2015

  • দুটি 888sport app download apk

    ইকবাল হাসান   জলের আকুতি   মাগো একটু জল দাও। দুপুরের ছায়া হয়ে অন্ধ ভিখিরি এক তোমার দুয়ারে দ্যাখো দাঁড়িয়ে রয়েছে যেন চৈত্রের তৃষ্ণা বুকে নিষ্পত্র দেবদারু। মাগো একটু জল দাও এই অন্তহীন তৃষ্ণার্ত আগুনের পদমূলে।   এতো জল চারদিকে, তবু মাগো বৈষ্ণবের জলতেষ্টা কখনো মেটে না।   বাউল   বেরিয়ে ছিলাম ঘর ছেড়ে এক…

  • জ্বেলে রাখি অন্ধকার

    ফারুক মাহমুদ   জ্বেলে রাখি অন্ধকার। আলো আসবে। এসো প্রতিশ্রুতি প্রাণের সংকেত শুনি প্রতীক্ষার কাছে তৃপ্তি তবে দূরে থাক। সময়ের ছদ্ম নির্ভরতা নয় সে উল্লাসধ্বনি। 888sport sign up bonus জেগে আছে   যথেষ্ট সামান্য হোক – তার পরও আলোফোয়ারায় নানা বর্ণ সবুজের শুভজন্ম হাসে চিরায়ত শব্দটি যে ‘প্রেম’ কে না-মানে বলো মানুষ ‘মানুষ’ পেলে আজো ভালোবাসে   পাঠ…

  • বসন্ত

    মনিকা রহমান বন্দ্যোপাধ্যায়   ফুলে ফুলে ছেয়ে গেছে সমস্ত বাগান হাওয়ারাও গাইছে শুধু বসন্তেরই গান, আমরাই ঘরে বসে আছি পাইনি কোনো কিছুই সব দেখেছি আর ভাবছি এটাই কি আমাদের বসন্ত? তমোহর তোমার গিটার তো আমার ঘরে নেই, কারণ তুমি তো জানো আমার কোনো ঘর নেই, ঠিকানা নেই। তমোহর তোমার গিটার এখনো এবং চিরদিনই বাংলার ঘরে…

  • চশমা

    মাহবুব বারী   আমি সব সময়ই ভাবি চশমাটা কেমন! তুমি যখন চশমায় অভ্যস্ত হয়ে ওঠো তোমার স্বভাবের মতো, তখন তুমি অন্তরঙ্গ হয়ে মিশে যাও চশমার ফ্রেমে কিন্তু তুমি কি জানো তুমি কতটা দূরে দেখতে পাও?   আমি আরো ভাবি চশমা আবিষ্কারের আগের কথা – তখন কী হতো? প্রত্যেকেই দেখত ভিন্ন ভিন্ন ভাবে ভালো কিংবা মন্দ…

  • মিলনের জন্য কয়েক লাইন

    অলোক বন্দ্যোপাধ্যায়   888sport sign up bonusকে বাঁচাবে বলে জামার বোতাম ঘরে ফুটিয়ে রেখেছো তুমি নিষিদ্ধ গোলাপ।   888sport app download apkর জন্য তুমি কিছু তীক্ষ্ণ, বাণবিদ্ধ শব্দ খুঁজেছিলে জাদুদন্ড শূন্যে তুলে মুষ্টির ধুলো ছুড়ে বাজিকর সেই দিন অলৌকিক জ্যোৎস্না এনেছিল   জ্যোৎস্না মানে   মিষ্টি কোনো সোঁদাগন্ধ নয় জ্যোৎস্না মানে   হেরে যাওয়া রেসুড়ের ম্লান চোখে ভূমিকম্প কিমাকার বিষণ্ণতা   বহুক্ষণ আগে…

  • দুটি 888sport app download apk

    হাসান হাফিজ   দীর্ঘ হও লানত বর্ষণ করো   ‘পিপাসা’ শব্দটি আমি আক্রোশে ও ভালোবেসে ছিন্নভিন্ন করে ফেলি, পেতে চাই ঈষদুষ্ণ জল কিন্তু এই প্রচেষ্টা নিষ্ফল, মরীচিকা ভ্রম শুধু দীর্ঘ হয়, মোহনীয় নয় এর কোনো গূঢ় অর্থ মরতবা রয়েছে নিশ্চয় আমি এই প্রচেষ্টা জীবনীশক্তি সহিষ্ণুতা ক্ষয় করে করে আরো নিঃস্ব ভারাতুর হই তারপরও বেগানা প্রান্তর…

  • পথ রোধ ক’রে বারেবার

    মারুফ রায়হান   জোছনা-ধোয়া রাত্রি যখন কাবার পথ রোধ ক’রে দাঁড়ালে আবার এ ক’টা বছর কোথায় ছিলে হে ফাঁদ দেরি হলো যে আসতে গোঁফের তলায় শয়তানি হাসি হাসতে   ভেবেছ ভয়ে কাঁপব নবীন লতার মতো হবো টলমল সাগর ফুঁড়ে আসা রাক্ষসের সামনে যেমন বাতাস বিহবল! তিরিশ বছরে ঝড় কতবার উড়িয়ে নিতে এলে ঘনান্ধকার দানো হয়ে…

  • অলৌকিকের দিকে

    কালীকৃষ্ণ গুহ   সেদিন তুমি বলেছিলে, ‘আমাকে নিয়ে একটা প্রেমের 888sport app download apk লিখুন -’ সেইদিন থেকে তোমার দিকে আর তাকাতে পারিনি।   সেইদিন থেকে মনে হয়েছে অচেনা একটা দিগন্তবিস্তৃত মেয়ে। অলৌকিক। অলৌকিকের দিকে তাকানো যায় না।   মনে পড়বে, ‘অলৌকিকের কাছে সকল আকৃতি ঝরে যায়।’ বলেছিলেন শক্তি চট্টোপাধ্যায়।

  • স্বদেশ জননী

    তরুণ সান্যাল   সুবচনির নিকোবর ওঙ্গি হাঁসে বুড়ো আংলা দেখাচ্ছে গণেশ। যাচ্ছ, যাও সাগরপার অবিন ঠাকুর ছবি লেখে 888sport appsে, ওঁর দাদা গগন ঠাকুর ওমনি ছায়া আলোয় সিঁড়ি এঁকেছেন মাঠ গৌড়দেশ কিংবা দশটা ব্যঙ্গ ছবি বঙ্গবাসী মরবে কুটোপাটিতে হেসে, যেখানে বাপ্পাদিত্য সাঙনে দোলায় দুলেছে শোলাঙ্কি দুহিতা। তারপর তো দিন গড়ায়, গণেশ বাপ্পা দেশ ছাপিয়ে রাজপুত সৈনিক,…

  • রবীন্দ্রসংগীত এখন

    আজকাল রবীন্দ্রসংগীত নিয়ে যে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা হচ্ছে, যাকে অনেকে বিনির্মাণ বলে দাবি করছেন, তাতে অনেক সময়ে নিজস্বতা হারিয়ে এই গান অন্যরূপে হাজির হচ্ছে শ্রোতাদের সামনে। এটা নতুন কোনো ব্যাপার নয়। রবীন্দ্রনাথের জীবৎকালেই নানাজনে নানাভাবে রবীন্দ্রসংগীত গেয়েছেন। কে মল্লিকের গাওয়া ‘আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার চরণধুলার তলে’ কিংবা, আঙ্গুরবালার ‘তোমারি গেহে পালিছ স্নেহে, তুমি…

  • মৃত্যুময় এ-জীবনে

    ইকবাল আজিজ এখন এই বৃদ্ধ বয়সে অধ্যাপক মাসুদ যে-শহরে এসেছেন, সেখানে তাঁর শৈশব ও কৈশোর কেটেছে। এ-শহরের পুরনো নড়বড়ে বাড়িঘর, আঁকাবাঁকা রাস্তা, গলি, স্টেশন, সদর হাসপাতাল, সিনেমাহল, সোনাদীঘির মোড় – এসব স্থির হয়ে আছে তার মনে সেই কবে থেকে। তবে শহরের সমাজজীবনের বাইরের দিকটা অনেক বদলে গেছে। শৈশবে তিনি এ-শহরে যে-লোকটিকে দেখেছিলেন ঘোড়ার গাড়ি টমটম…

  • অনিরুদ্ধ টান

    চন্দন আনোয়ার এই গ্রামের মাটির নিচে কোথাও গুপ্তধন লুকানো আছে – চা-স্টলে আদা-চায়ে চুমুক দেওয়ার একফাঁকে হঠাৎ এ-কথাটি বলে যুবক। সে এই প্রথম কোনো গ্রামের চা-স্টলে বসে চা খাচ্ছে। তার দিকে উপস্থিত সকলের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য গুপ্তধনের কথা বলে, না সত্যি করেই বলে, এই দ্বিধা নিয়ে সবাই যখন তার মুখের দিকে তাকায়, সে তখন আরেকবার…