888sport app download apk
-
আমার মৃত্যু হবে, তবু বেঁচে থাকবো
আমার মৃত্যু হলে ভাববে সব চুকেবুকে গেল আমি আর থাকবো না কোথাও, কিন্তু আমি তো যাবো না এই লোকালয় ছেড়ে – শূন্য কফিন নিয়ে আমাকে গোর দিতে যাবে তোমরা অঝোরধারায় বৃষ্টি ঝরবে তোমাদের চোখের অশ্রু আর বৃষ্টির জলের মিলিত ধারায় সহস্র চাতক তৃষ্ণা মেটাবে, পিপাসার্ত আমি কোথাও জল খুঁজে পাবো না, কোথায় সে অবিরল ঝরনাধারা…
-
কফি কাপ
অবহেলায় পড়ে থাকা কফি-কাপ আমাকে নাড়িয়ে দিলো তা শুধু 888sport sign up bonus নয়, বরং এমন গল্প যা ফুরায় না কোনোদিন – আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম এত নিঃসঙ্গ পড়ে আছো কেনো কাপ নড়েচড়ে বসলো – আর শুরু করলো অবরুদ্ধ সময়ের গল্প : সেই 888sport promo code যে ভালোবাসতো তোমাকে – সে তার ঠোঁটের তুলিতে রংধনু এঁকে ছিল কপালে ধূসর আকাশ…
-
আলাপ
– সীমাবদ্ধ গল্পের ভেতরে থেকে জীবনের মহিমা বুঝবে না। এর জন্যে প্রয়োজন উড্ডয়ন, প্রতিকারহীন সর্বজাল ছিন্ন করা অহমিকারিক্ত এক নম্র অভিযান, অভিমান-পরিত্যাগী বেদুইনের পরম যাত্রা-পথ – বৃত্তভাঙা চাঁদের আলোর নিচে চোখ বন্ধ রাখা এক ধীমান প্রতিজ্ঞা, শূন্য হাতে শূন্য ক্রোধ শূন্য মুঠি শূন্য শোক-জাল আর বিস্তারিত অসীমের অবাধ ঠিকানা – আলো জ্বালো, আলো ফেলো…
-
বসন্তের উদার সৌন্দর্য
ইটবাঁধানো কষ্ট নিয়ে বসন্ত এলো, কাঁচামাটি দিয়ে তৈরি ঘরে! বসন্তের অন্তরা খুলে ঘনিষ্ঠ হবো অন্তরাত্মা শান্তি পাবে বলে আমিও সবুজের মূলধন নিয়ে নিজের হৃদয়ে সম্পাদকীয় লিখতে চেয়েছিলাম! কিন্তু এবারের বসন্তে – যে কুঁড়ি ফুটতে চাইছিল, তা আর ফুটল না – পুষ্পবাগানও হতবাক হলো! বসন্তের দিনেও আত্মকলহ ও আত্মকর্তৃত্বে…
-
ভালোবাসা নিঃশর্ত হোক
ভালোবাসা নিঃশর্ত হোক যেমন নিঃশর্ত হয় ভোর জলপতনের ধ্বনি। সবাই নিসর্গে যাবে যেমন নিঃশর্ত যায় নদী বীজপাতা খুলে দিয়ে যেমন উদ্ভিদ হৃদয়ে ধরিত্রী মাখে। যেটুকু ধরেছো তুমি লুকোছাপা-খেলা দুই হাতে তারও বেশি ঝরে পড়ে নীল নীলাকাশ হতে পাখিদের মৌনতা ভাঙে রাতভোর, প্রাতে। ভালোবাসা নিঃশর্ত হোক যেমন নিঃশব্দ বাড়ায় হাত ঘুমছায়া বট গোধূলির আঙুল ছুঁয়ে চুপে ঘন হয়ে নামে রাত আমাদের ঘরে যেমন নিঃশর্ত ছড়ানো এই ট্রপোস্ফিয়ার হিরণ ধূলির পথ, পলি সমতল আর আলো ফুটলেই আয়নায় অবলীলায়িত কারো ছায়াপাত – আমাদের বোধের ভেতরে বীজফোটা দিন, ছায়াময় ব্যাকুলতা নদী ও প্রভাত …
-
ঈশ্বরীয় বিশ্বাস ও অবিশ্বাস
ঈশ্বর আছেন অথবা ঈশ্বর নেই – এ দুই এর মধ্যে ঝুলে আছি ঘড়ির পেন্ডুলাম হয়ে অথচ নিতান্ত মূর্খ এক হাটুরে বললো, দৃষ্টিগ্রাহ্য সবকিছুই বিশ্বাস করতে নেই, তেমনি অদৃশ্য যা কিছু, সবটুকু মিথ্যাও নয় আছেন অথবা নেই এর মধ্যেও ঈশ্বর খুঁজেছি, বিশ্বাসের মজবুত রজ্জুতে বন্দি ঈশ্বরের কালো চশমাটা খুলে দেখি আমারই প্রতিবিম্ব
-
জীবন বুনে
কোথাও বোমা পড়লে কেঁপে উঠি, মনে হয়, তোমার কাছে যাওয়ার পথ কি ভেঙে পড়লো আগুনের ধাক্কায়! পথ ভরে আছে মিছিল আর মিছিলে, ক্রোধের বাইরে নয় এতটুকু জায়গাও যেখান দিয়ে আমরা হাত ধরে যাব পরস্পর। গোলাপ চাষ হচ্ছে না, চাষ হচ্ছে হত্যার, চাপাতির আঘাতে টুকরো টুকরো বিকাল তার ভেতর রান্না হয় শিশুদের আর্তনাদ। ভেঙে পড়া রাস্তা…
-
কপোতাক্ষপাড়ে গিয়ে
কপোতাক্ষপাড়ে গিয়ে শীতের রোদ্দুর গায়ে মাখি। তারপর ফিরে আসি কাঠবাদাম গাছের নিচে। মিষ্টি বউদি এসে কৌতূহলী দৃষ্টি নিয়ে আমাকে দেখেন। যেন আমি কোনোদিন একা একা কপোতাক্ষপাড়ে আসতে পারি না। যেন আমি রাজনারায়ণ দত্ত আর জাহ্ণবী দেবীর নামটা শুনিনি। যেন আমি মাইকেল মধুসূদন দত্তের টানে কখনো আসিনি সাগরদাঁড়িতে। যেন আমি কলকাতা আর ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে গিয়ে…
-
কাচের বাইরে কুয়াশার মেঘ
একটুখানি পানি জমতে শুরু করেছে কাচের বাইরে কুয়াশার মেঘ। ডিপ কালারের একটি স্বপ্ন দানা বাঁধতে শুরু করেছে। রাত বারোটার কিছু আছে বাকি; এই থাকা অর্থহীন নয়। চলো, উপলব্ধি করি কুয়াশা মোড়ানো এক বাংলো বাড়ি; যার কড়িবর্গা নেপালের সেগুনের ফাইবার পূর্ণ এক দোআঁশ মাটির অনুবর্তী হতে চায়। আমাদের দেহলি দরদ উথলায় যেখানে, সেখানে এক রাত্রি কুজ্ঝটিকা…
-
তোমার বাগান ছেড়ে
ভুল পথে হেঁটে হেঁটে তোমার বাগান ছেড়ে অনেক দূর চলে এসেছি। কুয়াশার অন্ধকারে-888sport app দীর্ঘ পথ। কেউ জানে না, বাগানবাড়ির ঠিকানা; তবে কী সব ফুল ঝরে গেছে? এখন এক বিষবৃক্ষের নিচে দাঁড়িয়ে আছি একা সব মানুষ খুব ব্যস্ত অস্থির – আমি কি ডালভাঙা জীর্ণ-শীর্ণ মৃত গাছ – আমাকে দেখে না কেউ! এই বৃক্ষের নিশ্বাসও সর্পিলছোবল হয়ে…
-
প্রতিযোগিতা
মেয়েটা সিগ্রেট খায় কজন পুরুষ ফ্যাল ফ্যাল করে তাকায় সে হাওয়া থেকে সুখপ্রদ ধারণা গিলে নিচ্ছে সে হাওয়া থেকে নিকোটিনের স্বাধীনতা খেয়ে নিচ্ছে লাল রঙের লম্বা নখের ফাঁকে বেনসনের অফ হোয়াইট মুথা বেশ ভঙ্গি দেখায় অপরাহ্ণের মোরাম শুঁষে নিচ্ছে মেয়েটা পুরুষগুলো নিজেরাও সিগ্রেট মুখে দিয়ে মেয়েটার দিকে ধোঁয়া ছুড়ে দেয় অন্তত ধোঁয়া ছাড়ার ব্যাকরণে তারা…
-
বারুদ
একটু হাওয়া দিক তারপর জানলাটা খুলো, বিরহের পর কাঁদে যতনে মানুষ – ভেজে তুলো পুরনো ডায়েরি পড়ে আছে, ব্যথা সকল পাতায়, একটি লাইন শুধু কালিহীন বুকের ছাতায়। ধরে রাখি শ্বাসমূলে, ঋতু আসে-যায় অলৌকিক বাঁশিতে লেগেছে ঘ্রাণ, সুরগুলো মায়ার অধিক আহা রে শ্রাবণ! সাদা-কালো মেঘগুলো দূরকামী, আমার চোখের ’পরে আসে তারা বেহায়া বেনামি। ভিজে যাচ্ছে ভুলগুলো,…
