2022

  • সমাধি

    (সুমনা ইসলামকে) যুদ্ধক্ষেত্রে যাব না আমি কিন্তু তোমার পায়ের কাছেই শহিদ হব। দেখো ডান পাশে ডান পা দেখো বাঁ পাশে বাঁ পা একখানে ধড় একখানে মুণ্ডু ছত্রখান হয়ে আছে মাংস ছত্রখান হয়ে আছে হাড়গোড় রক্তাক্ত হৃদ্পিণ্ড শুধু কথা বলে … যদি বুঝে থাকো সেই ভাষা যদি দাও শহিদের মর্যাদা আর অর্পিত ফুলের সাথে হৃদয়ের রং…

  • 888sport app download for androidসভা

    অভিভূত শব্দমালা পাশে সামনে ভবিতব্য, রুমঝুম ট্রাম পিছনে –                         ওহ! শোক মুখ থুবড়ে ছিন্নভিন্ন; স্রোতের মতন শুধু শোকার্ত 888sport app download apk – শুদ্ধতম হাহুতাশ। নিরুপায় ঈশ্বরী, দুহাতে রত্নখচিত সেসব দুঃখিত কৌতুক – প্রত্যক্ষদর্শীরা এর কিছুই জানে না দ্যাখে, শব্দ ও চিত্রের গহন শোকের সভা বক্তা, নিরীহ ঘাসফুল।

  • সম্পর্কের বিবর্তন

    দেখা হচ্ছে সকালবিকাল, সব দেখা বাসি   দুপুরে সন্ধ্যায়।  চোখ ঘুমহীন শীতলতা, আর প্রয়োজনস্বাদের অংকউঠোন।   ইচিংবিচিং খেলা পরিচয় প্রযুক্তির ধাবমান বেলা।       বলেছি কুশলকথা, কবে যেন আমরা হেসেছি ভাঙনের পাশে? স্পর্শগুলি প্রতিদ্বন্দ্ব, সম্পর্কের পর্যটন অতিথি বহিরাগত,    হৃদয় ত্রিপত্র বালিঘর। বদলে যেতে যেতে  তুমি কখন ব্যক্তিগত অরণ্যে গেছো? পরিচয় উপরটপকা, সম্পর্ক ওষুধ কেনে আজো।    ওপেনটি বায়োস্কোপ তুমি বিবিয়ানা,…

  • শহিদ টিলা থেকে উড়ে যায় বিষণ্ন পাখিরা

    শহিদ টিলা থেকে উড়ে যায় বিষণ্ন পাখিরা আর লাল মাটি থেকে ওঠে ফসিলের ঘ্রাণ পিচ থেকে কালো ভাপ ওঠে কয়লার গুঁড়োগুলো ছড়িয়ে যায় ঠান্ডা বাতাসে উত্তরাধুনিক কবি খোঁজে জাদুবাস্তবতার তুষ আগুন দেবে বলে বিদুর সুদূর হয়ে বসে থাকে পান্থজনেরা রক্ত-ঘাম পড়ে থাকে পারদখসা আয়নার ভেতর বিদুষক ভাঁড়ের মতো তবু যাচ্ছে দিন যতোই জমা হোক আত্মত্যাগের…

  • চন্দ্রপল্লি পূর্ণদশায় প্রকাশিত

    চাঁদ দেখা যায় না, আড়ালে থাকে মুখ চন্দ্রপল্লি পূর্ণদশায় প্রকাশিত তার কিছুটা আঁচ করা যায় কার্তিকের গ্রামে। তবুও চাঁদ, মুগ্ধতা ছড়ানো হাসি দিয়ে বিলিয়ে দিলো রূপ ও রঙের মদিরা! আমাদের কাহিনি মোটে স্বল্পদৈর্ঘ্যরে গজফিতায় তার দৈর্ঘ্য-প্রস্থ পরিমাপের নয়। একটি কাহিনি শেষ না হতেই অন্য এক দৃশ্যে চাঁদ দেখা গেল আলিঙ্গনের শুভ রাত্রিতে।

  • পঞ্চাশে পা দিয়েছো

    পঞ্চাশে পা দিয়েছো তুমি – কালের বিচারে বাল্য, কৈশোর ও যৌবন অতিক্রম করে আজ তুমি প্রবীণা, সেই তুমি তোমাকে প্রশ্ন করে দেখো – কতটুকু পরিপক্বতা অর্জন করে শরীর ও মনে আলোকিত তুমি – কতটুকু ঐশ্বর্যমণ্ডিত তোমার হৃদয়, তোমার অস্তিত্ব, দু-ডানা কতটা নক্ষত্রখচিত চিত্রল বন হরিণী কিংবা দৃষ্টিনন্দন প্রজাপতির মতো পুষ্পমুগ্ধ? কতটা মুক্তিযুদ্ধসম্মত – ক্রমাগত স্বপ্নালোকিত…

  • চাওয়া

    মৃত্যুহীন সমুদ্রের কাছে বসে অমরত্ব দাবী করার মতো সাহস আমার নেই। অরণ্যের দিনরাত্রির পায়ের তলায় বসে মহাসাধক হওয়ার ইচ্ছে আমার কোনোকালেই                                       ছিল না। অন্তহীন পথের পথপ্রান্তে নির্ঘুম বসে জীবনের হিসেবটা করে ফেলতে কখনোই চায়নি। যান্ত্রিক ঘর সংসারের রক্তিম সূর্যাস্তে জীবনকে চিনতে চেয়েছি জীবনের মধ্যে।

  • মায়াবাস্তব

    তুমি নেই, তোমার না-থাকাগুলো আছে তারা আছে কায়ার মায়ায় আমি তাদের পারি না ছাড়াতে, কখনো তার ভার বড় দুর্বহ – আমি জলের অতলে তলিয়ে যেতে                                                যেতে খুঁজি পরিত্রাণ – নেই, কখনো আবার তারা কী                                              নেশায় আমাকে আকাশে ওড়ায়, সাগরে ভাসায় আমাকে ঘিরে তারা এক live chat 888sport অবিরাম – দর্শনে-শ্রবণে-ঘ্রাণে-আশ্লেষে এক মায়াবাস্তব অথচ কী আশ্চর্য…

  • অগ্রহায়ণ সন্ধ্যা

    বগুড়ার মেয়েটিকে মিস করি খুব। যে কেবল আমার পেছনে পেছনে ঘুরত। ক্লাসশেষে প্রতিদিন মন্নুজান হল গেটে ওকে পৌঁছে দিতে হতো। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছুটি দিলে মেয়েটিকে বগুড়া পৌঁছে দিতে হতো এই আমাকেই। আমি ওর কথা না শুনলে বলত – তুমি এমন করলে আমি আর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ব না। এতো মায়াময় সেই কণ্ঠস্বর শুনে আমি মধুর যন্ত্রণায়…

  • শুধু তোরই জন্যে

    অগ্নিগর্ভা অন্তরে আজ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত      শুধুই তোর জন্যে। অতন্দ্র এই অন্তরে আজ অধ্রুব স্বপ্নের জাল বোনা শুধুই তোর জন্যে। তনুমনে অগ্নিবর্ষণ অনাবৃষ্টিরই আমন্ত্রণ শুধুই তোর জন্যে। অনুধ্যানে অনুরণনে হাহাকারের প্রতিধ্বনি   শুধুই তোর জন্যে।  অবিচ্ছিন্ন অনুভবে অচিন বিহঙ্গের ডাক শুনি শুধুই তোর জন্যে।

  • ঝুরোমাটি

    মারা গেলে উচ্চারিত হবো না এটাই সত্য। কে চায় শবদেহের ঘ্রাণ নাকে লেগে থাকুক ! জীবিতরা ক্রমাগত বাঁচতে চায় শরীর থেকে ঝেড়ে ফেলে ঝুরোমাটি যা দিয়ে তারা শব্দহীন শবদেহটিকে ঢেকে রেখে এসেছে। বুকে হাত দিয়ে তারা বলুক করস্থান থেকে জীবিত ফিরে তারা সুখী নয়! তারা স্বস্তিতে গোসল করে পাক সাফ হয়ে পরিস্কার নম্র কাপড় পরে,…

  • বাইরে বিষণ্ন বাতাস

    পাতায় লাগে পার্বণের নকশা তুমি আদিম উল্লাসে পাখা রাখলে নীলের কোলাজে। বিরহীর ভাষা বুকে নিয়ে হঠাৎ দেখলাম তুমি নেই আছো এক বিবর্ণ অন্ধকারে।