ছোট গল্প
-

পিঞ্জর
শেষ পর্যন্ত বাঁকড়ো সদর থেকেই রুপোর খাঁচাটা করিয়ে নিয়ে যাই। কাছে-পিঠে করালেও হতো। শালতোড়া কি আর তেমন অজ গাঁ? কিন্তু ওই যে বলে মনের খুঁতখুঁতুনি। সবচেয়ে ভালোটা না হলে মন উঠতে চায় না। বাঁকড়োর ছিনাথ স্বর্ণকারের এই নাম তো সেই নাম। রুপোও গড়েন। দুটি ছেলেই তাঁর মুম্বাইয়ের জাভেরি বাজারে কারিগরের কাজে পুঁটলি-ভর্তি টাকা কামাচ্ছে। তাই,…
-

মম আসেনি
কথা ছিল, কার্জন হলের সামনের চতুরে অপেক্ষা করবে। সময় জানিয়েছিল এগারোটা। সাজিদ কথামতো ঠিক সময়ই এসেছে। এবং তারপর থেকে অপেক্ষা করছে। কিছুক্ষণ সদ্য চারা গজানো ফুলের বেডগুলো দেখে, তারপর দেখে মাঝারি সাইজের মেহগিনি গাছের সারি। ডালে ডালে নোনা ফলের সাইজের ফল ধরেছে। কিছুটা আগাম হলেও অশোক গাছের ডালে একটা দুটো লাল রঙের ফলের থোকাও চোখে…
