চঞ্চল শাহরিয়ার
-
সোনাঝরা দিন
চঞ্চল শাহরিয়ার ঈশ্বরদী জংশন থেকে শেলী আপাকে আবার চুয়াডাঙ্গা পৌঁছে দিতে হবে। না হলে খুবই রাগ করবেন আমার সাহানা আপা। অভিমানে ভেঙে পড়বেন কুষ্টিয়ার খুকু ফুফু। এইসব কা- দেখে আমি শুধু হাসি। হেসে হেসে মরি। তারপর শেলী আপার ব্যাগটা কাঁধে নিয়ে পার হই শীতের ওভারব্রিজ। শেলী আপা বললেন, আমার খুব খিদে পেয়েছে। তেঁতুলের…
-
সেই সুখ
চঞ্চল শাহরিয়ার তখনো রবীন্দ্রনাথে আচ্ছন্ন আমি জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির দোতলায় হাফপ্যান্ট আর গেঞ্জি পরা কিশোরীর কৌতূহল ভেঙে ভেঙে হাতে তুলে দিচ্ছি। জোড়াসাঁকো, শিলাইদহের রবীন্দ্র-কুঠিবাড়ি আর দক্ষিণডিহির বর্ষার দুপুর দিয়ে দিচ্ছি ভালোবেসে কিশোরীর আঙিনায়। সেই সুখ-সোহাগী কার্নিশে খেলা করে নিশিদিন।
-
সুদর্শনা
চঞ্চল শাহরিয়ার কাজ নেই। বারান্দায় বসে বসে তোমাকে দেখছি। দেখছি তোমার কার্ডিগানে বসা নীল প্রজাপতি। টেবিলে চায়ের কাপ। পেস্ননের টিকিট। ম্যাগাজিন। মোবাইল ফোনে রিংটোন বাজছেই। রিসিভ করার প্রয়োজন মনে করছ না। খুব মনোযোগ দিয়ে কার কথা ভাবছো এখন? মাঘের সকাল আজ অনেক সুন্দর। তবু তোমার মন খারাপ? কাছে আসো। মন ভালো করে দিই।…
