October
-
মৃত্যুই শেষ কথা নয়
সমরেশ মজুমদার আজ দুপুরে 888sport appয় এসেছি। প্রতিবারের মতো 888sport app ক্লাবে স্থিতু হয়ে মুঠোযন্ত্রটা তুলে নাম্বার টিপতে গিয়েই শক্ত হলাম। না। এই নাম্বার টিপলে মুঠোযন্ত্র আমাকে সেইখানে কথা বলাতে পারবে না যেখানে হুমায়ূন আহমেদ এখন থাকতে পারেন। সাতাশি সালে পরিচয়। ঘনিষ্ঠতা বিরানব্বই থেকে। এর মধ্যে যতবার এসেছি, এসেই ফোন করেছি। সে উচ্ছ্বসিত গলায় বলেছে, ‘আরে সমরেশদা,…
-
দেখার নানা রূপ
দেখা : মাহমুদুল হোসেন-সম্পাদিত আহমেদ খালেদা 888sport appsের স্বাধীন live chat 888sport নির্মাণের ধারাটি গড়ে উঠেছে live chat 888sport সংসদ আন্দোলনের সোপান বেয়ে। এ-আন্দোলনের সঙ্গে বরাবর যুক্ত ছিলেন মাহমুদুল হোসেন; খুব তরুণ বয়স থেকেই live chat 888sport সংসদ আন্দোলনের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে কাজ করে এসেছেন। আশি ও নব্বইয়ের দশকে তানভীর মোকাম্মেলের সহযোগী হিসেবে পরিচালনা করেছেন ঋত্বিক live chat 888sport সংসদের কর্মকাণ্ড। সেইসঙ্গে নিজেকে নিয়োজিত…
-
অভিষেকেই সেঞ্চুরি
সৈয়দ আজিজুল হক সুখের কাছে বসবাস তুষার কণা খোন্দকার পাঠসূত্র 888sport app, ২০১২ ২০০ টাকা গল্প রচনার আধুনিক রীতি-পদ্ধতিকে অঙ্গীকার করেই নবীন এই লেখকের যাত্রা শুরু হয়েছে। গল্পদেহের পরতে পরতে তিনি বিছিয়ে রেখেছেন তাঁর সম্ভাবনার সকল ইঙ্গিত। কি বিষয়গত বৈভবে, কি কাহিনি বয়ানে, কি চরিত্রের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণে, কি উপমা চয়নে, কি ব্যঞ্জনাধর্মী ভাষা সৃজনে – সর্বত্রই…
-
একটি মেয়ে
আফসার আমেদ ॥ ২১ ॥ সন্ধ্যা সাড়ে ১০টা বেজে গিয়েছিল মেমারির শীতলাতলায় পৌঁছতে সেঁজুতিদের। মা হইচই ফেলে দেয়। বউদি শাশ্বতী বেরিয়ে আসে। মা কাঁদে। কিন্তু তার হর্ষ বেশি। কথার ঝড় তোলে। ‘আরো সকাল সকাল বেরোতে হয়। ট্রেন ঠিকঠাক পেয়েছিলি? ভিড় ছিল নাকি গাড়িতে? আসবি যখন নবর মোবাইলে ফোন করে দিলি না কেন? নব কাজ থেকে…
-
সূ চি প ত্র
৭ এক মহান স্থপতির সহকর্মীর অভিজ্ঞতা – শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ১৫ 888sport sign up bonus অম্লান – মীর মোবাশ্বের আলী ১৯ মাজহারুলদা – সন্তোষ ঘোষ ২২ নিজের মতামতে অনড় একজন নিভৃতচারী – স্ট্যানলি টাইগারম্যান ২৪ মাজহারুল ইসলাম : চলে যাবার পর – সৈয়দ শামসুল হক ২৭ শুদ্ধাচারী মাজহারুল ইসলামকে সালাম – বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর ২৯ গৃহ ও গৃহীর…
-
পাঠকের চিঠি
অধ্যাপক অমিয়কুমার দাশগুপ্ত কালি ও কলমে অধ্যাপক অমিয়কুমার দাশগুপ্ত : শতবার্ষিকী 888sport apk download apk latest versionর্ঘ্য নামে স্মারকগ্রন্থটির ওপর অনবদ্য একটি রচনার জন্য সনৎকুমার সাহাকে ধন্যবাদ। প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ অশোক মিত্রের প্রকাশনায় কলকাতা থেকে ছাপানো এই বইটি, সত্যিকথা বলতে গেলে, পুস্তকপ্রেমিকদের কাছে একটি সংগ্রহের বস্তু (collector’s item) বলে বিবেচিত হতে পারে। অমিয়বাবুর বেশ কয়েকজন ছাত্রছাত্রী, পরিবারের সদস্য, অনুরাগী এবং অধ্যাপক অমিয়কুমার দাশগুপ্তের নিজের কয়েকটি রচনা-সমৃদ্ধ এই বইটি সম্পর্কে বেশ বড় এবং বিশদ একটি আলোচনা করে সনৎবাবু সকলের কৃতজ্ঞতা অর্জন করেছেন। সনৎকুমার সাহার লেখাটি পড়লেই 888sport appsের তথা সমগ্র উপমহাদেশের অর্থনীতিশাস্ত্রের গুরুস্থানীয় এক মহত্তম শিক্ষক সম্পর্কে সম্যক ধারণা হবে। এই পত্রলেখকের সৌভাগ্য হয়েছিল এই মহৎ শিক্ষক এবং অসাধারণ মানুষটিকে কয়েকদিনের জন্যে বেশ কাছে থেকে দেখার। সেটা সম্ভবত ১৯৭৪ সাল। আমি তখন বিশ্ববিদ্যালয়-মঞ্জুরি কমিশনের সচিব। একদিন চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ চৌধুরী, সংক্ষেপে ‘ম্যাক’ স্যার, আমাকে ডেকে বললেন, ‘888sport apps সরকারের আমন্ত্রণে অধ্যাপক অমিয় দাশগুপ্ত 888sport appয় আসছেন কয়েকদিনের জন্য। আমরা গ্র্যান্ট্স কমিশন থেকে ওঁর দেখাশোনা করব। আপনি রাজ্জাক স্যারের কাছে চলে যান, স্যারের কাছ থেকে কী করতে হবে সব জেনে আসুন।’ বলাবাহুল্য, আমি অর্থনীতির ছাত্র ছিলাম না এবং তখনো অমিয়বাবুর নাম শুনিনি। রাজ্জাক স্যারের কাছে গেলাম। তিনি যেভাবে অধ্যাপক অমিয়কুমার দাশগুপ্তের বর্ণনা দিলেন তাতে অবাক হয়ে গেলাম। এতদিন আমি ‘স্যার’কেই গুরুদের গুরু বলে জানতাম। কিন্তু সেদিন জানতে পারলাম ‘স্যারে’রও একজন স্যার আছেন। এর কয়েকদিন পর অমিয়বাবু সপরিবারে এলেন এবং মঞ্জুরি কমিশনের অতিথি ভবনে না থেকে রাজ্জাক স্যারের বাসাতেই উঠলেন। আমাকে মাঝে মধ্যে একাজে-সেকাজে ফুলার রোডের সেই বাড়িতে যেতে হতো। সেখানে এই একদা-গুরুশিষ্য এবং পরবর্তীকালে একদা-সহকর্মীর মধ্যে যে-অপূর্ব সম্পর্ক দেখেছি, তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। একদিন দুপুরে স্যার তাঁদের বাড়িতে আমাকে তাঁদের সঙ্গে খেতে ডেকেছিলেন। আরো অনেকে ছিলেন। ওঁরা যেসব কথাবার্তা বলছিলেন মুগ্ধ হয়ে শোনা ছাড়া আমার কিছু করার ছিল না। মনে আছে ‘স্যার’ নিজে 888sport appর বাজার থেকে এতবড় কৈ মাছ এনেছিলেন, যা এর আগে আমি কোনোদিন খাওয়া তো দূরের কথা, দেখিইনি। ওঁরা চলে যাওয়ার পর স্যারের কাছে অমিয়বাবুর সম্বন্ধে আরো অনেক গল্প শুনেছি। দিনে দিনে অমিয়বাবু সম্পর্কে আমার কৌতূহল বেড়েছে। অবশেষে অশোক মিত্রের আপিলা চাপিলা পড়ে এই মহান শিক্ষক সম্পর্কে আরো অনেক কিছু জানার সৌভাগ্য হয়েছে। জানতে পেরেছি যে, অর্থনীতির এই বিশিষ্ট শিক্ষককে কীভাবে কলকাতার বিদ্যোৎসাহী মহলে, বিশেষ করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে, প্রায় অবহেলাই করা হয়েছে। অবাক হয়ে যাই যখন দেখি যে, কলকাতা থেকে প্রকাশিত সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান বইটিতে অমিয়বাবু সম্পর্কে (সংসদ বাঙালি অভিধান, দ্বিতীয় খণ্ড, জানুয়ারি ১৯৯৬) যে-ভুক্তিটি আছে তাতে তিনি পৃথিবীর কোন কোন জায়গায় পড়িয়েছেন, গবেষণা করেছেন এবং কাজ করেছেন সব সন-তারিখসহ দেওয়া আছে। শুধু নেই 888sport app বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম এবং তিনি যে ১৯২৬ থেকে ৪৬ সাল পর্যন্ত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এ-বিষয়ে বিন্দুমাত্র উল্লেখ। সনৎবাবুর লেখাটিতে ওই বইয়ের বিভিন্ন লেখকের 888sport sign up bonusচারণ থেকে এই একনিষ্ঠ শিক্ষক এবং অত্যন্ত বড়মাপের অর্থনীতিবিদের ব্যক্তিগত জীবন এবং অর্থনীতিচর্চার অনেক কিছুই জানতে পারলাম। সবগুলো লেখাই তথ্য-সমৃদ্ধ। তবে অম্লান দত্ত, এস আর সেন, অনির্বাণ চট্টোপাধ্যায় এবং জামাতা আই জি প্যাটেল Ñ এঁদের লেখায় একজন অর্থনীতিবিদের তত্ত্বচিন্তাগুলোও কীভাবে ধীরে ধীরে তাঁর পড়াশোনা, গবেষণা এবং শিক্ষকতার মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠে তা বেশ ভালোভাবেই বোঝাগিয়েছে। যদিও পুত্র পার্থ দাশগুপ্ত পিতা সম্পর্কে লিখেছেন, ‘ঞযব ঃবধপযবৎ রহ যরস ড়িহ ড়াবৎ ঃযব ংপরবহঃরংঃ. টহষরশব ধহু ড়ঃযবৎ ংপরবহঃরংঃ ও যধাব শহড়হি, বাবহ ঢ়ৎড়ভবংংরড়হধষষু যব ৎিড়ঃব ঃড় বীঢ়ষধরহ, হড়ঃ ঃড় পৎবধঃব.’ তবু অম্লান দত্ত, এস আর সেন এবং অনির্বাণ চট্টোপাধ্যায়ের লেখাগুলো পড়ে মনে হয়েছে ছাত্রদের মধ্যে অর্থনীতির নানান তত্ত্ব ব্যাখ্যা করার মধ্য দিয়ে অমিয়কুমার দাশগুপ্ত বোধহয় কিছু তত্ত্বকে নবরূপে সৃষ্টিও করে গেছেন। যদিও নিজে অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে ‘কবুহবংরধহ ঊপড়হড়সরপং ধহফ টহফবৎফবাবষড়ঢ়বফ ঈড়ঁহঃৎরবং’ (বক্তৃতা, লক্ষেèৗ বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৪৯ এবং পরে ইকনমিক উইকলিতে ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত) লেখাটির জন্য কোনো বিশেষ কৃতিত্ব দাবি করেননি, তবু ওই লেখাটি যে শুধুমাত্র রিকার্ডোর তত্ত্বের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ তা বিশ্বাস করা কঠিন। মনে হয়, নোবেল কমিটিও তা মানেনি। তা নাহলে আর্থার লুইসকে ১৯৭৯ সালে প্রায় একই তত্ত্বের জন্য, বোধহয়,…
-

কম্পোজিশন
দেবদাস চক্রবর্তী 888sport appsের চিত্রকলা-আন্দোলনের প্রথম প্রজন্মের 888sport live chatী। ১৯৪৮-৪৯ সালে তিনি কলকাতা আর্ট কলেজে চিত্রচর্চায় প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। বামপন্থি ছাত্র-আন্দোলনে সংশ্লিষ্টতার কারণে তিনি কলকাতা আর্ট কলেজ থেকে বহিষ্কৃত হন। ১৯৪৮ সালে তিনি 888sport appয় চলে আসেন ও আচার্য জয়নুল আবেদিনের আনুকূল্যে 888sport app চারু ও কারুকলা ইনস্টিটিউটে ভর্তি হন। ১৯৫৬ সালে তিনি এই কলেজ থেকে øাতক হন। ১৯৭৮-৭৯ সালে তিনি পোল্যান্ডের ওয়ারশ থেকে গ্রাফিক্সে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন। 888sport live chatী দেবদাস চক্রবর্তীর সৃষ্টির বর্ণময় উদ্যানে মানুষ ও প্রকৃতির ছন্দোময় রূপ নবীন আলোকে উন্মোচিত হয়েছে। তিনি আধা বিমূর্ত ও বাস্তবধর্মী এ-দুধরনের কাজেই যথেষ্ট পারদর্শিতার পরিচয় দিয়েছেন। বিশেষত বিষয়ের অন্তর্নিহিত সৌন্দর্যকে তিনি নানা আকার দিয়ে মনোমুগ্ধকর এক অভিব্যক্তিতে প্রস্ফুটিত করেন।তিনি সমাজসচেতন ও প্রকৃতিবাদী বলে তাঁর সৃষ্টির উল্লেখযোগ্য অংশ জুড়ে আছে যন্ত্রণাহত মানুষের আবেগ-অনুভূতি; এদেশের নিসর্গ, জল, মেঘ ও বৃষ্টি। তাঁর 888sport live chatসত্তায় প্রকৃতি ও মানুষের এই উপস্থিতি তাঁকে বিশিষ্ট করে রেখেছে। মুক্তিযুদ্ধকে বিষয় করেও তিনি বেশ কয়েকটি চিত্র রচনা করেছেন। এইসব সৃষ্টিতে ধরা পড়েছে মুক্তিযোদ্ধাদের অসম সাহস, আর্তি ও বেদনা। তাঁর জন্ম ফরিদপুরে ২৫ ডিসে¤¦র ১৯৩৩ সালে।



