2015
-
ঐতিহাসিক অমলেন্দু দের প্রয়াণলেখ
মলয়চন্দন মুখোপাধ্যায় ২০১৪ সালের ২৬ মে প্রয়াত হলেন উপমহাদেশের অন্যতম কৃতী ঐতিহাসিক ড. অমলেন্দু দে, ৮০ বছর বয়সে। তিনি ছিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরু নানক প্রফেসর, পরবর্তীকালে এশিয়াটিক সোসাইটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। যুক্ত ছিলেন ভারত-চীন মৈত্রী সমিতির সঙ্গেও, যার কাজে একাধিকবার চীনে যান তিনি। তাঁর নিবিড় যোগ ছিল 888sport appsের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে স্বাধীনতা আন্দোলনের পক্ষে জনমত-সংগঠনে।…
-
ওদুসসেউসের নিরাশাময় সমুদ্র888sport slot game : জর্জ সেফেরিসের 888sport app download apk
কুমার চক্রবর্তী পৃথিবীর সব 888sport app download apkই হয় ইলিয়াদ, নয় অদিসি – এ-বাক্যের দ্বারা আদি 888sport app download apkর মাহাত্ম্যকে প্রতিপন্ন করা হয়েছে যে, 888sport app download apkর ইতিহাস কোনো না কোনোভাবে এ-দুটো মহাকাব্যে নিহিত রয়েছে। কিন্তু এখানে তো মাত্র শুরু; গ্রিক নাটক, কাব্যতত্ত্ব, এমনকি দর্শন, সবকিছুই তো 888sport app download apkরই এক অপর অভিজ্ঞান রচনা করেছে; যদিও আমরা 888sport app download apk সম্পর্কে প্লাতোনের উক্তিকে ভুলে যাইনি। প্লাতোন…
-
জগন্নাথের হাত
কৃষ্ণেন্দু পালিত ট্রেনে উঠতেই কানে এলো কেউ একজন আস্ফালন করছে, আপনি আমাকে চেনেন? কথা বলতে-বলতে উত্তেজনায় উঠে দাঁড়িয়েছে সে। বুঝলাম, কোনো একটা বিষয় নিয়ে অনেক আগে থেকেই চলছে। মাঝবয়সী ভদ্রলোক, লম্বা-চওড়ায় দশাসই, মাথায় কদমছাঁট চুল, দুদিনের না-কামানো দাড়িগোঁফ, পরনে ফেডেড জিনসের ওপরে লাল-সবুজের ডোরাকাটা টি-শার্ট। চোখমুখে অদ্ভুত একটা রুক্ষতা। দুপুরের বনগাঁ লোকাল এমনিতেই ফাঁকা…
-
সাঁওতালি নদী
পরিতোষ হালদার আমার জন্মের পরে যারা শাঁখ বাজিয়েছিলেন, তারা কেউ আজ বেঁচে নেই। অথচ রোজ ক্যানভাস থেকে উড়ে যায় সাতঝাঁক পাখি। মায়ের চোখের গভীরে যে চৈত্রমাস ছিল, তার এক প্যারা 888sport app download apk latest version আমি। আজো জনেমর বারান্দায় গিয়ে দাঁড়ালে ঘুমের মতো ভেসে ওঠে প্রথম দেখা মায়ের মুখ – কেমন খুশিখুশি জাফরানকন্যা। আমি যখন প্রথম…
-
বিবেকমূল্যের দায়
জাহিদ হায়দার দাঁড়াতাম আমি বজ্রপাতের নিচে, সামান্য হলেও যদি তুমি নিতে বিবেকমূল্যের দায়। দন্ড আমার, স্বপ্ন আমার তোমার করুণায় ঋদ্ধ হতো মৃত্যুর কল্যাণে। 888sport sign up bonusর মেঘ বৃষ্টি খোঁজে সত্তার প্রান্তরে, শুদ্ধ হতো ভুল বোঝার ঋণ, পরস্পরের ফেরা। কে আর ভোলে বাঁচার ক্ষতি ক্ষতর সন্ধিতে?
-
সকল আহবান গ্রহণীয় নয়
মাহমুদ কামাল দরোজার কার্যকারণ ভিতর-বাহির শুধু আহবান নয়, দরোজা নিষেধও করে সেইমতো সকল আহবান গ্রহণীয় নয়। একটাই দরোজা তোমার, বন্ধ ঘর – তবু আহবান কখনো সচল হয়ে হেঁটে আসো ঘরের বাইরে আদর্শহীনের মতো ফিরে গিয়ে বন্ধ করো আলোকবর্তিকা উপেক্ষার ক্ষত নিয়ে নিষেধকে রসায়ন করে তোমার দরোজা দিয়ে প্রবেশ করেও যদি দূরীভূত হই অতিক্রমণের অসামান্য…
-
মাছির ছিলান দেহ
বায়তুল্লাহ্ কাদেরী এই যে একটি মাছি ভং ধরে সারাদিন পড়ে আছে বিছানার ওপর সারাদিন মাছিটির ভং বিহবল মাছির মাথা চক্রাকার ঘুরিতেছে আরো চক্রাকার মাছির ছিলান দেহ হায় এত জটিলতা! কীভাবে খোয়াব দেখি – যন্ত্রণার নর্তকীকে একা ফেলে আমি কতল করেছি এক তিমির মোরগ? নিজের সাজের দিকে তাকালেই মনে হবে সং, জবরজং রংচঙে সং এক…
-
বীথি
মাহবুব বারী বীথি, কনের মতোই সেজেছিলে, অন্যের সমস্ত অলঙ্কার পরে, বিকেল গেছে সজ্জায়, সন্ধ্যায় পড়ার টেবিলে কোনো মন নেই, বইয়ের ওপর যখন হাত, তখন আরেকজনের হাতে হাত পড়ে, কেঁপে উঠেছিলে, বাইরে তখন উথাল-পাতাল বাতাস – বাতি নিভে গেছে, অন্ধকারে এমন সময় কার না বুক কাঁপে, শিহরণে এক শীতল উত্তাপ বুকের উপর থেকে নিচের…
-
রহস্য
পার্থপ্রতিম মজুমদার শরীর শরীর চায়, মন চায় মন বুঝি না বুঝি না আমি, কে বেশি আপন কার কথা কার কাছে কোনভাবে যায় কটুবাক্য কে বা বলে, কে চোখে হারায় বুঝি না বুঝি না কিছু এই লীলাখেলা কে অতি সবল আর কেই-বা অবলা পৃথিবী রহস্যে ভরা, রহস্য অপার কী এক গোপন খেলা চলে চারিধার…
-
চারজন লোক হেঁটে আসে তারা
ইকবাল আজিজ চারজন লোক হেঁটে আসে তারা একলাশ কাঁধে বহুদূর থেকে; আকাশে আকাশে তুষারিত মেঘ সাদা গোলাপের পাপড়ি ছড়ানো। চারজন লোক বিড়বিড় করে; পৃথিবীর পথে হেঁটে যায় তারা – চলতে চলতে দেখেছে যে তারা অনেক আকাশ দুর্ভিক্ষ শাসকের নীল কূটনীতি কতো কাঁটাতার চারদিকে; চারজন লোক দেখেছে যে তারা ব্যথা-বেদনার সুরগুলি সব পথে পথে ঝরে;…
-
আমার পা
মমতাজ বেগম টলোমলো পায়ে ভর করে কখন প্রথম ভূমিতে দাঁড়িয়েছি জানিনে কতবার পড়েছি-উঠেছি তা মনে নেই তারপর হাঁটা – অবিরাম হাঁটা চিরকালের বিশ্বস্ত সঙ্গী আমার। কখনো তেমন করে মূল্য বুঝিনি তোমার আলো বাতাসের মতো তুমি আমার আজন্মের সাথি চিরকাল বহন করবে ভার এ রকমই বিশ্বাস। তুমি যে কখনো ক্লান্ত হতে পারো একথা কখনো…
-
কী করে তোমাকে ভুলি
মাহবুব সাদিক কী করে অধরা গ্রহণশেষের আংটির মতো হীরে ঝলকানো তোমাকে কী করে ভুলি? নক্ষত্রের মতো তুমি শেষে দূরভুবনের কেউ! তোমাকে খুঁজেছি সংগোপনেই কীর্তিনাশার তীরে এখানে-ওখানে কোনাকানছিতে বুলিয়েছি শ্যেনচোখ আকাশে-পাতালে খুঁজে গেছি নিরাময় – হৃদয়ের ক্ষত হয়তো তাতেও ঢাকবে না কোনোমতে নিরিবিলি ভোজ জুটবে না মাঝরাতে নিরাশার খাতে স্থিরতর হতে দেবে না আমাকে…
