ে দিলে ধুধু গভীর পতন জংধরা আঁধার ডাকে। হিংস্র লাল নখ নদীর ঠোঁটে শোকার্ত সংগীত। নষ্ট পর্ব অশ্লীল কুয়াশা খামচে ধরে 888sport cricket BPL rateের রোদ। রুগ্্ণ888sport live chat। ডাকে জয়নুলের কাক পোড়া 888sport sign up bonusর ছাই ওড়ে – খোঁড়াখুঁড়ি – কানামাছি খেলা। শিকড়ে বিশ্রী উঁই। ঝরে বৃক্ষ, লতাগুল্ম, 888sport promo code – মাঠ থেকে ফেরা উজ্জ্বল কিশোরী…
-
শীত জুড়ে
শীত জুড়ে পড়ে থাকে ওই বর্ণমালা ছায়ার অক্ষরে লিখি বনের আদিম তুহিন পাথরে কাটি দম্ভের চূড়া হিম আশ্লেষে ওঠে মৃতদের হাড় কী অসীম দৃষ্টি তার শ্যেনপাখি যেন রক্তের বাঁধনে খোলে ভগ্ন দেয়াল পাতালে গর্জন তোলে আন্তঃমহাদেশ কম্পিউটারে ওঠে গণনা তাহার সাজিয়ে বদল করি অসম বিন্যাস বরফ আতান্তরে ক্রান্তদর্শী ওঝা তাহাদের কথা লিখি ক্রিষ্টীয় মঠে মানুষের…
